
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আর্কটিক অঞ্চলে সমুদ্রতলের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ক্যাবল অচল করার প্রযুক্তি পরীক্ষার সময় রুশ সাবমেরিনকে বাধা দেওয়ার দাবি করেছে ন্যাটোর মিত্ররা। ব্রিটেন, নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানে রুশ জাহাজ ও গভীর সমুদ্রের সাবমার্সিবলগুলোকে শনাক্ত ও অনুসরণ করা হয়। শেষ পর্যন্ত রুশ বাহিনী তাদের মহড়া শেষ করতে না পেরে ওই এলাকা ছেড়ে যায়।
এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। পশ্চিমা দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি বছরের বসন্তে আর্কটিকের স্ভালবার্ড দ্বীপপুঞ্জের কাছে এই ঘটনা ঘটে। রাশিয়ার গোপন গভীর সমুদ্র অভিযান পরিচালনাকারী ইউনিট জিইউজিআই এই মহড়াটি চালায়।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ওই ঘটনায় কোনো ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। পশ্চিমা কর্মকর্তাদের ভাষ্য, রাশিয়া তখন বাস্তবে কোনো ক্যাবল কাটার বদলে একটি নতুন ধরনের নাশকতা প্রযুক্তি কীভাবে ব্যবহার করা যায়, সেটির মহড়া চালাচ্ছিল। প্রযুক্তিটির ধরন বা এটি কীভাবে কাজ করে, সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, রুশ সাবমার্সিবলগুলো এমন একটি প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, যা সমুদ্রতলের গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল অচল করতে পারে এবং এর পেছনে নাশকতার স্পষ্ট চিহ্নও নাও থাকতে পারে। ব্রিটেন, নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী রুশ জাহাজগুলোর গতিবিধি অনুসরণ করে সাগরে তাদের মুখোমুখি হয়। এতে রুশ বাহিনী মহড়া শেষ করতে পারেনি।
এরপর ব্রিটিশ ও নরওয়েজীয় কর্মকর্তারা মস্কোর কাছে গিয়ে তাদের হাতে থাকা তথ্যও তুলে দেন। এর উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়াকে বোঝানো যে এ ধরনের গোপন তৎপরতাও পশ্চিমা গোয়েন্দা ও সামরিক ব্যবস্থার নজর এড়াচ্ছে না।
নরওয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রী তোরে স্যান্ডভিক বলেন, যৌথ অভিযানের মাধ্যমে রাশিয়াকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, তারা গোপনে এ ধরনের কার্যক্রম চালাতে পারবে না। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে কোনো চেষ্টা শনাক্ত হলে তার ‘পরিণতি’ হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। একই সঙ্গে হাই নর্থ বা উত্তর মেরু অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ানো কারও স্বার্থে নয় বলে মন্তব্য করেন স্যান্ডভিক।
রুশ মহড়ার স্থানটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্ভালবার্ড থেকে নরওয়ের মূল ভূখণ্ড পর্যন্ত সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে দুটি প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ফাইবার-অপটিক ক্যাবল গেছে। এগুলোর কিছু অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৭০০ মিটার গভীরে।
ক্যাবল দুটি স্ভালবার্ডের স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন স্ভালস্যাট থেকে বিপুল পরিমাণ স্যাটেলাইট ডেটা মূল ভূখণ্ডে পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। স্ভালস্যাট বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশনগুলোর একটি এবং নাসার নিয়ার স্পেস নেটওয়ার্কের সঙ্গেও যুক্ত। ফলে ক্যাবলগুলোর ওপর হামলা হলে শুধু সাধারণ যোগাযোগ নয়, গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক, স্যাটেলাইট ও কৌশলগত ডেটা আদান-প্রদানও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
সমুদ্রতলের এসব ক্যাবল এখন বৈশ্বিক অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইন্টারনেট যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেনসহ বিপুল পরিমাণ আন্তর্জাতিক ডেটা এসব ক্যাবলের মাধ্যমে চলাচল করে। সে কারণে এগুলো নিয়ে সামরিক ও গোয়েন্দা উদ্বেগও বাড়ছে।
রাশিয়ার সম্ভাব্য নাশকতা নিয়ে ন্যাটোর উদ্বেগ অবশ্য নতুন নয়। ২০২২ সালে নর্ড স্ট্রিম গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণের পর ইউরোপ সমুদ্রতলের অবকাঠামোর নিরাপত্তাকে নতুন করে গুরুত্ব দিতে শুরু করে। এরপর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল, বিদ্যুৎ লাইন ও পাইপলাইনের আশপাশে সন্দেহজনক জাহাজ চলাচলও নজরদারির আওতায় এসেছে।
রয়টার্স বলছে, ২০২৩ সাল থেকে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রতলের অবকাঠামোর ওপর দিয়ে বা কাছাকাছি এলাকায় ধীরগতিতে জাহাজ চলাচল বেড়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, এ ধরনের তৎপরতা ভবিষ্যৎ নাশকতার আগে অবকাঠামোর অবস্থান ও সক্ষমতা বোঝার প্রস্তুতি হতে পারে।
এ কারণে ন্যাটো ব্যালিস্টিক সেন্ট্রি ও যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে নরডিক ওয়ার্ডেনের মতো নজরদারি উদ্যোগ জোরদার করেছে। আর্কটিকেও সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে। চলতি আগস্টে ব্রিটেন নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় নরওয়ের প্রত্যন্ত দ্বীপ জান মায়েনে বাহিনী মোতায়েন করেছিল।
রাশিয়া-ন্যাটো সংঘাত আরও বাড়লে আর্কটিকের একটি বিশেষ জলপথ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। রাশিয়ার কোলা উপদ্বীপে থাকা পারমাণবিক সাবমেরিনগুলো আটলান্টিকে যেতে স্ভালবার্ডের দক্ষিণ দিকের প্রায় ৪০০ মাইল প্রশস্ত জলপথ অতিক্রম করে নরওয়ের কাছ দিয়ে যেতে হয়।
পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখসারিতে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার পর রাশিয়া ইউরোপের বিরুদ্ধে গোপন ও ‘হাইব্রিড’ তৎপরতা আরও বাড়াতে পারে। সমুদ্রতলের ক্যাবল অচল করা এমন কোনো অভিযানের অংশ হতে পারে, যার মাধ্যমে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া যাচাই করা সম্ভব।
এমনকি কিছু মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার আশঙ্কা, রাশিয়া ভবিষ্যতে ন্যাটোর আর্টিকেল ফাইভ তথা এক সদস্যের ওপর হামলাকে পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনার নীতি পরীক্ষা করার চেষ্টা করতে পারে। সে ক্ষেত্রে সমুদ্রতলের যোগাযোগ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করা একটি সম্ভাব্য কৌশল হতে পারে বলে পশ্চিমা কর্মকর্তারা মনে করছেন।
এদিকে নরওয়ে ২০২৮ সালের মধ্যে স্ভালবার্ড ও জান মায়েনকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে নতুন ফাইবার-অপটিক ক্যাবল স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। অর্থাৎ আর্কটিকের বরফঢাকা সমুদ্র এখন শুধু জলবায়ু ও সামুদ্রিক সম্পদের প্রশ্ন নয়, বিশ্বের ডেটা অবকাঠামো এবং রাশিয়া-ন্যাটো সামরিক প্রতিযোগিতারও নতুন ফ্রন্টে পরিণত হচ্ছে।

আর্কটিক অঞ্চলে সমুদ্রতলের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ক্যাবল অচল করার প্রযুক্তি পরীক্ষার সময় রুশ সাবমেরিনকে বাধা দেওয়ার দাবি করেছে ন্যাটোর মিত্ররা। ব্রিটেন, নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানে রুশ জাহাজ ও গভীর সমুদ্রের সাবমার্সিবলগুলোকে শনাক্ত ও অনুসরণ করা হয়। শেষ পর্যন্ত রুশ বাহিনী তাদের মহড়া শেষ করতে না পেরে ওই এলাকা ছেড়ে যায়।
এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। পশ্চিমা দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি বছরের বসন্তে আর্কটিকের স্ভালবার্ড দ্বীপপুঞ্জের কাছে এই ঘটনা ঘটে। রাশিয়ার গোপন গভীর সমুদ্র অভিযান পরিচালনাকারী ইউনিট জিইউজিআই এই মহড়াটি চালায়।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ওই ঘটনায় কোনো ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। পশ্চিমা কর্মকর্তাদের ভাষ্য, রাশিয়া তখন বাস্তবে কোনো ক্যাবল কাটার বদলে একটি নতুন ধরনের নাশকতা প্রযুক্তি কীভাবে ব্যবহার করা যায়, সেটির মহড়া চালাচ্ছিল। প্রযুক্তিটির ধরন বা এটি কীভাবে কাজ করে, সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, রুশ সাবমার্সিবলগুলো এমন একটি প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, যা সমুদ্রতলের গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল অচল করতে পারে এবং এর পেছনে নাশকতার স্পষ্ট চিহ্নও নাও থাকতে পারে। ব্রিটেন, নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী রুশ জাহাজগুলোর গতিবিধি অনুসরণ করে সাগরে তাদের মুখোমুখি হয়। এতে রুশ বাহিনী মহড়া শেষ করতে পারেনি।
এরপর ব্রিটিশ ও নরওয়েজীয় কর্মকর্তারা মস্কোর কাছে গিয়ে তাদের হাতে থাকা তথ্যও তুলে দেন। এর উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়াকে বোঝানো যে এ ধরনের গোপন তৎপরতাও পশ্চিমা গোয়েন্দা ও সামরিক ব্যবস্থার নজর এড়াচ্ছে না।
নরওয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রী তোরে স্যান্ডভিক বলেন, যৌথ অভিযানের মাধ্যমে রাশিয়াকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, তারা গোপনে এ ধরনের কার্যক্রম চালাতে পারবে না। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে কোনো চেষ্টা শনাক্ত হলে তার ‘পরিণতি’ হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। একই সঙ্গে হাই নর্থ বা উত্তর মেরু অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ানো কারও স্বার্থে নয় বলে মন্তব্য করেন স্যান্ডভিক।
রুশ মহড়ার স্থানটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্ভালবার্ড থেকে নরওয়ের মূল ভূখণ্ড পর্যন্ত সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে দুটি প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ফাইবার-অপটিক ক্যাবল গেছে। এগুলোর কিছু অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৭০০ মিটার গভীরে।
ক্যাবল দুটি স্ভালবার্ডের স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন স্ভালস্যাট থেকে বিপুল পরিমাণ স্যাটেলাইট ডেটা মূল ভূখণ্ডে পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। স্ভালস্যাট বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশনগুলোর একটি এবং নাসার নিয়ার স্পেস নেটওয়ার্কের সঙ্গেও যুক্ত। ফলে ক্যাবলগুলোর ওপর হামলা হলে শুধু সাধারণ যোগাযোগ নয়, গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক, স্যাটেলাইট ও কৌশলগত ডেটা আদান-প্রদানও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
সমুদ্রতলের এসব ক্যাবল এখন বৈশ্বিক অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইন্টারনেট যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেনসহ বিপুল পরিমাণ আন্তর্জাতিক ডেটা এসব ক্যাবলের মাধ্যমে চলাচল করে। সে কারণে এগুলো নিয়ে সামরিক ও গোয়েন্দা উদ্বেগও বাড়ছে।
রাশিয়ার সম্ভাব্য নাশকতা নিয়ে ন্যাটোর উদ্বেগ অবশ্য নতুন নয়। ২০২২ সালে নর্ড স্ট্রিম গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণের পর ইউরোপ সমুদ্রতলের অবকাঠামোর নিরাপত্তাকে নতুন করে গুরুত্ব দিতে শুরু করে। এরপর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল, বিদ্যুৎ লাইন ও পাইপলাইনের আশপাশে সন্দেহজনক জাহাজ চলাচলও নজরদারির আওতায় এসেছে।
রয়টার্স বলছে, ২০২৩ সাল থেকে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রতলের অবকাঠামোর ওপর দিয়ে বা কাছাকাছি এলাকায় ধীরগতিতে জাহাজ চলাচল বেড়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, এ ধরনের তৎপরতা ভবিষ্যৎ নাশকতার আগে অবকাঠামোর অবস্থান ও সক্ষমতা বোঝার প্রস্তুতি হতে পারে।
এ কারণে ন্যাটো ব্যালিস্টিক সেন্ট্রি ও যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে নরডিক ওয়ার্ডেনের মতো নজরদারি উদ্যোগ জোরদার করেছে। আর্কটিকেও সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে। চলতি আগস্টে ব্রিটেন নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় নরওয়ের প্রত্যন্ত দ্বীপ জান মায়েনে বাহিনী মোতায়েন করেছিল।
রাশিয়া-ন্যাটো সংঘাত আরও বাড়লে আর্কটিকের একটি বিশেষ জলপথ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। রাশিয়ার কোলা উপদ্বীপে থাকা পারমাণবিক সাবমেরিনগুলো আটলান্টিকে যেতে স্ভালবার্ডের দক্ষিণ দিকের প্রায় ৪০০ মাইল প্রশস্ত জলপথ অতিক্রম করে নরওয়ের কাছ দিয়ে যেতে হয়।
পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখসারিতে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার পর রাশিয়া ইউরোপের বিরুদ্ধে গোপন ও ‘হাইব্রিড’ তৎপরতা আরও বাড়াতে পারে। সমুদ্রতলের ক্যাবল অচল করা এমন কোনো অভিযানের অংশ হতে পারে, যার মাধ্যমে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া যাচাই করা সম্ভব।
এমনকি কিছু মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার আশঙ্কা, রাশিয়া ভবিষ্যতে ন্যাটোর আর্টিকেল ফাইভ তথা এক সদস্যের ওপর হামলাকে পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনার নীতি পরীক্ষা করার চেষ্টা করতে পারে। সে ক্ষেত্রে সমুদ্রতলের যোগাযোগ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করা একটি সম্ভাব্য কৌশল হতে পারে বলে পশ্চিমা কর্মকর্তারা মনে করছেন।
এদিকে নরওয়ে ২০২৮ সালের মধ্যে স্ভালবার্ড ও জান মায়েনকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে নতুন ফাইবার-অপটিক ক্যাবল স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। অর্থাৎ আর্কটিকের বরফঢাকা সমুদ্র এখন শুধু জলবায়ু ও সামুদ্রিক সম্পদের প্রশ্ন নয়, বিশ্বের ডেটা অবকাঠামো এবং রাশিয়া-ন্যাটো সামরিক প্রতিযোগিতারও নতুন ফ্রন্টে পরিণত হচ্ছে।

দুই ইরানি ঊর্ধ্বতন সূত্রসহ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত অন্য ব্যক্তিরা রয়টার্সকে বলেন, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরান চীন থেকে ওষুধ, যানবাহন ও যোগাযোগ সরঞ্জাম কিনেছে। গত এক বছরে অন্তত একবার কয়েক মিলিয়ন ডলার মূল্যের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহসংক্রান্ত চুক্তিতেও এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইসলামাবাদে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান এ কথা বলেন। তিনি জানান, তিন দেশের মধ্যে নিয়মিত বৈঠক, পরামর্শ ও যোগাযোগ চলছে। তবে এই মুহূর্তে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্প্রসারণ বা নতুন সদস্য নেওয়ার কোনো আলোচনা নেই।
২০ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মক্কা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান কীভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে— এমন প্রশ্নের জবাবে সাজ্জাদ হায়দার বলেন, ‘এ মুহূর্তে এমন কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। সময় এলে আমরা চুক্তির আওতায় পদক্ষেপ নেব।’
২০ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইয়েমেন সরকারের চারটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালির কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জেও হুতিরা হামলা চালাচ্ছে।
২১ ঘণ্টা আগে