
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিরা আজ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা ও বিভিন্ন শহরে হামলা চালিয়েছে। এতে ৭০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত আরও বড় আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর জিজান তেল স্থাপনাসহ কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকজন আহত হন। আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় অগ্নিনির্বাপণ ও অন্যান্য জরুরি সেবা দল।
ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের চারটি শহরে চালানো হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন।

ইরানে চলমান ছয় মাসের সংঘাতের মধ্যে বিরতির পরপরই বিভিন্ন সময়ে নতুন করে হামলা-পালটা হামলা হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা, প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলার সক্ষমতা থামানো এবং আঞ্চলিক মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি ইরানের সমর্থন কমানোর লক্ষ্য নিয়ে হামলা শুরু করার পর থেকেই এই পরিস্থিতি চলছে।
ইরান গত সপ্তাহের শেষ দিকে উপসাগরীয় অঞ্চলের আশপাশে জাহাজে পালটাপালটি হামলার পর সতর্ক করে বলেছিল, উপসাগরজুড়ে জ্বালানি অবকাঠামো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস-সংশ্লিষ্ট স্বার্থও রয়েছে। এর পরই হুতিদের এই হামলা হলো।
ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ তেলের দাম
হুতিদের হামলার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ছয় সপ্তাহের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে গেছে।
অপরিশোধিত তেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একপর্যায়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৭ দশমিক ৯৩ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়, যা জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ। পরে দাম কিছুটা কমলেও বিকেলে ব্রেন্ট ছিল প্রায় ৯৭ ডলারে। যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটও ৯২ ডলারের ওপরে ছিল।
তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বগতির পেছনে শুধু আরামকোতে হামলা নয়, সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পালটাপালটি হামলাও বড় ভূমিকা রাখছে। যুক্তরাষ্ট্র তিনটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর পর ইরানও হরমুজ ও আশপাশের এলাকায় জাহাজ লক্ষ্য করে পালটা হামলা চালিয়েছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল গত ১০ দিনে গড়ে দিনে মাত্র ১০টিতে নেমেছে, যা মে মাসের পর সর্বনিম্ন।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুরকি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে প্রতিহত করতে জোট প্রয়োজনীয় সব ধরনের অভিযান পরিচালনার ব্যবস্থা নেবে এবং তাদের বৈরী কর্মকাণ্ডের দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।’
ইয়েমেনের সবচেয়ে জনবহুল এলাকাগুলো ও দেশটির উত্তরাঞ্চলের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণকারী হুতিরা জুলাইয়ে রিয়াদের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করার পর থেকেই সৌদি আরবের দিকে হামলা চালিয়ে আসছে। এসব হামলায় লোহিত সাগরে সৌদি আরবের জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করা হচ্ছে।
লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। একই সময়ে ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত করে চলেছে। চলতি সপ্তাহে পণ্যবাহী জাহাজের চলাচল আবারও কমেছে।
‘নৌ চলাচল নিষিদ্ধ এলাকা’
ইরান জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উপসাগরে নতুন একটি নিয়ন্ত্রিত এলাকা ঘোষণা করবে তারা। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে নতুন একটি নৌ চলাচল পথের মানচিত্রও প্রকাশ করা হবে। তবে এসব বিস্তারিত তথ্য ঠিক কখন প্রকাশ করা হবে, তা স্পষ্ট নয়।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই রোববার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, নতুন এই নিয়ন্ত্রিত এলাকা যুক্তরাষ্ট্রের ইরান অবরোধ শুরুর স্থান থেকে শুরু হয়ে উপসাগরের বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত হবে। তিনি বলেন, ওই এলাকায় প্রবেশ করা যেকোনো জাহাজকে ইরানের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাখা হবে।
মঙ্গলবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজাই আবারও অর্থনৈতিক ও সামরিক— দুই ধরনের হুমকি দেন।
রেজাই বলেন, ‘সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওয়াশিংটন ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা পেয়েছে। অর্থনৈতিক যুদ্ধের জবাব দেওয়া হবে পারস্য উপসাগরজুড়ে, অবরোধের সীমারেখা পর্যন্ত একটি নৌ চলাচল নিষিদ্ধ এলাকা তৈরির মাধ্যমে। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ও ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে আমাদের সামরিক অবস্থান মৌলিকভাবে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।’
রয়টার্স লিখেছে, রেজাই সম্ভবত ‘কাসেম বসির’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন। ইরানের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, হরমুজ প্রণালির কাছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে ওই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধজাহাজগুলো কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এড়িয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলায় ইরানের প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং আগে থেকেই সংকটে থাকা দেশটির অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারপরও হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাংকারগুলো ইরানের অনুমতি ছাড়া চলাচল করলে সেগুলোকে হুমকি দেওয়ার এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে— এমন উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালানোর মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ইরান ধরে রেখেছে।
যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ চালান এই প্রণালি দিয়ে যেত। ফলে উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে তেল ও গ্যাস রপ্তানির উদ্দেশ্যে চলাচলকারী ট্যাংকারগুলোকে হুমকি দেওয়ার সুযোগ ইরানের হাতে ছিল।
এতে এমন এক সময়ে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে জনমত জরিপগুলোতে যুদ্ধটি অজনপ্রিয় হিসেবে উঠে আসছে। একই সঙ্গে আগামী নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জন্য ঝুঁকিও বাড়ছে।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে আমরা জয়ী হলে তেলের দাম সবকিছুর মতোই— তবে আরও বেশি দ্রুত কমে যাবে। প্রতি গ্যালন তিন ডলার, তবে শেষ পর্যন্ত দুই ডলারেরও নিচে নামবে। সবকিছু দ্রুত ঘটবে এবং ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না।‘’

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিরা আজ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা ও বিভিন্ন শহরে হামলা চালিয়েছে। এতে ৭০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত আরও বড় আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর জিজান তেল স্থাপনাসহ কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকজন আহত হন। আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় অগ্নিনির্বাপণ ও অন্যান্য জরুরি সেবা দল।
ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের চারটি শহরে চালানো হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন।

ইরানে চলমান ছয় মাসের সংঘাতের মধ্যে বিরতির পরপরই বিভিন্ন সময়ে নতুন করে হামলা-পালটা হামলা হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা, প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলার সক্ষমতা থামানো এবং আঞ্চলিক মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি ইরানের সমর্থন কমানোর লক্ষ্য নিয়ে হামলা শুরু করার পর থেকেই এই পরিস্থিতি চলছে।
ইরান গত সপ্তাহের শেষ দিকে উপসাগরীয় অঞ্চলের আশপাশে জাহাজে পালটাপালটি হামলার পর সতর্ক করে বলেছিল, উপসাগরজুড়ে জ্বালানি অবকাঠামো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস-সংশ্লিষ্ট স্বার্থও রয়েছে। এর পরই হুতিদের এই হামলা হলো।
ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ তেলের দাম
হুতিদের হামলার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ছয় সপ্তাহের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে গেছে।
অপরিশোধিত তেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একপর্যায়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৭ দশমিক ৯৩ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়, যা জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ। পরে দাম কিছুটা কমলেও বিকেলে ব্রেন্ট ছিল প্রায় ৯৭ ডলারে। যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটও ৯২ ডলারের ওপরে ছিল।
তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বগতির পেছনে শুধু আরামকোতে হামলা নয়, সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পালটাপালটি হামলাও বড় ভূমিকা রাখছে। যুক্তরাষ্ট্র তিনটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর পর ইরানও হরমুজ ও আশপাশের এলাকায় জাহাজ লক্ষ্য করে পালটা হামলা চালিয়েছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল গত ১০ দিনে গড়ে দিনে মাত্র ১০টিতে নেমেছে, যা মে মাসের পর সর্বনিম্ন।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুরকি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে প্রতিহত করতে জোট প্রয়োজনীয় সব ধরনের অভিযান পরিচালনার ব্যবস্থা নেবে এবং তাদের বৈরী কর্মকাণ্ডের দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।’
ইয়েমেনের সবচেয়ে জনবহুল এলাকাগুলো ও দেশটির উত্তরাঞ্চলের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণকারী হুতিরা জুলাইয়ে রিয়াদের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করার পর থেকেই সৌদি আরবের দিকে হামলা চালিয়ে আসছে। এসব হামলায় লোহিত সাগরে সৌদি আরবের জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করা হচ্ছে।
লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। একই সময়ে ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত করে চলেছে। চলতি সপ্তাহে পণ্যবাহী জাহাজের চলাচল আবারও কমেছে।
‘নৌ চলাচল নিষিদ্ধ এলাকা’
ইরান জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উপসাগরে নতুন একটি নিয়ন্ত্রিত এলাকা ঘোষণা করবে তারা। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে নতুন একটি নৌ চলাচল পথের মানচিত্রও প্রকাশ করা হবে। তবে এসব বিস্তারিত তথ্য ঠিক কখন প্রকাশ করা হবে, তা স্পষ্ট নয়।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই রোববার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, নতুন এই নিয়ন্ত্রিত এলাকা যুক্তরাষ্ট্রের ইরান অবরোধ শুরুর স্থান থেকে শুরু হয়ে উপসাগরের বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত হবে। তিনি বলেন, ওই এলাকায় প্রবেশ করা যেকোনো জাহাজকে ইরানের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাখা হবে।
মঙ্গলবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজাই আবারও অর্থনৈতিক ও সামরিক— দুই ধরনের হুমকি দেন।
রেজাই বলেন, ‘সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওয়াশিংটন ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা পেয়েছে। অর্থনৈতিক যুদ্ধের জবাব দেওয়া হবে পারস্য উপসাগরজুড়ে, অবরোধের সীমারেখা পর্যন্ত একটি নৌ চলাচল নিষিদ্ধ এলাকা তৈরির মাধ্যমে। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ও ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে আমাদের সামরিক অবস্থান মৌলিকভাবে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।’
রয়টার্স লিখেছে, রেজাই সম্ভবত ‘কাসেম বসির’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন। ইরানের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, হরমুজ প্রণালির কাছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে ওই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধজাহাজগুলো কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এড়িয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলায় ইরানের প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং আগে থেকেই সংকটে থাকা দেশটির অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারপরও হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাংকারগুলো ইরানের অনুমতি ছাড়া চলাচল করলে সেগুলোকে হুমকি দেওয়ার এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে— এমন উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালানোর মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ইরান ধরে রেখেছে।
যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ চালান এই প্রণালি দিয়ে যেত। ফলে উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে তেল ও গ্যাস রপ্তানির উদ্দেশ্যে চলাচলকারী ট্যাংকারগুলোকে হুমকি দেওয়ার সুযোগ ইরানের হাতে ছিল।
এতে এমন এক সময়ে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে জনমত জরিপগুলোতে যুদ্ধটি অজনপ্রিয় হিসেবে উঠে আসছে। একই সঙ্গে আগামী নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জন্য ঝুঁকিও বাড়ছে।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে আমরা জয়ী হলে তেলের দাম সবকিছুর মতোই— তবে আরও বেশি দ্রুত কমে যাবে। প্রতি গ্যালন তিন ডলার, তবে শেষ পর্যন্ত দুই ডলারেরও নিচে নামবে। সবকিছু দ্রুত ঘটবে এবং ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না।‘’

হামলার আগে শহরটিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে অনলাইনে কোনো সরিয়ে নেওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। হামলার বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্নের তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। হামলার স্থানে চিকিৎসাকর্মী ও শিশুরা থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিল কি না এবং কেন কোনো সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়নি— এ
১ দিন আগে
বাংলাভাষী ভারতীয় মুসলিম নারী মুমতাজ বেগমকে নিয়ম না মেনে জোর করে (পুশ ইন) বাংলাদেশে পাঠানোর ঘটনায় আসাম সরকারকে ২ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন গুয়াহাটি হাইকোর্ট। এ ঘটনায় কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে নির্বাসনের জন্য প্রথমবার রাজ্য সরকারের ওপর ক্ষতিপূরণের দায় চাপাল আদালত।
১ দিন আগে
ইরানের এ ঘোষণা এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমুদ্রপথে সরাসরি সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার পর। গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র তিনটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ ও এর আশপাশে কয়েকটি জাহাজে পালটা হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এস
১ দিন আগে
চূড়ান্ত ফলে ৪৩ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে রাজ্য পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রথম হয়েছে এএফডি। বিপরীতে মের্ৎসের সিডিইউ পেয়েছে মাত্র ১৭ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। এ ভোটকে সিডিইউয়ের জন্যও বড় ধাক্কা মনে করা হচ্ছে।
১ দিন আগে