
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে ‘কমিউনিজম’কে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাটদের ট্রাম্প এমনভাবে ‘কমিউনিস্ট’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন, যেন তা গালির সমতুল্য। অথচ একই সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কমিউনিস্ট রাষ্ট্র চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের জন্য হোয়াইট হাউজে আয়োজন করা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সফর ও নৈশভোজের।
সম্প্রতি রিপাবলিকানদের মধ্যবর্তী নির্বাচন সম্মেলনে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ডেমোক্র্যাটরা জয়ী হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘কমিউনিস্ট দেশ’ হয়ে যাবে। তিনি দলটির বিভিন্ন প্রার্থীকে ‘চরমপন্থি’ ও ‘উগ্রপন্থি’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, আমেরিকা অতীতে কমিউনিজমকে পরাজিত করেছে, আবারও করবে।
ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত কিছু প্রার্থী বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে দলীয় প্রাইমারিতে জয় পাওয়াকে নিজেদের বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছেন ট্রাম্প ও রিপাবলিকান নেতারা। তবে এসব রাজনৈতিক বাস্তবতাকে তারা অনেক ক্ষেত্রেই অতিরঞ্জিত করছেন।
বৈপরীত্যটা আরও স্পষ্ট হয় ট্রাম্পের শি জিনপিংকে ঘিরে আচরণে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা জিনপিংয়ের সঙ্গে নিজের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যেই বলেন ট্রাম্প। এবার জিনপিংয়ের সফরে বিরল প্রোটোকল হিসেবে বিমানবন্দরে তাকে নিজে স্বাগত জানানোর পরিকল্পনাও রয়েছে ট্রাম্পের। হোয়াইট হাউজে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা, সামরিক কুচকাওয়াজ এবং রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করা হচ্ছে।
অথচ ২০১৫ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা জিনপিংকে হোয়াইট হাউজে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ট্রাম্প ওই আয়োজনের সমালোচনা করেছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, জিনপিংকে ‘ম্যাকডোনাল্ডসে নিয়ে গিয়ে’ আলোচনার টেবিলে ফেরত পাঠানো উচিত।
প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর অবশ্য জিনপিংকে নিয়ে ভাষা বদলে যায় ট্রাম্পের। ২০১৮ সালে জিনপিনহ চীনে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় থাকার পথ তৈরি করায় ট্রাম্প তার অবস্থান নিয়েও প্রশংসাসূচক মন্তব্য করেছিলেন।
এদিকে ‘কমিউনিজম’ নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে তার প্রশাসনের কিছু অর্থনৈতিক পদক্ষেপও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। তার সরকার এরই মধ্যে ইন্টেল ও ওয়েস্টিং হাউজসহ ৩০টির বেশি বেসরকারি কোম্পানিতে সরকারি অংশীদারিত্ব নিয়েছে। রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল প্রশ্ন তুলেছেন, উৎপাদন ব্যবস্থার মালিকানায় সরকার সরাসরি অংশ নিলে সেটিকে সমাজতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হওয়া বলা যায় কি না।
তবে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সাবেক হোয়াইট হাউজ কর্মকর্তা মার্ক শর্ট বলেছেন, এসব পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের মতো সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিতে পরিণত করছে— এমন দাবি তিনি করেন না। তার আপত্তি মূলত অর্থনীতিতে সরকারের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ নিয়ে।
ফলে ট্রাম্পের বর্তমান রাজনৈতিক বার্তায় একটি স্পষ্ট বৈপরীত্য সামনে এসেছে— দেশের ভেতরে ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে ‘কমিউনিজম’কে ভয় দেখানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন তিনি, অথচ বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বের প্রধান কমিউনিস্ট শক্তির নেতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককেই প্রকাশ্যে তুলে ধরছেন। এই দুই অবস্থানের ফারাক ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক আক্রমণের ধার কতটা পরিষ্কার রাখবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করছে।
এপি অবলম্বনে

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে ‘কমিউনিজম’কে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাটদের ট্রাম্প এমনভাবে ‘কমিউনিস্ট’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন, যেন তা গালির সমতুল্য। অথচ একই সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কমিউনিস্ট রাষ্ট্র চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের জন্য হোয়াইট হাউজে আয়োজন করা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সফর ও নৈশভোজের।
সম্প্রতি রিপাবলিকানদের মধ্যবর্তী নির্বাচন সম্মেলনে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ডেমোক্র্যাটরা জয়ী হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘কমিউনিস্ট দেশ’ হয়ে যাবে। তিনি দলটির বিভিন্ন প্রার্থীকে ‘চরমপন্থি’ ও ‘উগ্রপন্থি’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, আমেরিকা অতীতে কমিউনিজমকে পরাজিত করেছে, আবারও করবে।
ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত কিছু প্রার্থী বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে দলীয় প্রাইমারিতে জয় পাওয়াকে নিজেদের বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছেন ট্রাম্প ও রিপাবলিকান নেতারা। তবে এসব রাজনৈতিক বাস্তবতাকে তারা অনেক ক্ষেত্রেই অতিরঞ্জিত করছেন।
বৈপরীত্যটা আরও স্পষ্ট হয় ট্রাম্পের শি জিনপিংকে ঘিরে আচরণে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা জিনপিংয়ের সঙ্গে নিজের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যেই বলেন ট্রাম্প। এবার জিনপিংয়ের সফরে বিরল প্রোটোকল হিসেবে বিমানবন্দরে তাকে নিজে স্বাগত জানানোর পরিকল্পনাও রয়েছে ট্রাম্পের। হোয়াইট হাউজে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা, সামরিক কুচকাওয়াজ এবং রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করা হচ্ছে।
অথচ ২০১৫ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা জিনপিংকে হোয়াইট হাউজে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ট্রাম্প ওই আয়োজনের সমালোচনা করেছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, জিনপিংকে ‘ম্যাকডোনাল্ডসে নিয়ে গিয়ে’ আলোচনার টেবিলে ফেরত পাঠানো উচিত।
প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর অবশ্য জিনপিংকে নিয়ে ভাষা বদলে যায় ট্রাম্পের। ২০১৮ সালে জিনপিনহ চীনে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় থাকার পথ তৈরি করায় ট্রাম্প তার অবস্থান নিয়েও প্রশংসাসূচক মন্তব্য করেছিলেন।
এদিকে ‘কমিউনিজম’ নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে তার প্রশাসনের কিছু অর্থনৈতিক পদক্ষেপও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। তার সরকার এরই মধ্যে ইন্টেল ও ওয়েস্টিং হাউজসহ ৩০টির বেশি বেসরকারি কোম্পানিতে সরকারি অংশীদারিত্ব নিয়েছে। রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল প্রশ্ন তুলেছেন, উৎপাদন ব্যবস্থার মালিকানায় সরকার সরাসরি অংশ নিলে সেটিকে সমাজতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হওয়া বলা যায় কি না।
তবে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সাবেক হোয়াইট হাউজ কর্মকর্তা মার্ক শর্ট বলেছেন, এসব পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের মতো সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিতে পরিণত করছে— এমন দাবি তিনি করেন না। তার আপত্তি মূলত অর্থনীতিতে সরকারের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ নিয়ে।
ফলে ট্রাম্পের বর্তমান রাজনৈতিক বার্তায় একটি স্পষ্ট বৈপরীত্য সামনে এসেছে— দেশের ভেতরে ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে ‘কমিউনিজম’কে ভয় দেখানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন তিনি, অথচ বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বের প্রধান কমিউনিস্ট শক্তির নেতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককেই প্রকাশ্যে তুলে ধরছেন। এই দুই অবস্থানের ফারাক ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক আক্রমণের ধার কতটা পরিষ্কার রাখবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করছে।
এপি অবলম্বনে

রাশিয়ার জন্য এবারের নির্বাচন আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। যুদ্ধবিরোধী একমাত্র নিবন্ধিত দল ইয়াবলোকোকে কার্যত এ নির্বাচনি লড়াই থেকে বাইরে রাখা হয়েছে। বিরোধী কয়েকজন নেতা কারাগারে বা নির্বাসনে রয়েছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
অধিবেশনে আগামী মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) শুরু হচ্ছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সাধারণ বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এতে অংশ নেবেন। এর জন্য সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে নিউইয়র্কের পথে রওয়ানা হওয়ার কথা রয়েছে তার।
১৬ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোন আলিমা খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার পিটিআইয়ের পাঞ্জাবের মুখপাত্র জানান, লাহোরে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
বিবিসি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে একজন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে স্থায়ী প্রবেশাধিকার, সামরিক ঘাঁটি স্থাপন ও আকাশপথ ব্যবহারের অধিকার পাবে। এমনকি নতুন সামরিক অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষে
১ দিন আগে