
বিবিসি

অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে উগ্রপন্থি ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা একের পর এক হামলা অব্যাহত রেখেছে। ঘরবাড়ি, যানবাহন ও ফসলি জমিতেও আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে তারা।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ইরানে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই গত শনিবার (২১ মার্চ) ১৮ বছর বয়সী ইহুদি তরুণ ইহুদা শেরম্যানের মৃত্যুর পর এ সহিংসতার সূত্রপাত হয়। কোয়াড বাইক চালানোর সময় এক ফিলিস্তিনির গাড়ির ধাক্কায় শেরম্যানের মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাকি দুর্ঘটনা, তা তারা তদন্ত করছে।
এ ঘটনারিই প্রতিক্রিয়ায় বসতি স্থাপনকারীদের ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলোতে এই মৃত্যুর বদলা নিতে ‘প্রতিশোধ অভিযানে’র ডাক দেওয়া হয়। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ওই আহ্বানের পর ২০টিরও বেশি হামলার খবর পাওয়া গেছে।
জাতিসংঘের তথ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে আক্রমণের পর থেকে ফিলিস্তিনে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেছে। গত ১ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ছয়জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শনিবার রাতে বেশ কয়েকটি ফিলিস্তিনি গ্রামে তাদের সেনা ও সীমান্ত পুলিশ ইউনিট পাঠানো হয়েছে। ফিলিস্তিনে তাদের অধিকৃত এলাকায় ইসরায়েলের বেসামরিক নাগরিকরা ঘরবাড়ি ও সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ ও বিশৃঙ্খলা করছে— এমন খবর পাওয়ার পর তারা এ পদক্ষেপ নেয়।
হামলার শিকার গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে— জালুদ, কারিয়ুত, আল-ফান্দুকুমিয়াহ এবং সিলাত আদ-দাহর।
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দেখা গেছে, কালো পোশাক ও মাস্ক পরা ৯০ জনেরও বেশি লোক জালুদ গ্রামে ঢুকে দৌড়াচ্ছে। আরেক ভিডিওতে দেখা গেছে, গ্রামটিতে একাধিক যানবাহনে আগুন জ্বলছে, ভবনের জানালা ভাঙা ও অ্যাম্বুলেন্স আসার সময় সাইরেনের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এ ছাড়া একটি ভবনের গায়ে স্প্রে-পেইন্ট দিয়ে ‘ইহুদার বদলা নাও’ লেখা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, জালুদে হামলাকারীদের প্রতিহত করতে গিয়ে অন্তত তিনজন ফিলিস্তিনি মাথায় আঘাত পেয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বেশ কিছু হামলাকারীও আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বসতি স্থাপনকারীদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে লেখা হয়েছে, ‘ইহুদিদের রক্ত ঝরলে আমরা চুপ থাকব না।’ অন্য একটি বার্তায় বলা হয়েছে, ‘আমরা প্রতিশোধ এবং শত্রুদের নির্মূল করতে চাই।’

ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ঈদুল ফিতরের মধ্যে চালানো এই হামলায় ঘরবাড়ি ও সম্পত্তি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো ও তাদের হত্যা করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও সংযোগস্থলগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ইসরায়েলি পুলিশ রোববার জানিয়েছে, দেইর আল-হাতাব গ্রামের কাছ থেকে সীমান্ত রক্ষীরা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। ইতামার বসতির কাছে বেশ কিছু ইসরায়েলি বেসামরিক বাসিন্দা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালালে একজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন। পুলিশ জোর দিয়ে বলেছে, তারা উগ্রপন্থি সহিংস ব্যক্তিদের প্রতি কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখাবে না।
ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা ‘ইয়েশ দিন’ এসব হামলাকে ‘এক রাতের তাণ্ডব বা পোগ্রোম’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। রোববার সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যম এক্স দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানায়, হামলার পরিকল্পনার কথা আগে থেকে জানা থাকা সত্ত্বেও বাহিনীগুলো আবারও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই তাণ্ডব ঠেকাতে কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রোববার বিকেলে ইহুদা শেরম্যানের জানাজায় পাঁচ শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ইসরায়েলের কট্টরপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচও ছিলেন, যিনি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য দেশের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন।
রোববার সন্ধ্যায় অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে রাখে। অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে, বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলো আবারও ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোর বাইরে জড়ো হতে শুরু করেছে।
স্থানীয় সংবাদ সংস্থা ‘ওয়াফা’ জানিয়েছে, তারা নাবলুসের উত্তর-পশ্চিমে একটি কার ওয়াশ সেন্টারে (গাড়ি ধোয়ার জায়গা) আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।
এর আগে এ মাসের শুরুর দিকে ইইউ ও যুক্তরাজ্য দাবি করেছিল, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার যে মাত্রায় বেড়েছে, তা ইসরায়েলকে অবশ্যই থামাতে হবে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে সাতজন ও ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ১৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৫টি হত্যাকাণ্ডই ঘটেছে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর।
ইসরায়েলের মধ্য-বামপন্থি দল ‘ডেমোক্র্যাটসে’র নেতা ইয়ার গোলান এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং ইসরায়েল সরকারকে এর সুযোগ দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। এক্সে তিনি লিখেছেন, যখন আমরা ইরান ও উত্তর সীমান্তে যুদ্ধ করছি, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হচ্ছি এবং আমাদের অনেকে গুরুতর আহত, তখন এই সরকার সম্পূর্ণ নৈরাজ্যকে উৎসাহিত করছে।
গোলান আরও লিখেছেন, যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে ইহুদি সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে পড়ছে। উগ্রপন্থি মন্ত্রীদের সমর্থন এবং প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বিপজ্জনক উৎসাহে এটি ঘটছে। এটি ইসরায়েলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি চরম ব্যর্থতা।
গত সপ্তাহে অন্য একটি হামলার পর আইডিএফ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির বলেছিলেন, পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের এই সহিংসতা নৈতিক ও নীতিগতভাবে অগ্রহণযোগ্য।
১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েল পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে প্রায় ১৬০টি বসতি তৈরি করেছে, যেখানে প্রায় সাত লাখ ইহুদি বসবাস করে। ফিলিস্তিনিরা গাজা সহ এই ভূখণ্ডকে তাদের ভবিষ্যৎ স্বাধীন রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে দেখতে চায়। বর্তমানে এই এলাকায় প্রায় ৩৩ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করেন। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এই বসতিগুলো অবৈধ।

অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে উগ্রপন্থি ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা একের পর এক হামলা অব্যাহত রেখেছে। ঘরবাড়ি, যানবাহন ও ফসলি জমিতেও আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে তারা।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ইরানে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই গত শনিবার (২১ মার্চ) ১৮ বছর বয়সী ইহুদি তরুণ ইহুদা শেরম্যানের মৃত্যুর পর এ সহিংসতার সূত্রপাত হয়। কোয়াড বাইক চালানোর সময় এক ফিলিস্তিনির গাড়ির ধাক্কায় শেরম্যানের মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাকি দুর্ঘটনা, তা তারা তদন্ত করছে।
এ ঘটনারিই প্রতিক্রিয়ায় বসতি স্থাপনকারীদের ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলোতে এই মৃত্যুর বদলা নিতে ‘প্রতিশোধ অভিযানে’র ডাক দেওয়া হয়। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ওই আহ্বানের পর ২০টিরও বেশি হামলার খবর পাওয়া গেছে।
জাতিসংঘের তথ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে আক্রমণের পর থেকে ফিলিস্তিনে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেছে। গত ১ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ছয়জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শনিবার রাতে বেশ কয়েকটি ফিলিস্তিনি গ্রামে তাদের সেনা ও সীমান্ত পুলিশ ইউনিট পাঠানো হয়েছে। ফিলিস্তিনে তাদের অধিকৃত এলাকায় ইসরায়েলের বেসামরিক নাগরিকরা ঘরবাড়ি ও সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ ও বিশৃঙ্খলা করছে— এমন খবর পাওয়ার পর তারা এ পদক্ষেপ নেয়।
হামলার শিকার গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে— জালুদ, কারিয়ুত, আল-ফান্দুকুমিয়াহ এবং সিলাত আদ-দাহর।
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দেখা গেছে, কালো পোশাক ও মাস্ক পরা ৯০ জনেরও বেশি লোক জালুদ গ্রামে ঢুকে দৌড়াচ্ছে। আরেক ভিডিওতে দেখা গেছে, গ্রামটিতে একাধিক যানবাহনে আগুন জ্বলছে, ভবনের জানালা ভাঙা ও অ্যাম্বুলেন্স আসার সময় সাইরেনের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এ ছাড়া একটি ভবনের গায়ে স্প্রে-পেইন্ট দিয়ে ‘ইহুদার বদলা নাও’ লেখা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, জালুদে হামলাকারীদের প্রতিহত করতে গিয়ে অন্তত তিনজন ফিলিস্তিনি মাথায় আঘাত পেয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বেশ কিছু হামলাকারীও আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বসতি স্থাপনকারীদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে লেখা হয়েছে, ‘ইহুদিদের রক্ত ঝরলে আমরা চুপ থাকব না।’ অন্য একটি বার্তায় বলা হয়েছে, ‘আমরা প্রতিশোধ এবং শত্রুদের নির্মূল করতে চাই।’

ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ঈদুল ফিতরের মধ্যে চালানো এই হামলায় ঘরবাড়ি ও সম্পত্তি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো ও তাদের হত্যা করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও সংযোগস্থলগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ইসরায়েলি পুলিশ রোববার জানিয়েছে, দেইর আল-হাতাব গ্রামের কাছ থেকে সীমান্ত রক্ষীরা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। ইতামার বসতির কাছে বেশ কিছু ইসরায়েলি বেসামরিক বাসিন্দা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালালে একজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন। পুলিশ জোর দিয়ে বলেছে, তারা উগ্রপন্থি সহিংস ব্যক্তিদের প্রতি কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখাবে না।
ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা ‘ইয়েশ দিন’ এসব হামলাকে ‘এক রাতের তাণ্ডব বা পোগ্রোম’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। রোববার সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যম এক্স দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানায়, হামলার পরিকল্পনার কথা আগে থেকে জানা থাকা সত্ত্বেও বাহিনীগুলো আবারও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই তাণ্ডব ঠেকাতে কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রোববার বিকেলে ইহুদা শেরম্যানের জানাজায় পাঁচ শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ইসরায়েলের কট্টরপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচও ছিলেন, যিনি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য দেশের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন।
রোববার সন্ধ্যায় অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে রাখে। অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে, বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলো আবারও ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোর বাইরে জড়ো হতে শুরু করেছে।
স্থানীয় সংবাদ সংস্থা ‘ওয়াফা’ জানিয়েছে, তারা নাবলুসের উত্তর-পশ্চিমে একটি কার ওয়াশ সেন্টারে (গাড়ি ধোয়ার জায়গা) আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।
এর আগে এ মাসের শুরুর দিকে ইইউ ও যুক্তরাজ্য দাবি করেছিল, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার যে মাত্রায় বেড়েছে, তা ইসরায়েলকে অবশ্যই থামাতে হবে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে সাতজন ও ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ১৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৫টি হত্যাকাণ্ডই ঘটেছে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর।
ইসরায়েলের মধ্য-বামপন্থি দল ‘ডেমোক্র্যাটসে’র নেতা ইয়ার গোলান এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং ইসরায়েল সরকারকে এর সুযোগ দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। এক্সে তিনি লিখেছেন, যখন আমরা ইরান ও উত্তর সীমান্তে যুদ্ধ করছি, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হচ্ছি এবং আমাদের অনেকে গুরুতর আহত, তখন এই সরকার সম্পূর্ণ নৈরাজ্যকে উৎসাহিত করছে।
গোলান আরও লিখেছেন, যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে ইহুদি সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে পড়ছে। উগ্রপন্থি মন্ত্রীদের সমর্থন এবং প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বিপজ্জনক উৎসাহে এটি ঘটছে। এটি ইসরায়েলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি চরম ব্যর্থতা।
গত সপ্তাহে অন্য একটি হামলার পর আইডিএফ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির বলেছিলেন, পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের এই সহিংসতা নৈতিক ও নীতিগতভাবে অগ্রহণযোগ্য।
১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েল পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে প্রায় ১৬০টি বসতি তৈরি করেছে, যেখানে প্রায় সাত লাখ ইহুদি বসবাস করে। ফিলিস্তিনিরা গাজা সহ এই ভূখণ্ডকে তাদের ভবিষ্যৎ স্বাধীন রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে দেখতে চায়। বর্তমানে এই এলাকায় প্রায় ৩৩ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করেন। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এই বসতিগুলো অবৈধ।

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র আক্রান্ত হলে ইসরায়েলের বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি স্থাপনায় ‘ব্যাপক হামলা’ চালানো হবে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের যেসব কোম্পানিতে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানা রয়েছে, সেগুলোকেও ‘ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ এবং যুদ্ধ থেকে উৎসরিত মৃত্যু ও যন্ত্রণাকে পুরো ‘মানবজাতির জন্য একটি কলঙ্ক’ বলে অভিহিত করেছেন পোপ চতুর্দশ লিও। রোববার (২২ মার্চ) ভ্যাটিকান সিটির সেন্ট পিটার্স চত্বরে সাপ্তাহিক অ্যাঞ্জেলাস প্রার্থনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের আরাদ, দিমোনা ও তেল আবিব শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এতে অন্তত ২০০ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া লেবানন সীমান্তে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলায় এক ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলে এ পর্যন্ত ৪০০-এরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। এর মধ্যে ৯২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশে ধ্বংস বা প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তা নাদাভ শোশানি।
২০ ঘণ্টা আগে