
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম কঠিন ও রক্তক্ষয়ী সময় পার করছে। সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভের রেশ কাটতে না কাটতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক ধরপাকড়। নতুন কোনো গণঅভ্যুত্থান রুখতে হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করে অস্থায়ী বন্দিশালায় রাখা হচ্ছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে।
রয়টার্স ইরানের অভ্যন্তরে থাকা পাঁচ মানবাধিকার কর্মীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী দেশজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে তল্লাশি চৌকি বসিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের অনেককেই পরিচয় গোপন রাখা ‘সেফ হাউস’ বা গোপন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আইনজীবী, চিকিৎসক এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গ্রেপ্তারকৃতদের সংখ্যা এতই বেশি যে নিয়মিত কারাগারগুলোতে জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুজন ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন, অনেক বন্দিকে গুদামঘর বা বিভিন্ন অস্থায়ী বন্দিশালায় রাখা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশটির বিচার বিভাগকে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে আটককৃতদের মামলাগুলো প্রক্রিয়া করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে নতুন কোনো গণঅভ্যুত্থান ঠেকানোই এই ব্যাপক অভিযানের মূল লক্ষ্য বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম কঠিন ও রক্তক্ষয়ী সময় পার করছে। সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভের রেশ কাটতে না কাটতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক ধরপাকড়। নতুন কোনো গণঅভ্যুত্থান রুখতে হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করে অস্থায়ী বন্দিশালায় রাখা হচ্ছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে।
রয়টার্স ইরানের অভ্যন্তরে থাকা পাঁচ মানবাধিকার কর্মীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী দেশজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে তল্লাশি চৌকি বসিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের অনেককেই পরিচয় গোপন রাখা ‘সেফ হাউস’ বা গোপন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আইনজীবী, চিকিৎসক এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গ্রেপ্তারকৃতদের সংখ্যা এতই বেশি যে নিয়মিত কারাগারগুলোতে জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুজন ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন, অনেক বন্দিকে গুদামঘর বা বিভিন্ন অস্থায়ী বন্দিশালায় রাখা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশটির বিচার বিভাগকে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে আটককৃতদের মামলাগুলো প্রক্রিয়া করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে নতুন কোনো গণঅভ্যুত্থান ঠেকানোই এই ব্যাপক অভিযানের মূল লক্ষ্য বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ইরান এমন কিছু শর্তে অনড় অবস্থান নিয়েছে, যেগুলোকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আবর্জনা’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি এখন ‘মারাত্মক সংকটাপন্ন অবস্থায়’ রয়েছে। এতে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির আশা কার্যত আরও ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
একইসঙ্গে ইরান, গাজা ও লেবাননের সঙ্গে চলমান বহুমুখী যুদ্ধের জন্য সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করে তেল আবিবে বড় ধরনের বিক্ষোভ করেছে সাধারণ ইসরায়েলিরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকতে নেতানিয়াহু প্রশাসন দেশকে ভুল পথে পরিচালিত করছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সোমবার এক বার্তায় ডেমোক্র্যাট এই নেতা সাফ জানিয়ে দেন, এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো যুদ্ধ শেষ করা। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, রিপাবলিকানরা যদি এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে ট্রাম্পের এই যুদ্ধের দায়ভার তাদেরই বহন করতে হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
এবারের নিষেধাজ্ঞায় ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তেহরান বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অর্থায়ন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। মূলত ইরানকে তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সন্ত্রাসী মিত্রগোষ্ঠীর অর্থায়ন থেকে বিচ্ছিন্ন করতেই যুক্তরাষ্ট্র
৯ ঘণ্টা আগে