নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত-পাকিস্তান সেনাদের গোলাগুলি

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
ফাইল ছবি

কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর বিভিন্ন স্থানে দ্বিতীয়বারের মতো ভারত ও পাকিস্তান সেনাদের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। ভারতের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ করা হয়। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের পক্ষ থেকে নতুন গুলি বিনিময় নিয়ে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলা হয়, শুক্রবার রাতে কাশ্মীরের একাধিক স্থানে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ‘অযৌক্তিকভাবে’ গুলি ছোড়ে ভারতীয় পোস্টগুলোর দিকে। এর পাল্টা জবাব দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। তবে এখন পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ভারতের সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সীমান্তে সতর্কতা যাচাই করতেই পাকিস্তান এমন আচরণ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে সামগ্রিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। কারণ কয়েক দিন আগেই জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগাঁওয়ে হামলার ঘটনায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হয়।

এ ঘটনার পর ভারত সরকার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে। যার মধ্যে সিন্ধু পানিচুক্তি বাতিল, এমনকি পাকিস্তান এক ফোঁটা পানিও পাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কূটনৈতিক সম্পর্ক হ্রাস, ভিসা পরিষেবা বন্ধ ও দুই দেশের পর্যটকদের দ্রুত ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ দিকে পাকিস্তানও পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ‘সমস্ত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বাতিল’ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক সিমলা চুক্তি। বন্ধ করে দিয়েছে জনপ্রিয় ওয়াঘা সীমান্ত। আকাশপথও বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান। এছাড়া আরও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। সূত্র: এনডিটিভি, রয়টার্স

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিক নিহত

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) জানিয়েছে, তারা এ হামলার তদন্ত করছে। সংস্থাটি বলেছে, সাংবাদিকরা কোনো অবস্থাতেই বৈধ লক্ষ্যবস্তু নয়, তারা যে প্রতিষ্ঠানের জন্যই কাজ করুক না কেন।

১৪ ঘণ্টা আগে

ইসরায়েলে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

যদি হুথিরা লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তে থাকা বাব আল-মান্দাব প্রণালী দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তাহলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য আরেকটি বড় আঘাত হবে।

১৬ ঘণ্টা আগে

ইরানে বড় ধরনের স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

স্থল হামলার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে খার্গ দ্বীপকে বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ। যেখান থেকে ইরান তাদের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করে। হরমুজ দিয়ে যেন নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল করতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে এই দ্বীপটি টার্গেট করা হতে পারে।

১৬ ঘণ্টা আগে

জ্বালানি তেলের বাড়তি দাম যেভাবে মোকাবিলা করছে বিভিন্ন দেশ

নাইজেরিয়া বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও তাদের কোনো সরকার–মালিকানাধীন রিফাইনারিই চালু নেই।

১৭ ঘণ্টা আগে