
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কাশ্মীরের পেহেলেগামে হামলার ঘটনায় ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা তুঙ্গে। আক্রান্ত হলে ভারতে পাল্টা পারমাণবিক হামলার হুমকি দিয়েছে পাকিস্তান। কূটনৈতিক সম্পর্কে তৈরি হয়েছে টানাপোড়েন। এর মধ্যেই পাকিস্তান এবার মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। খবর দ্য ডনের
শনিবার (৩ মে) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল উৎক্ষেপণের একটি ভিডিও-ও প্রকাশ করেছে আইএসপিআর।
পেহেলগামের ঘটনার আবহে যখন ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে, তখন ইসলামাবাদের এই দাবি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ৪৫০ কিলোমিটারের মধ্যে ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ‘আবদালি’। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ‘সিন্ধু’ নামক মহড়ায় ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল উৎক্ষেপণ করা হয়।
আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ও প্রযুক্তিগত মাপকাঠিকে বৈধতা দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়।’ প্রযুক্তিগত উন্নতি এবং পরিকাঠামোগত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার পর নিরাপত্তা রক্ষায় পাকিস্তান যে প্রস্তুত, সেই বিষয়ে ‘পূর্ণ আস্থা’ রয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও সামরিক কর্মকর্তাদের।
এই ক্ষেপণাস্ত্রটি পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে জানা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণের সময় উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তারা।
পেহেলগামের হামলার ঘটনার পর জম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় টানা নয়দিন ধরে সংঘর্ষ চলেছে পাকিস্তান ও ভারতের। এই ঘটনা সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আতঙ্গে দিন অতিবাহিত করছেন সীমান্তবর্তী দু’দেশের বাসিন্দারা। এমন পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদের সফল ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার দাবি স্বভাবতই ভারতকে উদ্বিগ্ন করবে।

কাশ্মীরের পেহেলেগামে হামলার ঘটনায় ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা তুঙ্গে। আক্রান্ত হলে ভারতে পাল্টা পারমাণবিক হামলার হুমকি দিয়েছে পাকিস্তান। কূটনৈতিক সম্পর্কে তৈরি হয়েছে টানাপোড়েন। এর মধ্যেই পাকিস্তান এবার মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। খবর দ্য ডনের
শনিবার (৩ মে) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল উৎক্ষেপণের একটি ভিডিও-ও প্রকাশ করেছে আইএসপিআর।
পেহেলগামের ঘটনার আবহে যখন ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে, তখন ইসলামাবাদের এই দাবি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ৪৫০ কিলোমিটারের মধ্যে ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ‘আবদালি’। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ‘সিন্ধু’ নামক মহড়ায় ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল উৎক্ষেপণ করা হয়।
আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ও প্রযুক্তিগত মাপকাঠিকে বৈধতা দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়।’ প্রযুক্তিগত উন্নতি এবং পরিকাঠামোগত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার পর নিরাপত্তা রক্ষায় পাকিস্তান যে প্রস্তুত, সেই বিষয়ে ‘পূর্ণ আস্থা’ রয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও সামরিক কর্মকর্তাদের।
এই ক্ষেপণাস্ত্রটি পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে জানা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণের সময় উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তারা।
পেহেলগামের হামলার ঘটনার পর জম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় টানা নয়দিন ধরে সংঘর্ষ চলেছে পাকিস্তান ও ভারতের। এই ঘটনা সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আতঙ্গে দিন অতিবাহিত করছেন সীমান্তবর্তী দু’দেশের বাসিন্দারা। এমন পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদের সফল ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার দাবি স্বভাবতই ভারতকে উদ্বিগ্ন করবে।

দাবানল নিয়ন্ত্রণ অভিযানের উপ-প্রধান টাইলার হেক্ট জানান, দুর্ঘটনার পর কর্মীরা কিছু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। পরবর্তীতে পুনরায় কাজ শুরু হয়। তিনি বলেন, “এই দুর্ঘটনা আমাদের কাজের পদ্ধতি বদলে দেবে না। আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাব এবং মাটিতে থাকা দমকলকর্মীদের সহায়তায় বিমান
১ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মেয়র এদুয়ার্দো নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তিনি ব্রাজিলের ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সির (এএনএসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আকাশে চলাচলকারী সকল হেলিকপ্টারের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত কর
১ দিন আগে
নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
১ দিন আগে
চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
২ দিন আগে