
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে হাজারো ফিলিস্তিনি মুসলিম আজ সকালে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিলিস্তিনিরা সুশৃঙ্খলভাবে নামাজে সমবেত হন। এবং নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বহু শিশুও এই ধর্মীয় সমাবেশে অংশ নেয়।
ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনিদের জন্য কেবল একটি ধর্মীয় স্থানই নয়, এটি তাদের রাজনৈতিক ও জাতীয় পরিচয়েরও এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
ঈদুল আজহার দিনে এখানে নামাজ আদায় করা ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ আচার।
এদিকে, গাজায় চলমান যুদ্ধের মধ্যে উপত্যকাটির বাসিন্দারা টানা দ্বিতীয়বারের মতো ঈদুল আজহা পালন করছেন চরম মানবিক সংকট, অনিশ্চয়তা ও গভীর বেদনার মধ্য দিয়ে।
ইসরায়েলের অব্যাহত ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই তারা এই ঈদ উদযাপন করছেন।
আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে কিছু যুবক ও শিশুকে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে।
এছাড়াও গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আহত কিছু ফিলিস্তিনি কাতারের রাজধানী দোহায় ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।
ফিলিস্তিনি চিত্র সাংবাদিক বিলাল খালেদের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দোহার আল-থুমামা কমপ্লেক্সে কয়েক ডজন শিশুকে ঈদের নামাজ পড়তে দেখা যায়।
এদিকে, ঈদুল আজহার দিনেও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে। আল জাজিরা জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে এক শিশু নিহত হয়েছে।
আজ সকালে খান ইউনিসের পাশাপাশি মধ্য গাজার নুসাইরাতের শরণার্থী শিবিরেও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। এছাড়া, গাজা শহরের পূর্বে অবস্থিত তুফাহ পাড়ায়ও হামলা চালানো হয়েছে, যাতে অনেকে হতাহত হয়েছেন।

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে হাজারো ফিলিস্তিনি মুসলিম আজ সকালে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিলিস্তিনিরা সুশৃঙ্খলভাবে নামাজে সমবেত হন। এবং নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বহু শিশুও এই ধর্মীয় সমাবেশে অংশ নেয়।
ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনিদের জন্য কেবল একটি ধর্মীয় স্থানই নয়, এটি তাদের রাজনৈতিক ও জাতীয় পরিচয়েরও এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
ঈদুল আজহার দিনে এখানে নামাজ আদায় করা ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ আচার।
এদিকে, গাজায় চলমান যুদ্ধের মধ্যে উপত্যকাটির বাসিন্দারা টানা দ্বিতীয়বারের মতো ঈদুল আজহা পালন করছেন চরম মানবিক সংকট, অনিশ্চয়তা ও গভীর বেদনার মধ্য দিয়ে।
ইসরায়েলের অব্যাহত ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই তারা এই ঈদ উদযাপন করছেন।
আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে কিছু যুবক ও শিশুকে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে।
এছাড়াও গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আহত কিছু ফিলিস্তিনি কাতারের রাজধানী দোহায় ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।
ফিলিস্তিনি চিত্র সাংবাদিক বিলাল খালেদের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দোহার আল-থুমামা কমপ্লেক্সে কয়েক ডজন শিশুকে ঈদের নামাজ পড়তে দেখা যায়।
এদিকে, ঈদুল আজহার দিনেও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে। আল জাজিরা জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে এক শিশু নিহত হয়েছে।
আজ সকালে খান ইউনিসের পাশাপাশি মধ্য গাজার নুসাইরাতের শরণার্থী শিবিরেও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। এছাড়া, গাজা শহরের পূর্বে অবস্থিত তুফাহ পাড়ায়ও হামলা চালানো হয়েছে, যাতে অনেকে হতাহত হয়েছেন।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, পুরনো ও ত্রুটিপূর্ণ সামরিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একটি ইরানি ঘাঁটিকে নিশানা করতে গিয়ে 'ভুলবশত' বিদ্যালয়টিতে আঘাত হানে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। এই তথ্য ফাঁসের পর বিশ্বজুড়ে তীব্র অস্বস্তিতে পড়েছে ট্রাম্প প্রশাসন, যদিও বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন বলে দাবি করছে পেন্টাগন।
১ দিন আগে
যৌথ বিবৃতিতে মন্ত্রীরা জানান, তারা ইসরায়েলের এই অবৈধ ও অযৌক্তিক পদক্ষেপের পাশাপাশি আল-আকসা মসজিদ বা আল-হারাম আল-শরিফে ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান উস্কানিমূলক আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন। তারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, অধিকৃত জেরুজালেম কিংবা এর ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলের কোনো
১ দিন আগে
ঘরবাড়ি ছাড়া লাখো শিশুর শিক্ষাজীবন ও নিরাপত্তা যখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে, তখন বিশ্বনেতাদের দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে ইউনিসেফ সতর্ক করেছে—এই সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ না হলে নিহতের মিছিল আরও দীর্ঘ হবে।
১ দিন আগে
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির সামরিক তদন্তকারীরা ধারণা করছেন এই হামলার পেছনে মার্কিন বাহিনীই দায়ী হতে পারে। তবে পেন্টাগন এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে।
১ দিন আগে