
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ন্যাটো সাধারণ সম্পাদক মার্ক রুটে ইউরোপীয় সদস্য দেশগুলোকে বড় আকারের যুদ্ধের সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুতি নিতে সতর্ক করেছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, রাশিয়া আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই সামরিক জোটের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বার্লিনে দেওয়া এক বক্তৃতায় রুটে বলেন, 'রাশিয়া ইউরোপে যুদ্ধ ফিরিয়ে এনেছে, এবং আমাদের সেই বড়সড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে যা আমাদের পূর্ব প্রজন্ম দেখেছে।' তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোকে 'যুদ্ধকালীন মানসিকতা' নিয়ে দ্রুত প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি এবং জরুরি প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সাথে রুটে চীনকে রাশিয়ার 'লাইফলাইন' আখ্যা দিয়ে ইউক্রেনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে চীনা প্রযুক্তির জড়িত থাকার অভিযোগও তোলেন।
রুটে বলেন, 'রাশিয়া ইউরোপে যুদ্ধ ফিরিয়ে এনেছে, এবং আমাদের সেই বড়সড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে যা আমাদের পূর্ব প্রজন্ম দেখেছে।' তিনি জোর দিয়ে বলেন, 'ন্যাটোর ২০৩৫ সালের মধ্যে সামরিক ব্যয় জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা সঠিক উদ্যোগ হলেও, আরও জরুরি পদক্ষেপ এবং যুদ্ধকালীন মানসিকতা প্রয়োজন।'
রুটে সতর্ক করেছেন, রাশিয়ার সামরিক শক্তি অর্থনীতি এবং চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তায় সমর্থিত হওয়ায়, তারা প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত ন্যাটোর বিরুদ্ধে হামলা চালাতে পারে। ইউক্রেনে যুদ্ধের মানবিক ক্ষতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২২ সালের পূর্ণবিস্তারী আক্রমণের পর থেকে এক মিলিয়নের বেশি রাশিয়ান সেনা নিহত হয়েছে, যা প্রমাণ করে প্রেসিডেন্ট পুতিন জীবন ত্যাগ করতে প্রস্তুত।
তিনি আরও বলেন,'চীন রাশিয়ার জীবনরেখা। চীনের সহায়তা ছাড়া রাশিয়া এই যুদ্ধ চালাতে পারত না। রাশিয়ান ড্রোন এবং অন্যান্য যন্ত্রে ব্যবহৃত প্রায় ৮০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক উপাদান চীনে তৈরি। তাই কিয়েভ বা খারকিভে যখন অসহায় নাগরিক নিহত হচ্ছে, তখন সেই হত্যার পেছনে চীনের প্রযুক্তিও জড়িত।'
রুটে বক্তৃতা শেষ করেন এই সতর্কবার্তা দিয়ে যে, ইউরোপের অলস হওয়ার সুযোগ নেই; রাশিয়ার বাড়তে থাকা হুমকি মোকাবিলার জন্য জরুরি প্রস্তুতি নিতে হবে।

ন্যাটো সাধারণ সম্পাদক মার্ক রুটে ইউরোপীয় সদস্য দেশগুলোকে বড় আকারের যুদ্ধের সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুতি নিতে সতর্ক করেছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, রাশিয়া আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই সামরিক জোটের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বার্লিনে দেওয়া এক বক্তৃতায় রুটে বলেন, 'রাশিয়া ইউরোপে যুদ্ধ ফিরিয়ে এনেছে, এবং আমাদের সেই বড়সড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে যা আমাদের পূর্ব প্রজন্ম দেখেছে।' তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোকে 'যুদ্ধকালীন মানসিকতা' নিয়ে দ্রুত প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি এবং জরুরি প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সাথে রুটে চীনকে রাশিয়ার 'লাইফলাইন' আখ্যা দিয়ে ইউক্রেনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে চীনা প্রযুক্তির জড়িত থাকার অভিযোগও তোলেন।
রুটে বলেন, 'রাশিয়া ইউরোপে যুদ্ধ ফিরিয়ে এনেছে, এবং আমাদের সেই বড়সড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে যা আমাদের পূর্ব প্রজন্ম দেখেছে।' তিনি জোর দিয়ে বলেন, 'ন্যাটোর ২০৩৫ সালের মধ্যে সামরিক ব্যয় জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা সঠিক উদ্যোগ হলেও, আরও জরুরি পদক্ষেপ এবং যুদ্ধকালীন মানসিকতা প্রয়োজন।'
রুটে সতর্ক করেছেন, রাশিয়ার সামরিক শক্তি অর্থনীতি এবং চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তায় সমর্থিত হওয়ায়, তারা প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত ন্যাটোর বিরুদ্ধে হামলা চালাতে পারে। ইউক্রেনে যুদ্ধের মানবিক ক্ষতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২২ সালের পূর্ণবিস্তারী আক্রমণের পর থেকে এক মিলিয়নের বেশি রাশিয়ান সেনা নিহত হয়েছে, যা প্রমাণ করে প্রেসিডেন্ট পুতিন জীবন ত্যাগ করতে প্রস্তুত।
তিনি আরও বলেন,'চীন রাশিয়ার জীবনরেখা। চীনের সহায়তা ছাড়া রাশিয়া এই যুদ্ধ চালাতে পারত না। রাশিয়ান ড্রোন এবং অন্যান্য যন্ত্রে ব্যবহৃত প্রায় ৮০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক উপাদান চীনে তৈরি। তাই কিয়েভ বা খারকিভে যখন অসহায় নাগরিক নিহত হচ্ছে, তখন সেই হত্যার পেছনে চীনের প্রযুক্তিও জড়িত।'
রুটে বক্তৃতা শেষ করেন এই সতর্কবার্তা দিয়ে যে, ইউরোপের অলস হওয়ার সুযোগ নেই; রাশিয়ার বাড়তে থাকা হুমকি মোকাবিলার জন্য জরুরি প্রস্তুতি নিতে হবে।

ট্রাম্পের প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স ফ্রেডরিক নিয়েলসেন। তিনি বলেছেন, ‘লাগবে না, ধন্যবাদ— গ্রিনল্যান্ডে নাগরিকদের জন্য ইতোমধ্যে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা রয়েছে।’
১ দিন আগে
গত দুই বছর ধরে কিশতওয়ার এলাকায় সক্রিয় থাকা সাইফুল্লাহ অন্তত ২০ বার অভিযানের মুখে নিরাপত্তা বাহিনীর চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল পাঁচ লাখ টাকা। এবার নিরাপত্তা বাহিনীর ২১ বারের চেষ্টায় তিনি এনকাউন্টারে নিহত হলেন।
১ দিন আগে
পাম বিচে অবস্থিত বাসভবনটি মূলত ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্র। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন ওই শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি সেখানকার ফটকের আশপাশে সন্দেহজনভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। তাকে থামিয়ে তল্লাশি করা হলে তার হাতে একটি শটগান ও জ্বালানির ক্যান পাওয়া যায়।
২ দিন আগে