
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় কালাব্রিয়া অঞ্চলের উপকূলে আঘাত হেনেছে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। সোমবার (১ জুন) গভীর রাতে অর্থাৎ মঙ্গলবার ভোরের দিকে তীব্র এই কম্পনে ঘুম ভেঙে যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠের প্রায় ২৪৭ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্পটির প্রাথমিক তীব্রতা ছিল হালকা। গভীরতা বেশি থাকায় কালাব্রিয়ার কোসেনজা শহরসহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ২৪৭ কিলোমিটার (১৫৩ মাইল) গভীরে। এটি কালাব্রিয়া অঞ্চলের কোসেনজা শহর থেকে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার (২৩ মাইল) দূরে আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনও হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে ফক্স ওয়েদারের প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরের দিকে দক্ষিণ ইতালির বাসিন্দারা এই ভূমিকম্পের কম্পন অনুভব করেন।
ইউএসজিএস জানায়, ইতালির সারাসেনা শহরের প্রায় ১০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে স্থানীয় সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ১২টা ১২ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১৫৩ মাইলের বেশি এবং এটি কালাব্রিয়ার কোসেনজা শহর থেকে প্রায় ২৩ মাইল দূরে ছিল।
ইউএসজিএসের তথ্যমতে, মডিফায়েড মারকেলি ইনটেনসিটি স্কেলে ভূমিকম্পটির প্রাথমিক তীব্রতা ছিল ৪ মাত্রার। এই মাত্রার কম্পনকে তুলনামূলকভাবে হালকা ধরা হলেও ঘরের ভেতরে থাকা অনেক মানুষ তা অনুভব করতে পারেন এবং ঘুমন্ত অনেক মানুষের ঘুম ভেঙে যেতে পারে।
রাজনীতি/এসআর

ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় কালাব্রিয়া অঞ্চলের উপকূলে আঘাত হেনেছে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। সোমবার (১ জুন) গভীর রাতে অর্থাৎ মঙ্গলবার ভোরের দিকে তীব্র এই কম্পনে ঘুম ভেঙে যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠের প্রায় ২৪৭ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্পটির প্রাথমিক তীব্রতা ছিল হালকা। গভীরতা বেশি থাকায় কালাব্রিয়ার কোসেনজা শহরসহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ২৪৭ কিলোমিটার (১৫৩ মাইল) গভীরে। এটি কালাব্রিয়া অঞ্চলের কোসেনজা শহর থেকে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার (২৩ মাইল) দূরে আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনও হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে ফক্স ওয়েদারের প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরের দিকে দক্ষিণ ইতালির বাসিন্দারা এই ভূমিকম্পের কম্পন অনুভব করেন।
ইউএসজিএস জানায়, ইতালির সারাসেনা শহরের প্রায় ১০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে স্থানীয় সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ১২টা ১২ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১৫৩ মাইলের বেশি এবং এটি কালাব্রিয়ার কোসেনজা শহর থেকে প্রায় ২৩ মাইল দূরে ছিল।
ইউএসজিএসের তথ্যমতে, মডিফায়েড মারকেলি ইনটেনসিটি স্কেলে ভূমিকম্পটির প্রাথমিক তীব্রতা ছিল ৪ মাত্রার। এই মাত্রার কম্পনকে তুলনামূলকভাবে হালকা ধরা হলেও ঘরের ভেতরে থাকা অনেক মানুষ তা অনুভব করতে পারেন এবং ঘুমন্ত অনেক মানুষের ঘুম ভেঙে যেতে পারে।
রাজনীতি/এসআর

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, শনিবারের এই হামলায় ইরানের সামরিক নজরদারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ ড্রোন সংরক্ষণাগার ধ্বংস করা হয়েছে। এদিকে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান আচরণ না শুধরালে দেশটিকে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হবে।
১ দিন আগে
সরকারি উদ্ধারকারী দলের তীব্র সংকটের কারণে দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে খালি হাতেই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজে লড়াই চালাচ্ছেন। এদিকে, মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো সতর্ক করে জানিয়েছে যে, ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ '৭২ ঘণ্টার সময়সীমা' দ্রুতই শেষ হয়ে আসছে।
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার ফল যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই জয়ী হবে— এমন দাবি করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তার ভাষায়, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দেশটি আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে চূড়ান্ত চুক্তি হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জয়, আর চুক্তি না হ
১ দিন আগে
ইউরোপ জুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ আরও বিস্তৃত হয়ে এবার জার্মানি ও ইতালিকে গ্রাস করেছে। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। একই সঙ্গে ডেনমার্ক, স্লোভাকিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানিতে একের পর এক তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর
১ দিন আগে