
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানকে ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ‘প্ল্যান এ’ সাজিয়েছিলেন, তা ব্যর্থ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
এদিকে ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের অভিযান চালালে তা মোকাবিলা করতে ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলি লারিজানি।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ইরান যুদ্ধের ষষ্ঠ দিনে আরাগচি ও লারিজানি এসব কথা বলেছেন বলে খবর দিয়েছে আল জাজিরা।
খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্ট দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। পোস্টে তিনি বলেন, দ্রুত ও নির্ভুল সামরিক বিজয়ের জন্য আপনার প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে মিস্টার প্রেসিডেন্ট। আপনার দ্বিতীয় পরিকল্পনা আরও বড় ব্যর্থতায় পরিণত হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরু করে ইরানে, তার একদিন আগেই ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না এলেও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল দুপক্ষ থেকেই।
ওই আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে আরাগচি বলেন, সাম্প্রতিক বৈঠকের সময় একটি চুক্তি করার সুযোগ ছিল। ইরানে হামলার কারণে সেই চুক্তির সুযোগ নষ্ট হয়ে গেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজয় বরণ করতে হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর জনহ ইসরায়েলকে অগ্রাধিকার দেওয়াকে কারণ হিসেবে তুলে ধরে তিনি লিখেছেন, ‘সবার আগে ইসরায়েল’ নীতি শেষ পর্যন্ত ‘আমেরিকাকে সবার শেষে’ ঠেলে দেয়।
বৃহস্পতিবার এক্সেই আরেক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অভিযানের যেকোনো পরিকল্পনা মোকাবিলা করার কথা জানিয়ে পোস্ট দেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি লারিজানি

পোস্টে তিনি লিখেছেন, কিছু মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, তারা কয়েক হাজার সেনা নিয়ে স্থলপথ দিয়ে ইরানের ভূখণ্ডে ঢোকার পরিকল্পনা করছেন। ইমাম খোমেনি ও ইমাম খামেনির বীর সন্তানরা তোমাদের অপেক্ষায় আছে। তারা হাজার হাজার সেনাকে হত্যা ও বন্দি করার মাধ্যমে দুর্নীতিবাজ মার্কিন কর্মকর্তাদের লজ্জা দিতে প্রস্তুত।
লারিজানি তার পোস্টে ইরানের দুই সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি ও আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কথা তুলে ধরেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচিও বলেছিলেন, আলি খামেনি ইরানকে যে পথে পরিচালনা করে গেছেন, তার প্রয়াণের পরও ইরান একই পথ অনুসরণ করে যাবে।
ছয় দিনের এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইরানের এক হাজার ২৩০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যমগুলো। একই সময়ে ইসরায়েলে ১১ জন ও যুক্তরাষ্ট্রের ছয় সেনা নিহত হয়েছেন।
এ যুদ্ধে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ সরাসরি ইরানের পক্ষ নিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। এ কারণে ইরানের পাশাপাশি লেবাননেও হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। সেখানে অন্তত ৭৭ জনের প্রাণহানির খবর এসেছে।

অন্যদিকে ইসরায়েল ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা চালাচ্ছে ইরান, যেসব দেশে রয়েছে মার্কিন ঘাঁটি। এসব দেশেও বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন।
ইরানের অভিযোগ, তাদের বেসামরিক বিভিন্ন স্থাপনা ও অঞ্চলকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। যুদ্ধের প্রথম দিনেও ইরানের একটি মেয়েদের স্কুলে হামলা চালায় ইসরায়েল, যে হামলায় শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১৭৫ জন প্রাণ হারায়। বৃহস্পতিবারও ইসরায়েল দুটি স্কুলে হামলা করেছে বলে অভিযোগ তেহরানের।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, ইরানের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৩টি হামলা হয়েছে। এসব হামলায় চারজন চিকিৎসক নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং (আইআরআইবি) জানিয়েছে, তেহরানের একটি ক্রীড়া স্টেডিয়ামও হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইরানকে ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ‘প্ল্যান এ’ সাজিয়েছিলেন, তা ব্যর্থ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
এদিকে ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের অভিযান চালালে তা মোকাবিলা করতে ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলি লারিজানি।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ইরান যুদ্ধের ষষ্ঠ দিনে আরাগচি ও লারিজানি এসব কথা বলেছেন বলে খবর দিয়েছে আল জাজিরা।
খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্ট দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। পোস্টে তিনি বলেন, দ্রুত ও নির্ভুল সামরিক বিজয়ের জন্য আপনার প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে মিস্টার প্রেসিডেন্ট। আপনার দ্বিতীয় পরিকল্পনা আরও বড় ব্যর্থতায় পরিণত হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরু করে ইরানে, তার একদিন আগেই ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না এলেও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল দুপক্ষ থেকেই।
ওই আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে আরাগচি বলেন, সাম্প্রতিক বৈঠকের সময় একটি চুক্তি করার সুযোগ ছিল। ইরানে হামলার কারণে সেই চুক্তির সুযোগ নষ্ট হয়ে গেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজয় বরণ করতে হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর জনহ ইসরায়েলকে অগ্রাধিকার দেওয়াকে কারণ হিসেবে তুলে ধরে তিনি লিখেছেন, ‘সবার আগে ইসরায়েল’ নীতি শেষ পর্যন্ত ‘আমেরিকাকে সবার শেষে’ ঠেলে দেয়।
বৃহস্পতিবার এক্সেই আরেক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অভিযানের যেকোনো পরিকল্পনা মোকাবিলা করার কথা জানিয়ে পোস্ট দেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি লারিজানি

পোস্টে তিনি লিখেছেন, কিছু মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, তারা কয়েক হাজার সেনা নিয়ে স্থলপথ দিয়ে ইরানের ভূখণ্ডে ঢোকার পরিকল্পনা করছেন। ইমাম খোমেনি ও ইমাম খামেনির বীর সন্তানরা তোমাদের অপেক্ষায় আছে। তারা হাজার হাজার সেনাকে হত্যা ও বন্দি করার মাধ্যমে দুর্নীতিবাজ মার্কিন কর্মকর্তাদের লজ্জা দিতে প্রস্তুত।
লারিজানি তার পোস্টে ইরানের দুই সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি ও আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কথা তুলে ধরেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচিও বলেছিলেন, আলি খামেনি ইরানকে যে পথে পরিচালনা করে গেছেন, তার প্রয়াণের পরও ইরান একই পথ অনুসরণ করে যাবে।
ছয় দিনের এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইরানের এক হাজার ২৩০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যমগুলো। একই সময়ে ইসরায়েলে ১১ জন ও যুক্তরাষ্ট্রের ছয় সেনা নিহত হয়েছেন।
এ যুদ্ধে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ সরাসরি ইরানের পক্ষ নিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। এ কারণে ইরানের পাশাপাশি লেবাননেও হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। সেখানে অন্তত ৭৭ জনের প্রাণহানির খবর এসেছে।

অন্যদিকে ইসরায়েল ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা চালাচ্ছে ইরান, যেসব দেশে রয়েছে মার্কিন ঘাঁটি। এসব দেশেও বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন।
ইরানের অভিযোগ, তাদের বেসামরিক বিভিন্ন স্থাপনা ও অঞ্চলকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। যুদ্ধের প্রথম দিনেও ইরানের একটি মেয়েদের স্কুলে হামলা চালায় ইসরায়েল, যে হামলায় শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১৭৫ জন প্রাণ হারায়। বৃহস্পতিবারও ইসরায়েল দুটি স্কুলে হামলা করেছে বলে অভিযোগ তেহরানের।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, ইরানের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৩টি হামলা হয়েছে। এসব হামলায় চারজন চিকিৎসক নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং (আইআরআইবি) জানিয়েছে, তেহরানের একটি ক্রীড়া স্টেডিয়ামও হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সাম্প্রতিক আফ্রিকার দেশ কিংডম অব ইসওয়াতিনি (সাবেক বতসোয়ানা) সফর ঘিরেও ফের চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাইকে ‘ইঁদুর’ আখ্যা দিয়ে এ সফরের নিন্দা জানিয়েছে চীন। জবাবে তাইওয়ানের পক্ষ থেকেও চীনকে ‘মাছের ব্যাপারী’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরুর পর তেহরান গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান এই রুটটি বন্ধ হওয়ার পর গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ ঘোষণা করে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই ব্যর্থ হওয়ার পর এই কঠোর
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে দুই মাসের সময়সীমা দিয়ে সাময়িক যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছিল। তবে ইরান সেই প্রস্তাবে দ্বিমত পোষণ করে জানিয়েছে, উদ্ভূত সমস্যাগুলো ৩০ দিনের মধ্যেই সমাধান করতে হবে। তেহরান কেবল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নয়, বরং স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছে।
১ দিন আগে
আইসিজের এ সংক্রান্ত বিষয়ে রায়ের কথাও উল্লেখ করেন জাতিসংঘে এই বিশেষ দূত। সে রায় অগ্রাহ্য করে ইউর্যপের দেশগুলো যেভাবে ইসরায়েলকে সহায়তা করে যাচ্ছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, সেটিকেই ‘ইসরায়েলিকরণ’ আখ্যা দেন তিনি।
১ দিন আগে