
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

শেষ হয়েছে রাশিয়ার তিন দিনব্যাপী স্টেট দুমা তথা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট। দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ, যা আগের চার নির্বাচনের চেয়ে বেশি। অর্থাৎ ১৯৯৩ সাল, ২০০৩ সাল, ২০১৬ সাল ও ২০২১ সালের নির্বাচনের চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে এবার।
এদিকে ভোট শেষে প্রকাশিত একাধিক এক্সিট পোলে উঠে এসেছে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দল ইউনাইটেড রাশিয়া অন্য দলগুলোর চেয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। প্রাথমিক গণনাতেও দলটি ৫৭ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে শীর্ষে রয়েছে। ফলে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম রুশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের আধিপত্য বজায় থাকারই আভাস মিলছে।
রুশ বার্তা সংস্থা তাসের খবরে বলা হয়েছে, ১৮ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর তিন দিন ধরে চলে নবম স্টেট দুমা নির্বাচনের ভোট। রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের (সিইসি) সবশেষ হিসাবে ভোটার উপস্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫৬ দশমিক ৬৬ শতাংশে।
২০২১ সালের নির্বাচনে চূড়ান্ত ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫১ দশমিক ৭২ শতাংশ। অর্থাৎ এবার তা প্রায় ৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। ১৯৯৩ সালে প্রথম স্টেট ডুমা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৫৪ দশমিক ৮১ শতাংশ। ফলে এবারকার উপস্থিতি সেই রেকর্ডও ছাড়িয়েছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় জনমত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভিসিওমের এক্সিট পোল অনুযায়ী, ইউনাইটেড রাশিয়া পেয়েছে ৪৯ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা কমিউনিস্ট পার্টি পেয়েছে ১৪ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। এ ছাড়া লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ১০ দশমিক ৭ শতাংশ, নিউ পিপল ৯ দশমিক ৭ শতাংশ ও এ জাস্ট রাশিয়া ৬ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
ভিসিওম ৬৯টি অঞ্চলের এক হাজার ৭৫৫টি ভোটকেন্দ্রে এই জরিপ চালায় এবং প্রায় দুই লাখ ৬৬ হাজার ভোটারের কাছ থেকে তথ্য নেয়। আরেকটি প্রতিষ্ঠান এনসোমারের এক্সিট পোলেও কাছাকাছি চিত্র পাওয়া গেছে। সেখানে ইউনাইটেড রাশিয়া ৫২ দশমিক ৮ শতাংশ, কমিউনিস্ট পার্টি ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ৯ দশমিক ৯ শতাংশ, নিউ পিপল ৮ দশমিক ৬ শতাংশ ও এ জাস্ট রাশিয়া ৫ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
তবে ভোট গণনা শুরুর পর সরকারি প্রাথমিক ফলে ইউনাইটেড রাশিয়ার ভোটের হার এক্সিট পোলের তুলনায় আরও বেশি দেখা যাচ্ছে। ২০ দশমিক ৮২ শতাংশ প্রটোকল গণনার পর দলটি ৫৭ দশমিক ০৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এর পর কমিউনিস্ট পার্টি ১৪ দশমিক ০৪ শতাংশ ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ ভোট পেয়েছে। আরও প্রাথমিক ফল প্রকাশের পর ইউনাইটেড রাশিয়ার ভোট ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশের কাছাকাছি ছিল।
নির্বাচনে মোট ১০টি দল অংশ নেয়। তবে এক্সিট পোল অনুযায়ী পাঁচটি দল ৫ শতাংশের নির্বাচনি বাধা পার করেছে— ইউনাইটেড রাশিয়া, কমিউনিস্ট পার্টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি, নিউ পিপল ও এ জাস্ট রাশিয়া।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভার হিসাবে, ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর পর্যন্ত বিদেশে থাকা এক লাখ ৪ হাজার ৭২২ জন রুশ নাগরিক ভোট দিয়েছেন। তাদের জন্য ১২০টি মোবাইল আগাম ভোটের ব্যবস্থাও করা হয়।
এবারের নির্বাচনে অনলাইন ভোটও বড় ভূমিকা রেখেছে। সরকারি ডিজিটাল ভোটিং প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধিত ভোটারদের প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট দিয়েছেন। স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত ৩৬ লাখ ১৭ হাজার ৩২৪ জন অনলাইনে ভোট দেন। অনলাইনে ভোট দেওয়ার জন্য মোট ৪০ লাখের বেশি মানুষ আবেদন করেছিলেন।
নির্বাচনের শেষ দিনে রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্টেট সেক্রেটারি ইয়েভগেনি ইভানভ দাবি করেছেন, বিদেশে ভোটগ্রহণ বানচাল করতে বিভিন্ন ‘উসকানি’ ও হামলার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তথাকথিত এক্সিট পোল, ছোট আকারের বিক্ষোভ ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বাইরের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ভোটপ্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।
ইভানভ আরও দাবি করেন, রাশিয়ার বাইরে ভোটকেন্দ্রে দুপুরে ব্যাপক জমায়েত ঘটিয়ে ভোটপ্রক্রিয়া অচল করে দেওয়ার জন্য নির্বাসিত বিরোধীরা যে প্রচার চালিয়েছিল, তাতেও খুব কম মানুষ সাড়া দিয়েছেন। তার দাবি, কোনো দেশেই এসব কর্মসূচি নির্বাচন কমিশনগুলোর কাজে গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারেনি।
রুশ কর্তৃপক্ষ এর আগে দেশের ভেতরেও ভোটিং সিস্টেম ও যোগাযোগ নেটওয়ার্কে সাইবার হামলার কথা জানিয়েছিল। মস্কোতে অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থায় হামলা ও রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যে যোগাযোগব্যবস্থায় নাশকতার চেষ্টা প্রতিহত করার দাবি করা হয়।

তবে রাশিয়ার নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক বিতর্কও রয়েছে। এবার প্রথমবারের মতো ইউক্রেনের রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলের বাসিন্দাদের স্টেট দুমা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ইউক্রেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই ভোটকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
এটি ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর প্রথম স্টেট দুমা নির্বাচন। ফলে ভোটের ফলকে ক্রেমলিন ইউক্রেন যুদ্ধ ও পুতিনের নীতির প্রতি দেশের জনগণের সমর্থনের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে।
অন্যদিকে বিরোধী ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একটি অংশ বলছে, যুদ্ধের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পরিসর সংকুচিত হওয়া এবং অধিকাংশ যুদ্ধবিরোধী প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ না থাকায় ফলাফলকে সরাসরি জনসমর্থনের প্রতিফলন হিসেবে দেখার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

শেষ হয়েছে রাশিয়ার তিন দিনব্যাপী স্টেট দুমা তথা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট। দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ, যা আগের চার নির্বাচনের চেয়ে বেশি। অর্থাৎ ১৯৯৩ সাল, ২০০৩ সাল, ২০১৬ সাল ও ২০২১ সালের নির্বাচনের চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে এবার।
এদিকে ভোট শেষে প্রকাশিত একাধিক এক্সিট পোলে উঠে এসেছে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দল ইউনাইটেড রাশিয়া অন্য দলগুলোর চেয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। প্রাথমিক গণনাতেও দলটি ৫৭ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে শীর্ষে রয়েছে। ফলে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম রুশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের আধিপত্য বজায় থাকারই আভাস মিলছে।
রুশ বার্তা সংস্থা তাসের খবরে বলা হয়েছে, ১৮ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর তিন দিন ধরে চলে নবম স্টেট দুমা নির্বাচনের ভোট। রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের (সিইসি) সবশেষ হিসাবে ভোটার উপস্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫৬ দশমিক ৬৬ শতাংশে।
২০২১ সালের নির্বাচনে চূড়ান্ত ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫১ দশমিক ৭২ শতাংশ। অর্থাৎ এবার তা প্রায় ৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। ১৯৯৩ সালে প্রথম স্টেট ডুমা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৫৪ দশমিক ৮১ শতাংশ। ফলে এবারকার উপস্থিতি সেই রেকর্ডও ছাড়িয়েছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় জনমত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভিসিওমের এক্সিট পোল অনুযায়ী, ইউনাইটেড রাশিয়া পেয়েছে ৪৯ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা কমিউনিস্ট পার্টি পেয়েছে ১৪ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। এ ছাড়া লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ১০ দশমিক ৭ শতাংশ, নিউ পিপল ৯ দশমিক ৭ শতাংশ ও এ জাস্ট রাশিয়া ৬ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
ভিসিওম ৬৯টি অঞ্চলের এক হাজার ৭৫৫টি ভোটকেন্দ্রে এই জরিপ চালায় এবং প্রায় দুই লাখ ৬৬ হাজার ভোটারের কাছ থেকে তথ্য নেয়। আরেকটি প্রতিষ্ঠান এনসোমারের এক্সিট পোলেও কাছাকাছি চিত্র পাওয়া গেছে। সেখানে ইউনাইটেড রাশিয়া ৫২ দশমিক ৮ শতাংশ, কমিউনিস্ট পার্টি ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ৯ দশমিক ৯ শতাংশ, নিউ পিপল ৮ দশমিক ৬ শতাংশ ও এ জাস্ট রাশিয়া ৫ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
তবে ভোট গণনা শুরুর পর সরকারি প্রাথমিক ফলে ইউনাইটেড রাশিয়ার ভোটের হার এক্সিট পোলের তুলনায় আরও বেশি দেখা যাচ্ছে। ২০ দশমিক ৮২ শতাংশ প্রটোকল গণনার পর দলটি ৫৭ দশমিক ০৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এর পর কমিউনিস্ট পার্টি ১৪ দশমিক ০৪ শতাংশ ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ ভোট পেয়েছে। আরও প্রাথমিক ফল প্রকাশের পর ইউনাইটেড রাশিয়ার ভোট ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশের কাছাকাছি ছিল।
নির্বাচনে মোট ১০টি দল অংশ নেয়। তবে এক্সিট পোল অনুযায়ী পাঁচটি দল ৫ শতাংশের নির্বাচনি বাধা পার করেছে— ইউনাইটেড রাশিয়া, কমিউনিস্ট পার্টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি, নিউ পিপল ও এ জাস্ট রাশিয়া।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভার হিসাবে, ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর পর্যন্ত বিদেশে থাকা এক লাখ ৪ হাজার ৭২২ জন রুশ নাগরিক ভোট দিয়েছেন। তাদের জন্য ১২০টি মোবাইল আগাম ভোটের ব্যবস্থাও করা হয়।
এবারের নির্বাচনে অনলাইন ভোটও বড় ভূমিকা রেখেছে। সরকারি ডিজিটাল ভোটিং প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধিত ভোটারদের প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট দিয়েছেন। স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত ৩৬ লাখ ১৭ হাজার ৩২৪ জন অনলাইনে ভোট দেন। অনলাইনে ভোট দেওয়ার জন্য মোট ৪০ লাখের বেশি মানুষ আবেদন করেছিলেন।
নির্বাচনের শেষ দিনে রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্টেট সেক্রেটারি ইয়েভগেনি ইভানভ দাবি করেছেন, বিদেশে ভোটগ্রহণ বানচাল করতে বিভিন্ন ‘উসকানি’ ও হামলার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তথাকথিত এক্সিট পোল, ছোট আকারের বিক্ষোভ ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বাইরের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ভোটপ্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।
ইভানভ আরও দাবি করেন, রাশিয়ার বাইরে ভোটকেন্দ্রে দুপুরে ব্যাপক জমায়েত ঘটিয়ে ভোটপ্রক্রিয়া অচল করে দেওয়ার জন্য নির্বাসিত বিরোধীরা যে প্রচার চালিয়েছিল, তাতেও খুব কম মানুষ সাড়া দিয়েছেন। তার দাবি, কোনো দেশেই এসব কর্মসূচি নির্বাচন কমিশনগুলোর কাজে গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারেনি।
রুশ কর্তৃপক্ষ এর আগে দেশের ভেতরেও ভোটিং সিস্টেম ও যোগাযোগ নেটওয়ার্কে সাইবার হামলার কথা জানিয়েছিল। মস্কোতে অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থায় হামলা ও রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যে যোগাযোগব্যবস্থায় নাশকতার চেষ্টা প্রতিহত করার দাবি করা হয়।

তবে রাশিয়ার নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক বিতর্কও রয়েছে। এবার প্রথমবারের মতো ইউক্রেনের রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলের বাসিন্দাদের স্টেট দুমা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ইউক্রেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই ভোটকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
এটি ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর প্রথম স্টেট দুমা নির্বাচন। ফলে ভোটের ফলকে ক্রেমলিন ইউক্রেন যুদ্ধ ও পুতিনের নীতির প্রতি দেশের জনগণের সমর্থনের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে।
অন্যদিকে বিরোধী ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একটি অংশ বলছে, যুদ্ধের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পরিসর সংকুচিত হওয়া এবং অধিকাংশ যুদ্ধবিরোধী প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ না থাকায় ফলাফলকে সরাসরি জনসমর্থনের প্রতিফলন হিসেবে দেখার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোন আলিমা খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার পিটিআইয়ের পাঞ্জাবের মুখপাত্র জানান, লাহোরে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিবিসি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে একজন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে স্থায়ী প্রবেশাধিকার, সামরিক ঘাঁটি স্থাপন ও আকাশপথ ব্যবহারের অধিকার পাবে। এমনকি নতুন সামরিক অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষে
১ দিন আগে
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া আল-সারিয়া অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, তারা রিয়াদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং ইয়ানবু শহরে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর কিছু স্থাপনা লক্ষ্য করে অনেকগুলো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করেছে। তিনি বলেন, ইয়েমেনের রাজধানী সানা শহরে সৌদি হামলার জবাব হিসেবে
১ দিন আগে
টুবাস শহরের দক্ষিণ-পূর্বে জর্ডান ভ্যালি এলাকায় অবস্থিত গ্রামটির বাসিন্দা থায়ের বাশারাত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকেকে বলেন, এর আগে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে গ্রামটির দিকে যাওয়ার সব মাটির রাস্তা বন্ধ করে রেখেছিল ইসরায়েলি বাহিনী। পাঁচ দিন আগে শেষ যে পথটি অবশিষ্ট ছিল, স
১ দিন আগে