
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল ও সংঘাতময় হয়ে উঠেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ক্রিক হারবার এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে রহস্যময় ড্রোন হামলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দুবাইয়ের ঘটনায় কোনো হতাহত না হলেও অঞ্চলজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
দুবাইর গণসংযোগ দপ্তর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এতে বলা হয়েছে, ‘কর্তৃপক্ষ আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং সব বাসিন্দা নিরাপদ রয়েছেন। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’ তবে ড্রোনটি কোথা থেকে এসেছে, সে বিষয়ে ওই পোস্টে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
এর আগে বুধবার ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, লেবাননের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একযোগে প্রায় ১০০টি রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে এটিই ইসরাইলের ওপর হিজবুল্লাহর সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই ভয়াবহ হামলার ফলে হাইফা শহরসহ গ্যালিলি এবং গোলান হাইটসের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সাইরেনের শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে যান। লেবাননের একাধিক কৌশলগত পয়েন্ট থেকে এই রকেটগুলো ছোড়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আইডিএফ। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকগুলো রকেট রুখে দিতে সক্ষম হলেও হামলার ব্যাপকতা পুরো অঞ্চলকে কাঁপিয়ে দিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল ও সংঘাতময় হয়ে উঠেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ক্রিক হারবার এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে রহস্যময় ড্রোন হামলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দুবাইয়ের ঘটনায় কোনো হতাহত না হলেও অঞ্চলজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
দুবাইর গণসংযোগ দপ্তর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এতে বলা হয়েছে, ‘কর্তৃপক্ষ আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং সব বাসিন্দা নিরাপদ রয়েছেন। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’ তবে ড্রোনটি কোথা থেকে এসেছে, সে বিষয়ে ওই পোস্টে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
এর আগে বুধবার ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, লেবাননের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একযোগে প্রায় ১০০টি রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে এটিই ইসরাইলের ওপর হিজবুল্লাহর সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই ভয়াবহ হামলার ফলে হাইফা শহরসহ গ্যালিলি এবং গোলান হাইটসের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সাইরেনের শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে যান। লেবাননের একাধিক কৌশলগত পয়েন্ট থেকে এই রকেটগুলো ছোড়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আইডিএফ। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকগুলো রকেট রুখে দিতে সক্ষম হলেও হামলার ব্যাপকতা পুরো অঞ্চলকে কাঁপিয়ে দিয়েছে।

ইরান এমন কিছু শর্তে অনড় অবস্থান নিয়েছে, যেগুলোকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আবর্জনা’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি এখন ‘মারাত্মক সংকটাপন্ন অবস্থায়’ রয়েছে। এতে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির আশা কার্যত আরও ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
একইসঙ্গে ইরান, গাজা ও লেবাননের সঙ্গে চলমান বহুমুখী যুদ্ধের জন্য সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করে তেল আবিবে বড় ধরনের বিক্ষোভ করেছে সাধারণ ইসরায়েলিরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকতে নেতানিয়াহু প্রশাসন দেশকে ভুল পথে পরিচালিত করছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সোমবার এক বার্তায় ডেমোক্র্যাট এই নেতা সাফ জানিয়ে দেন, এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো যুদ্ধ শেষ করা। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, রিপাবলিকানরা যদি এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে ট্রাম্পের এই যুদ্ধের দায়ভার তাদেরই বহন করতে হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
এবারের নিষেধাজ্ঞায় ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তেহরান বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অর্থায়ন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। মূলত ইরানকে তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সন্ত্রাসী মিত্রগোষ্ঠীর অর্থায়ন থেকে বিচ্ছিন্ন করতেই যুক্তরাষ্ট্র
৯ ঘণ্টা আগে