৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তিটিকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপান্তরের সম্ভাবনা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এরপরই এই যুদ্ধবিরতির খবর এলো।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জাহাজ পরিচালনাকারীদের হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করার অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা সরকারি ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদনে জাহাজের সঠিক যোগাযোগ তথ্য, রুট ও সময়সূচি উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে প্রণালিতে প্রবেশ কিংবা বের
সুইজারল্যান্ডে ইরানি ও মার্কিন আলোচনাকারীদের মধ্যে শুক্রবার পূর্বনির্ধারিত বৈঠকটি বাতিল হয়ে গেছে। এর ফলে প্রায় চার মাস ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারককে (এমওইউ) একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপান্তরের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, সেই আলোচনার সময়সূচি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছ
আইসিপির তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বেশ কিছু ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় অনেক বিদেশি নাগরিক নির্ধারিত সময়ে নিজ দেশে ফিরতে পারেননি। মানবিক বিবেচনায় তাদের ওপর আরোপিত ওভারস্টে জরিমানা সাময়িকভাবে মওকুফ করা হয়েছিল।
নিজের লেখা এক মতামত নিবন্ধে হিলারি বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ২০ দফা গাজা পরিকল্পনা নিখুঁত নয়, এতে অনেক বিতর্কিত বিষয় রয়েছে। তারপরও বর্তমানে এটিই একমাত্র কার্যকর কাঠামো, যার মাধ্যমে গাজা সংকট থেকে বের হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বিকল্প কোনো কার্যকর পরিকল্পনা এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন চুক্তিটিকে এর সমর্থকরা ‘শতাব্দীর সেরা চুক্তি’ (ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি) হিসেবে অভিহিত করছেন। তবে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে তেহরানের প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে— ইসরায়েল থেকে শুরু করে উপসাগরীয় দেশ এবং লেবাননের বিভিন্ন গোষ্ঠী— এটি বরং ‘শতাব্দীর অভিশাপ’ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। ত
এ বাস্তবতায় অনেক বিশ্লেষকের মতে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মূল্য ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছিল। ফলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা ট্রাম্পের জন্য যুদ্ধ থেকে সম্মানজনকভাবে বেরিয়ে আসার একটি পথ হয়ে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে পাঠানো এক লিখিত বার্তায় খামেনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘হতাশা থেকে’ বিভিন্ন ধরনের চাপ ও কৌশল প্রয়োগ করে এই সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা কার্যকর হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবারও স্বাভাবিকভাবে তেল পরিবহন শুরু হয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে এর মধ্যে লেবাননে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের কার্যক্রম বিস্তারের অভিযোগ তুলেছে ইসরায়েল। ভারতে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার দাবি করেছেন— ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকেই দুই দেশে সংগঠনটির তৎপরতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইসরায়েল।
টানা প্রায় চার মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে মুখোমুখি বসছেন মার্কিন ও ইরানি কূটনীতিকরা। দুই দেশের এই শীর্ষ বৈঠকের ওপর এখন নির্ভর করছে গোটা মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ। তবে একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পথে এমন কিছু জটিল ও সংবেদনশীল বাধা রয়েছে, যা যেকোনো মুহ
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) ইলেকট্রনিকভাবে সই করেন। উভয় পক্ষ জানায়, চুক্তিটি এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এতে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র
ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলন শেষে বুধবার (১৭ জুন) প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনা অবশ্যই এমন একটি সমাধানে পৌঁছাতে হবে, যেন তেহরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনের ফাঁকে বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি একটি সমঝোতা স্মারক। যদি এটি আমার পছন্দ না হয়, তাহলে আমরা আবারও গুলি চালাব, তাদের ওপর বোমা ফেলব।’