
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন ঘিরে চলমান বিতর্কের মধ্যে ভারতীয় অভিবাসীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এমন একটি বক্তব্য পুনঃশেয়ার করেছেন, যেখানে দাবি করা হয়েছে—ভারতীয়রা মূলত সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন।
ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন রেডিও উপস্থাপক মাইকেল স্যাভেজের ‘স্যাভেজ নেশন’ পডকাস্টের একটি অংশ শেয়ার করেন। ওই বক্তব্যে ভারত ও চীনের নাগরিকদের নিয়ে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করে বলা হয়, তারা যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান জন্ম দিয়ে নাগরিকত্ব সুবিধা নিচ্ছেন।
পডকাস্টে স্যাভেজ অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান আইন অনুযায়ী দেশে জন্ম নেওয়া শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব পায়, যা বিদেশিদের পরিবার-পরিজনকে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার সুযোগ তৈরি করে। তিনি এই ব্যবস্থার পরিবর্তন দাবি করে বিষয়টি আদালতের পরিবর্তে গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণের আহ্বান জানান।
ট্রাম্পের এই শেয়ারকে ঘিরে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এ ধরনের মন্তব্য অভিবাসী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নেতিবাচক ধারণা উসকে দিতে পারে।
বাস্তবে, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও বিশ্বের প্রায় তিন ডজন দেশে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে কানাডা ও মেক্সিকোসহ দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ দেশ উল্লেখযোগ্য।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধের পক্ষে দীর্ঘদিন ধরেই অবস্থান নিয়ে আসছেন ট্রাম্প। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে তিনি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এই অধিকার সীমিত করতে নির্বাহী আদেশও জারি করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী এই নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা দেয়—এমন মত দিয়েছেন অধিকাংশ আইন বিশেষজ্ঞ।
বিষয়টি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। আদালতের রায় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন ঘিরে চলমান বিতর্কের মধ্যে ভারতীয় অভিবাসীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এমন একটি বক্তব্য পুনঃশেয়ার করেছেন, যেখানে দাবি করা হয়েছে—ভারতীয়রা মূলত সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন।
ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন রেডিও উপস্থাপক মাইকেল স্যাভেজের ‘স্যাভেজ নেশন’ পডকাস্টের একটি অংশ শেয়ার করেন। ওই বক্তব্যে ভারত ও চীনের নাগরিকদের নিয়ে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করে বলা হয়, তারা যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান জন্ম দিয়ে নাগরিকত্ব সুবিধা নিচ্ছেন।
পডকাস্টে স্যাভেজ অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান আইন অনুযায়ী দেশে জন্ম নেওয়া শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব পায়, যা বিদেশিদের পরিবার-পরিজনকে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার সুযোগ তৈরি করে। তিনি এই ব্যবস্থার পরিবর্তন দাবি করে বিষয়টি আদালতের পরিবর্তে গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণের আহ্বান জানান।
ট্রাম্পের এই শেয়ারকে ঘিরে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এ ধরনের মন্তব্য অভিবাসী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নেতিবাচক ধারণা উসকে দিতে পারে।
বাস্তবে, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও বিশ্বের প্রায় তিন ডজন দেশে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে কানাডা ও মেক্সিকোসহ দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ দেশ উল্লেখযোগ্য।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধের পক্ষে দীর্ঘদিন ধরেই অবস্থান নিয়ে আসছেন ট্রাম্প। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে তিনি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এই অধিকার সীমিত করতে নির্বাহী আদেশও জারি করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী এই নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা দেয়—এমন মত দিয়েছেন অধিকাংশ আইন বিশেষজ্ঞ।
বিষয়টি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। আদালতের রায় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে