
বিবিসি বাংলা

শ্রীলঙ্কার জলসীমায় বিপদগ্রস্ত ইরানি জাহাজ ‘আইআরআইএস বুশেহর’-এর ২০৮ জন ক্রুকে উদ্ধার করে তীরে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী।
শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে জানান, আইআরআইএস বুশেহর নামের একটি ইরানি জাহাজ কলম্বো বন্দরের কাছে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন এলাকায় নোঙর করা রয়েছে।
তিনি জানান, জাহাজটি শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি চেয়েছে এবং জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করে তীরে আনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শ্রীলঙ্কায় ইরানি দূতাবাস ও শ্রীলঙ্কা সরকারের মধ্যে আলোচনার পর ক্রুদের উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট জাহাজের অধিনায়ক।
বার্তায় তিনি বলেন, “সেই অনুযায়ী আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজগুলো ওই জাহাজের কাছে পৌঁছেছে এবং ক্রুদের উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে। আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তাতে ২০৮ জন ক্রুকে তীরে আনার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে”।
“এর মধ্যে ৫৩ জন কর্মকর্তা, ৮৪ জন ক্যাডেট, ৪৮ জন সিনিয়র নাবিক এবং ২৩ জন নাবিক রয়েছেন”।
“আমরা এখন ওই ২০৮ জনকে জাহাজ থেকে আমাদের নৌযানে নিয়ে এসে কলম্বো বন্দরে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি”।
“এরপর ওই জাহাজের ক্রু ও আমাদের নাবিকদের ত্রিনকমালি বন্দরের এলাকায় নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে,” তিনি যোগ করেন।
প্রসঙ্গত, গত চৌঠা মার্চ শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে ইরানের জাহাজ আইআরআইএস দেনা হামলার শিকার হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে তারা সাবিমেরিন টর্পেডো দিয়ে আঘাত করে ইরানি জাহাজটি ডুবিয়ে দেয়।
জাহাজ থেকে সাহায্যের আবেদন জানানোর পর ৩২ জনকে উদ্ধার করে শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী।তাদের চিকিৎসার জন্য গালে জাতীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ জানান যে জাহাজে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ছিলেন এবং পরে নিখোঁজ ৮৪ জনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। মৃতদেহগুলো গালে জাতীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

শ্রীলঙ্কার জলসীমায় বিপদগ্রস্ত ইরানি জাহাজ ‘আইআরআইএস বুশেহর’-এর ২০৮ জন ক্রুকে উদ্ধার করে তীরে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী।
শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে জানান, আইআরআইএস বুশেহর নামের একটি ইরানি জাহাজ কলম্বো বন্দরের কাছে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন এলাকায় নোঙর করা রয়েছে।
তিনি জানান, জাহাজটি শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি চেয়েছে এবং জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করে তীরে আনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শ্রীলঙ্কায় ইরানি দূতাবাস ও শ্রীলঙ্কা সরকারের মধ্যে আলোচনার পর ক্রুদের উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট জাহাজের অধিনায়ক।
বার্তায় তিনি বলেন, “সেই অনুযায়ী আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজগুলো ওই জাহাজের কাছে পৌঁছেছে এবং ক্রুদের উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে। আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তাতে ২০৮ জন ক্রুকে তীরে আনার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে”।
“এর মধ্যে ৫৩ জন কর্মকর্তা, ৮৪ জন ক্যাডেট, ৪৮ জন সিনিয়র নাবিক এবং ২৩ জন নাবিক রয়েছেন”।
“আমরা এখন ওই ২০৮ জনকে জাহাজ থেকে আমাদের নৌযানে নিয়ে এসে কলম্বো বন্দরে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি”।
“এরপর ওই জাহাজের ক্রু ও আমাদের নাবিকদের ত্রিনকমালি বন্দরের এলাকায় নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে,” তিনি যোগ করেন।
প্রসঙ্গত, গত চৌঠা মার্চ শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে ইরানের জাহাজ আইআরআইএস দেনা হামলার শিকার হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে তারা সাবিমেরিন টর্পেডো দিয়ে আঘাত করে ইরানি জাহাজটি ডুবিয়ে দেয়।
জাহাজ থেকে সাহায্যের আবেদন জানানোর পর ৩২ জনকে উদ্ধার করে শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী।তাদের চিকিৎসার জন্য গালে জাতীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ জানান যে জাহাজে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ছিলেন এবং পরে নিখোঁজ ৮৪ জনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। মৃতদেহগুলো গালে জাতীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

কুয়ালালামপুরে তিনি যে বাংলাদেশি মালিকের প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন, তারাও হন্যে হয়ে চেষ্টা করছেন কুয়ালালামপুর কিংবা বাংলাদেশের কোথাও তার কোনো স্বজনকে খুঁজে পাওয়া যায় কি না। তাতেও লাভ হয়নি। ফলে মৃত্যুর ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও হাসপাতালের হিমঘর থেকে মুক্তি মিলছে না দীন মোহাম্মদের।
১ দিন আগে
বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনো ইরানকে হুমকি দেওয়া চলবে না। ইরান ও অঞ্চলটিতে তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে ওয়াশিংটনকে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়া, যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতির
২ দিন আগে
দাবানল নিয়ন্ত্রণ অভিযানের উপ-প্রধান টাইলার হেক্ট জানান, দুর্ঘটনার পর কর্মীরা কিছু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। পরবর্তীতে পুনরায় কাজ শুরু হয়। তিনি বলেন, “এই দুর্ঘটনা আমাদের কাজের পদ্ধতি বদলে দেবে না। আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাব এবং মাটিতে থাকা দমকলকর্মীদের সহায়তায় বিমান
২ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মেয়র এদুয়ার্দো নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তিনি ব্রাজিলের ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সির (এএনএসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আকাশে চলাচলকারী সকল হেলিকপ্টারের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত কর
২ দিন আগে