
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো খোলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, তেহরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে নিজেরাই আলোচনার পরিবেশ নষ্ট করছে।
রোববার (১৯ জুলাই) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মার্কো রুবিও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সবসময় কূটনৈতিক সমাধানের জন্য প্রস্তুত। আমরা ইরানের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও সেই চেষ্টা চালিয়ে যাব। আলোচনার সেই দরজা যদি উন্মুক্ত হয়, তবে আমরা অবশ্যই তা স্বাগত জানাব।’
তিনি উল্লেখ করেন, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধবিরতি আরও শক্তিশালী করা এবং হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা। কিন্তু ইরান ধারাবাহিকভাবে সেই শর্ত লঙ্ঘন করে চলেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তারা যদি সমঝোতার শর্তই ভঙ্গ করে, তবে সেই এমওইউ কার্যকর থাকতে পারে না। তারা একদিকে আলোচনার আগ্রহের কথা বলছে, অন্যদিকে জাহাজের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। এমনকি আজ রাতেও এমন হামলার ঘটনা ঘটেছে।’
ক্রমবর্ধমান এই সংঘাত থেকে কূটনৈতিকভাবে বেরিয়ে আসার কোনো পথ এখনো অবশিষ্ট আছে কিনা—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা কূটনীতির জন্য সবসময়ই প্রস্তুত। তবে তা বাস্তবসম্মত হতে হবে। এমন একটি চুক্তি হতে হবে, যা মেনে চলতে তারা নিজেরাও ইচ্ছুক।’
পরিশেষে সিএনএনের এক প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ‘কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যদি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়, তবে তার সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হবে ইরানকেই। আমি মনে করি না সেটি ইরানের জন্য ভালো হবে, কারণ তাদের অর্থনীতি ইতোমধ্যেই ভেঙে পড়েছে।’

ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো খোলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, তেহরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে নিজেরাই আলোচনার পরিবেশ নষ্ট করছে।
রোববার (১৯ জুলাই) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মার্কো রুবিও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সবসময় কূটনৈতিক সমাধানের জন্য প্রস্তুত। আমরা ইরানের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও সেই চেষ্টা চালিয়ে যাব। আলোচনার সেই দরজা যদি উন্মুক্ত হয়, তবে আমরা অবশ্যই তা স্বাগত জানাব।’
তিনি উল্লেখ করেন, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধবিরতি আরও শক্তিশালী করা এবং হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা। কিন্তু ইরান ধারাবাহিকভাবে সেই শর্ত লঙ্ঘন করে চলেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তারা যদি সমঝোতার শর্তই ভঙ্গ করে, তবে সেই এমওইউ কার্যকর থাকতে পারে না। তারা একদিকে আলোচনার আগ্রহের কথা বলছে, অন্যদিকে জাহাজের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। এমনকি আজ রাতেও এমন হামলার ঘটনা ঘটেছে।’
ক্রমবর্ধমান এই সংঘাত থেকে কূটনৈতিকভাবে বেরিয়ে আসার কোনো পথ এখনো অবশিষ্ট আছে কিনা—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা কূটনীতির জন্য সবসময়ই প্রস্তুত। তবে তা বাস্তবসম্মত হতে হবে। এমন একটি চুক্তি হতে হবে, যা মেনে চলতে তারা নিজেরাও ইচ্ছুক।’
পরিশেষে সিএনএনের এক প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ‘কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যদি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়, তবে তার সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হবে ইরানকেই। আমি মনে করি না সেটি ইরানের জন্য ভালো হবে, কারণ তাদের অর্থনীতি ইতোমধ্যেই ভেঙে পড়েছে।’

চার দিন ধরে চালানো ওই জরিপে অংশ নেওয়া মাত্র ৩৩ শতাংশ মানুষ হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের কার্যক্রমে অনুমোদন জানিয়েছেন। বিপরীতে ৬৪ শতাংশ তার কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চলতি মাসের শুরুতে শেষ হওয়া আগের জরিপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ছিল ৩৫ শতাংশ। এবার তা আরও কমে তার বর্তমান মেয়াদের যেকোনো সময়ের চেয়ে নিচে নে
১৬ ঘণ্টা আগে
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট পদে এটি ছিল হিচিলেমার সপ্তম প্রচেষ্টা। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাড়তি সুবিধা থাকায় তাঁর এই জয় অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল। অন্যদিকে, মুন্ডুবিলের জন্য এটি ছিল প্রেসিডেন্ট পদে প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুতর’ নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে দুই দেশের আলোচনা চালানোর নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা এখন ‘পুরোপুরি অর্থহীন’ হয়ে পড়েছে। এই সমঝোতার আওতায় তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ বিষয় সমাধানের আলোচনা করার কথা ছিল।
১৯ ঘণ্টা আগে
রোববার (১৬ আগস্ট) মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের নামের তালিকা মিয়ানমারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে বাংলাদেশে অবস্থানরত রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
১ দিন আগে