
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে ভেনেজুয়েলা সরকার বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ৮৮ জন ভিন্নমতাবলম্বীকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিকোলাস মাদুরোর জয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তারা এতদিন আটক ছিলেন।
ওই নির্বাচনে বিরোধী দল নিরঙ্কুশ জয়ের দাবি করলেও মাদুরো নিজেকে তৃতীয় মেয়াদে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এর পরপরই দেশজুড়ে ব্যাপক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ ও সহিংসতায় অন্তত ২৮ জন নিহত হন।
এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অপ্রাপ্তবয়স্কসহ প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করে কর্তৃপক্ষ। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ২ হাজারেরও বেশি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
দেশটি কারা মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার মুক্তি পাওয়া ৮৮ জন ‘চরমপন্থি গোষ্ঠীর সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার’ অভিযোগে কারাবন্দি ছিলেন। এর আগে দুটি মানবাধিকার সংগঠনও অন্তত ৮৭ জন বন্দির মুক্তির খবর নিশ্চিত করে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষাপটে এটি এক সপ্তাহের মধ্যে মাদুরো প্রশাসনের দ্বিতীয় বড় মুক্তির পদক্ষেপ। এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর ‘শান্তি, সংলাপ ও ন্যায়বিচারের’ প্রতি রাষ্ট্রের অঙ্গীকার হিসেবে ৯৯ জন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছিল সরকার।
ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক অভিযানের হুমকির মুখে পড়ে সাম্প্রতিক সময়ে মাদুরো কিছুটা নমনীয় অবস্থান নিচ্ছেন। ট্রাম্প সরাসরি মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ এনেছেন।
গত আগস্ট থেকে ভেনেজুয়েলার ওপর চাপ আরও বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র। ক্যারিবীয় সাগরে বড় নৌবহর মোতায়েন, মাদকবাহী সন্দেহে বিভিন্ন নৌযানে হামলা, তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ এবং ভেনেজুয়েলার আকাশসীমা বন্ধের নির্দেশ দেন ট্রাম্প।
গত সপ্তাহে ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছাড়াই মাদুরোর জন্য ‘বুদ্ধিমানের কাজ’ হবে। এ সপ্তাহে মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার একটি ডকিং এলাকায় হামলা চালিয়েছে বলে জানান তিনি, যা চলমান অভিযানের প্রথম স্থলভিত্তিক হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে ভেনেজুয়েলা সরকারের অভিযোগ, দেশটির বিপুল তেল সম্পদ দখলের লক্ষ্যেই যুক্তরাষ্ট্র বামপন্থি মাদুরো সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে ভেনেজুয়েলা সরকার বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ৮৮ জন ভিন্নমতাবলম্বীকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিকোলাস মাদুরোর জয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তারা এতদিন আটক ছিলেন।
ওই নির্বাচনে বিরোধী দল নিরঙ্কুশ জয়ের দাবি করলেও মাদুরো নিজেকে তৃতীয় মেয়াদে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এর পরপরই দেশজুড়ে ব্যাপক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ ও সহিংসতায় অন্তত ২৮ জন নিহত হন।
এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অপ্রাপ্তবয়স্কসহ প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করে কর্তৃপক্ষ। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ২ হাজারেরও বেশি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
দেশটি কারা মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার মুক্তি পাওয়া ৮৮ জন ‘চরমপন্থি গোষ্ঠীর সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার’ অভিযোগে কারাবন্দি ছিলেন। এর আগে দুটি মানবাধিকার সংগঠনও অন্তত ৮৭ জন বন্দির মুক্তির খবর নিশ্চিত করে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষাপটে এটি এক সপ্তাহের মধ্যে মাদুরো প্রশাসনের দ্বিতীয় বড় মুক্তির পদক্ষেপ। এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর ‘শান্তি, সংলাপ ও ন্যায়বিচারের’ প্রতি রাষ্ট্রের অঙ্গীকার হিসেবে ৯৯ জন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছিল সরকার।
ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক অভিযানের হুমকির মুখে পড়ে সাম্প্রতিক সময়ে মাদুরো কিছুটা নমনীয় অবস্থান নিচ্ছেন। ট্রাম্প সরাসরি মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ এনেছেন।
গত আগস্ট থেকে ভেনেজুয়েলার ওপর চাপ আরও বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র। ক্যারিবীয় সাগরে বড় নৌবহর মোতায়েন, মাদকবাহী সন্দেহে বিভিন্ন নৌযানে হামলা, তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ এবং ভেনেজুয়েলার আকাশসীমা বন্ধের নির্দেশ দেন ট্রাম্প।
গত সপ্তাহে ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছাড়াই মাদুরোর জন্য ‘বুদ্ধিমানের কাজ’ হবে। এ সপ্তাহে মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার একটি ডকিং এলাকায় হামলা চালিয়েছে বলে জানান তিনি, যা চলমান অভিযানের প্রথম স্থলভিত্তিক হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে ভেনেজুয়েলা সরকারের অভিযোগ, দেশটির বিপুল তেল সম্পদ দখলের লক্ষ্যেই যুক্তরাষ্ট্র বামপন্থি মাদুরো সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করছে।

টানা গোলাবারুদ ব্যবহারের ফলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিজস্ব কৌশলগত অস্ত্রভাণ্ডারে বড় ধরণের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে চাহিদামতো দ্রুত নতুন অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের মতো শিল্প-সক্ষমতাও এই মুহূর্তে মার্কিন ডিফেন্স সেক্টরের নেই। ফলে একদিকে অর্থনৈতিক ক্ষতি আর অন্যদিকে নতুন অস্ত্র সরবরাহের সীমাবদ্ধতা—স
১১ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগরের দক্ষিণাংশে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আরও দুটি দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। ‘গ্রেটার হানিশ’ ও ‘লেসার হানিশ’ নামের এই দুটি দ্বীপ দখলের মধ্য দিয়ে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথে নিজেদের অবস্থান ও নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করল ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি।
১ দিন আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমরা ইরান থেকে বেরিয়ে আসব, যদি না আমরা সেখানে থেকে যাওয়ার এবং ভেনেজুয়েলার মতো তেল নিজেদের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত নিই।’ তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্র যে রাজস্ব পাচ্ছে, তা দিয়ে ‘অনেকবার যুদ্ধের খরচ’ মেটানো হয়ে গেছে।
১ দিন আগে
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবে হুতিদের হামলা, সপ্তাহান্তে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং উপসাগরে জাহাজে হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
১ দিন আগে