
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারত শাসিত কাশ্মিরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর একদল বন্দুকধারীর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৬ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাশ্মিরের অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁওয়ের বাইসারান এলাকায় ঘটে এ ঘটনা। ওই এলাকাটি ভারতের সুইজারল্যান্ড হিসেবে পরিচিত। কোনো গোষ্ঠী এখন পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করেনি।
প্রায় এক বছরের মধ্যে কাশ্মির অঞ্চলে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা। এর আগে গত বছরের জুনে জঙ্গি হামলায় হিন্দু পূণ্যার্থীদের একটি বাস খাদে পড়ে যায়। সেই হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত ও ৩৩ জন আহত হন।
বিবিসি ও ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের সরকার এখনো নিহতের সংখ্যা জানিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।
কাশ্মীরে এখন ভরা পর্যটক মরসুম চলছে। ওই পর্যটকদের মধ্যেই ছিলেন গুজরাতের এক বাসিন্দা। তিনি জানিয়েছেন, আচমকা হামলা চালানো হলে সবাই দৌড়োদৌড়ি শুরু করেন। চারদিকে কান্না আর চিৎকার শোনা যাচ্ছিল।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, বেশ কয়েকজন পর্যটক ট্রেকিং করার সময় তাদের ওপর হামলা হয়। পর্যটকদের ভিড়ে মিশে ছিল হামলাকারীরা। গুলির ঘটনার পরই সেনা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, আহতদের তিনজন স্থানীয় ও তিনজন রাজস্থানের। সম্প্রতি কয়েকবছরে কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনা খুব একটা দেখা যায়নি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে পর্যটকদের তোলা কিছু ভিডিও দেখানো হচ্ছে। এসব ভিডিওতেই দেখা গেছে, হামলার জায়গায় ভারতীয় সেনা সদস্যরা দৌড়িয়ে যাচ্ছে। আবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সম্প্রচারিত আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বন্দুকধারীরা অমুসলিমদের আলাদা করে চিহ্নিত করছিল।
হামলার পরেই পহেলগাঁও এলাকায় সেনাবাহিনী অভিযান শুরু করেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শ্রীনগর রওয়ানা হয়েছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পর্যটকদের সহায়তা করার জন্য একটি বিশেষ হেল্পলাইন খুলেছে প্রশাসন।
এদিকে ভারতের রাজনৈতিক নেতারা এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক বার্তায় লিখেছেন, এ জঘন্য ঘটনার পেছনে যারা রয়েছে, তাদের কঠিন শাস্তি হবে। তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
জম্মু-কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, আমি স্তব্ধ। নিহতদের সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত নয় বলে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখন দিতে পারছি না। পরিস্থিতি স্পষ্ট হলে সরকারিভাবে সংখ্যা জানানো হবে। এটি বলার অপেক্ষা রাখে না যে বেসামরিক নাগরিকদের ওপরে সাম্প্রতিক সময়ে এটিই সবচেয়ে বড় হামলা।
বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী লিখেছেন, জম্মু-কাশ্মিরের পহেলগাঁওয়ে কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলায় পর্যটকদের মৃত্যু এবং আরও অনেকের আহত হওয়ার খবর অত্যন্ত নিন্দনীয় ও হৃদয়বিদারক।

ভারত শাসিত কাশ্মিরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর একদল বন্দুকধারীর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৬ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাশ্মিরের অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁওয়ের বাইসারান এলাকায় ঘটে এ ঘটনা। ওই এলাকাটি ভারতের সুইজারল্যান্ড হিসেবে পরিচিত। কোনো গোষ্ঠী এখন পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করেনি।
প্রায় এক বছরের মধ্যে কাশ্মির অঞ্চলে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা। এর আগে গত বছরের জুনে জঙ্গি হামলায় হিন্দু পূণ্যার্থীদের একটি বাস খাদে পড়ে যায়। সেই হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত ও ৩৩ জন আহত হন।
বিবিসি ও ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের সরকার এখনো নিহতের সংখ্যা জানিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।
কাশ্মীরে এখন ভরা পর্যটক মরসুম চলছে। ওই পর্যটকদের মধ্যেই ছিলেন গুজরাতের এক বাসিন্দা। তিনি জানিয়েছেন, আচমকা হামলা চালানো হলে সবাই দৌড়োদৌড়ি শুরু করেন। চারদিকে কান্না আর চিৎকার শোনা যাচ্ছিল।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, বেশ কয়েকজন পর্যটক ট্রেকিং করার সময় তাদের ওপর হামলা হয়। পর্যটকদের ভিড়ে মিশে ছিল হামলাকারীরা। গুলির ঘটনার পরই সেনা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, আহতদের তিনজন স্থানীয় ও তিনজন রাজস্থানের। সম্প্রতি কয়েকবছরে কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনা খুব একটা দেখা যায়নি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে পর্যটকদের তোলা কিছু ভিডিও দেখানো হচ্ছে। এসব ভিডিওতেই দেখা গেছে, হামলার জায়গায় ভারতীয় সেনা সদস্যরা দৌড়িয়ে যাচ্ছে। আবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সম্প্রচারিত আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বন্দুকধারীরা অমুসলিমদের আলাদা করে চিহ্নিত করছিল।
হামলার পরেই পহেলগাঁও এলাকায় সেনাবাহিনী অভিযান শুরু করেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শ্রীনগর রওয়ানা হয়েছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পর্যটকদের সহায়তা করার জন্য একটি বিশেষ হেল্পলাইন খুলেছে প্রশাসন।
এদিকে ভারতের রাজনৈতিক নেতারা এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক বার্তায় লিখেছেন, এ জঘন্য ঘটনার পেছনে যারা রয়েছে, তাদের কঠিন শাস্তি হবে। তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
জম্মু-কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, আমি স্তব্ধ। নিহতদের সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত নয় বলে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখন দিতে পারছি না। পরিস্থিতি স্পষ্ট হলে সরকারিভাবে সংখ্যা জানানো হবে। এটি বলার অপেক্ষা রাখে না যে বেসামরিক নাগরিকদের ওপরে সাম্প্রতিক সময়ে এটিই সবচেয়ে বড় হামলা।
বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী লিখেছেন, জম্মু-কাশ্মিরের পহেলগাঁওয়ে কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলায় পর্যটকদের মৃত্যু এবং আরও অনেকের আহত হওয়ার খবর অত্যন্ত নিন্দনীয় ও হৃদয়বিদারক।

নেপালে হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক ভূমিধস ও বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ দুর্যোগে এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৭৮ জন ভারতীয় নাগরিক।
৭ ঘণ্টা আগে
বিবিসি ও রয়টার্সের খবরে নেপালের পর্যটন কর্মকর্তা ও পুলিশের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, নেপাল ও তিব্বতে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮০০ জনের বেশি বিদেশি পর্যটক।
১১ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট চার আসনের প্রশিক্ষণ বিমানটি কানপুরের গার্গ এভিয়েশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উড্ডয়ন করে। প্রায় ২০ মিনিট পর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ফেরার সময় সকাল ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
১১ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) হিমালয়ান টাইমসের খবরে বলা হয়, বুধবার রাজধানী কাঠমান্ডুর সিংহ দরবারে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে বন্যা ও ভূমিধসে নিহতদের প্রতি শোক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।
১১ ঘণ্টা আগে