
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী করাচির অন্যতম ব্যস্ত শপিং মল ‘গুল প্লাজা’য় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬১ জনে দাঁড়িয়েছে। গত বুধবার প্লাজার একটি দোকান থেকেই ৩০ জনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গত শনিবার শুরু হওয়া এই আগুনের ঘটনায় এখনও অন্তত ৪০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকা এবং জরুরি বহির্গমন পথগুলো বন্ধ রাখায় এই প্রাণহানির মাত্রা এত দীর্ঘ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
করাচির দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা গতকাল বুধবার এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “গুল প্লাজার দ্বিতীয় তলায় দুবাই ক্রোকারিজ নামের একটি দোকান থেকে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ জনের নাম-পরিচয় জানা গেছে। বাকিদের পরিচয় উদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এই ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধারের মাধ্যমে গুল প্লাজায় মোট মৃতের সংখ্যা ৬১ জনে পৌঁছালো। এখনও এখনও ৪০ জনের বেশি নিখোঁজ আছেন বলেও উল্লেখ করেছেনতিন।
গত ১৭ জানুয়ারি শনিবার আগুন লাগে করাচির অন্যতম বড় শপিং কমপ্লেক্স গুল প্লাজায়। প্লাজার বেসমেন্টে প্রথম আগুন লাগে এবং তারপর অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে পুরো শপিং কমপ্লেক্সে ছড়িয়ে পড়ে তা। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সূত্রপাত হয়েছে আগুনের। সেই আগুনের মাত্রা এত বেশি ছিল যে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ২৪ ঘণ্টা সময় লেগেছে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে।
১৯৮০ সালে তৈরি হওয়া এই ৫ তলা শপিং কমপ্লেক্সটির আয়তন একটি ফুটবল মাঠের চেয়েও বড় এবং ১ হাজার ২ শতাধিক দোকান আছে এখানে। আগুনে এসব দোকানের অধিকাংশই ভস্মীভূত হয়েছে।
তবে হতাহত এবং নিখোঁজের সংখ্যা এত বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে গুল প্লাজা কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।
করাচি ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে জানিয়েছেন, গুল প্লাজায় মোট ফটক বা গেইটের সংখ্যা ২৬টি, কিন্তু চলাচলের জন্য ২টি বাদে বাকি সবগুলো গেইট সবসময় বন্ধ থাকতো। আগুন লাগার সময়েও ফটকগুলো আর খোলা হয়নি। ফলে শত শত মানুষ শপিং কম্পেক্সটিতে আটকা পড়েছিলেন। এছাড়া মার্কেটের অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রগুলোও নষ্ট ছিল বলে জানা গেছে।
বুধাবরের ব্রিফিংয়ে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা বলেন, “প্রাথমিক আনুসন্ধানে আমরা জানতে পেরেছি যে আগুন থেকে বাঁচার জন্য দোকানটির শাটার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পড়ে এটিই তাদের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নিহতদের মধ্যে দোকানের মালিক ও কর্মচারীরাও আছেন।”

পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী করাচির অন্যতম ব্যস্ত শপিং মল ‘গুল প্লাজা’য় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬১ জনে দাঁড়িয়েছে। গত বুধবার প্লাজার একটি দোকান থেকেই ৩০ জনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গত শনিবার শুরু হওয়া এই আগুনের ঘটনায় এখনও অন্তত ৪০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকা এবং জরুরি বহির্গমন পথগুলো বন্ধ রাখায় এই প্রাণহানির মাত্রা এত দীর্ঘ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
করাচির দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা গতকাল বুধবার এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “গুল প্লাজার দ্বিতীয় তলায় দুবাই ক্রোকারিজ নামের একটি দোকান থেকে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ জনের নাম-পরিচয় জানা গেছে। বাকিদের পরিচয় উদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এই ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধারের মাধ্যমে গুল প্লাজায় মোট মৃতের সংখ্যা ৬১ জনে পৌঁছালো। এখনও এখনও ৪০ জনের বেশি নিখোঁজ আছেন বলেও উল্লেখ করেছেনতিন।
গত ১৭ জানুয়ারি শনিবার আগুন লাগে করাচির অন্যতম বড় শপিং কমপ্লেক্স গুল প্লাজায়। প্লাজার বেসমেন্টে প্রথম আগুন লাগে এবং তারপর অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে পুরো শপিং কমপ্লেক্সে ছড়িয়ে পড়ে তা। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সূত্রপাত হয়েছে আগুনের। সেই আগুনের মাত্রা এত বেশি ছিল যে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ২৪ ঘণ্টা সময় লেগেছে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে।
১৯৮০ সালে তৈরি হওয়া এই ৫ তলা শপিং কমপ্লেক্সটির আয়তন একটি ফুটবল মাঠের চেয়েও বড় এবং ১ হাজার ২ শতাধিক দোকান আছে এখানে। আগুনে এসব দোকানের অধিকাংশই ভস্মীভূত হয়েছে।
তবে হতাহত এবং নিখোঁজের সংখ্যা এত বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে গুল প্লাজা কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।
করাচি ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে জানিয়েছেন, গুল প্লাজায় মোট ফটক বা গেইটের সংখ্যা ২৬টি, কিন্তু চলাচলের জন্য ২টি বাদে বাকি সবগুলো গেইট সবসময় বন্ধ থাকতো। আগুন লাগার সময়েও ফটকগুলো আর খোলা হয়নি। ফলে শত শত মানুষ শপিং কম্পেক্সটিতে আটকা পড়েছিলেন। এছাড়া মার্কেটের অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রগুলোও নষ্ট ছিল বলে জানা গেছে।
বুধাবরের ব্রিফিংয়ে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা বলেন, “প্রাথমিক আনুসন্ধানে আমরা জানতে পেরেছি যে আগুন থেকে বাঁচার জন্য দোকানটির শাটার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পড়ে এটিই তাদের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নিহতদের মধ্যে দোকানের মালিক ও কর্মচারীরাও আছেন।”

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কয়েকদিনের আলোচনার পর ওয়াশিংটনে একটি কাঠামোগত (ফ্রেমওয়ার্ক) চুক্তিতে সই করেছে ইসরায়েল ও লেবানন। তবে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এই চুক্তির কোনো পক্ষ নয়। ফলে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘর্ষ বন্ধ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই গেছ
১৫ ঘণ্টা আগে
গাজা যুদ্ধে নিজের এক ছেলেকে হারানো এবং শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ‘অসম মাত্রার শক্তি’ প্রয়োগের ‘দাহিয়াহ নীতি’র প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত এই সাবেক সেনাপ্রধান সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছেন। নির্বাচনে তাকে নেতানিয়াহুর জন্য শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বিবেচনা করা হচ্ছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
গত বুধবার ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শুক্রবার ভেনেজুয়েলার উত্তর উপকূলের কাছে অনুভূত এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৯।
১৭ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তীব্র এই কম্পনে এখনো পর্যন্ত কোনো ধরনের প্রাণহানি বা বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ঝাঁকুনি তীব্র হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তাঁরা দ্রুত ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন।
১৭ ঘণ্টা আগে