
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ বৈঠকের পর ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে মিলল ‘অগ্রগতি’র খবর। শুধু মিলল না যুদ্ধবিরতির সুনির্দিষ্ট ঘোষণা। তবে কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই ‘হাইভোল্টেজ’ বৈঠক একেবারেই নিস্ফলা?
সেটি বলার সুযোগ আপাতত এখনই নেই। তবে এই দুই বৈঠকের ফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে তৃতীয় একটি বৈঠকের ওপর, যে বৈঠকে পুতিন আর জেলেনস্কিকে সামনাসামনি নিয়ে বসবেন ট্রাম্প। এককভাবে পুতিন ও জেলেনস্কি ট্রাম্পের সঙ্গে বসে যে সমাধানে পৌঁছাতে পারেননি, সামনাসামনি বসে তাদের মুখ থেকেই সেই সমাধান বের করে আনতে পারলেই সফল হবেন ট্রাম্প।
এ বৈঠকের দিন-তারিখ নিয়ে অবশ্য কোনো তরহ্য মেলেনি। নির্ধারণ হয়নি বৈঠকের স্থানও। তবে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎস আভাস দিয়েছেন, সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই ত্রিপাক্ষিক বৈঠকটি হতে পারে।
সোমবার (১৮ আগস্ট) হোয়াইট হাউজে প্রথমে জেলেনস্কি ও পরে ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের পর রাশিয়া-ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে নিয়ে তৃতীয় এ বৈঠক আয়োজনে ট্রাম্পের পরিকল্পনা সামনে এসেছে।
এ দিন বাংলাদেশ সময় রাত ১১টার দিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক শুরু করেন ট্রাম্প। ঘণ্টাদুয়েক এ বৈঠকের পর জেলেনস্কির সঙ্গে ওয়াশিংটন যাওয়া ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বসেন ট্রাম্প। দুই বৈঠক চলে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা।
বৈঠক দুটি শেষ হওয়ার আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোসালে মুখ খোলেন ট্রাম্প। জানান পুতিন ও জেলেনস্কির সম্ভাব্য বৈঠকের কথা। ট্রাম্প বলেন, পুতিন ও জেলেনস্কির মধ্যে একটি বৈঠক আয়োজনের কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প আরও বলেন, জেলেনস্কি ও ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাঝপথেই তিনি পুতিনকে ফোন করে এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে কথা বলেছেন।
বৈঠক শেষে হোয়াইট হাউজের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলেনস্কি বলেন, পুতিনের সঙ্গে ‘যত দ্রুতসম্ভব’ বৈঠকের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে আমাদের যুদ্ধবিরতির প্রয়োজন নেই, আমাদের প্রয়োজন সত্যিকারের শান্তি।
জেলেনস্কি আরও বলেন, পুতিনের সঙ্গে যেকোনো ফরম্যাটে আলোচনার জন্য ইউক্রেন প্রস্তুত। তবে রাশিয়া ও ইউক্রেনের কোনো ধরনের পূর্বশর্ত ছাড়াই আলোচনায় বসা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গত কয়েক মাসে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মনোযোগী হয়েছেন ইউরোপীয় নেতারাও। সোমবারও ওয়াশিংটনে উপস্থিত ছিলেন তারা। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎস, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডের লায়েন ও ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে পরে বৈঠক করেন ট্রাম্পের সঙ্গে।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার বলেছেন, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এলে এবং রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বৈঠক হলে সেটি হবে ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’।
এর আগে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে গত শুক্রবার আলাস্কায় পুতিনকে নিয়ে বৈঠকে বসেন ট্রাম্প। সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠক চললেও সাড়ে তিন বছরের যুদ্ধ বন্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি দুই নেতা।
ওই বৈঠকের পরই জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানান ট্রাম্প। তার সেই আমন্ত্রণেই সোমবার ওয়াশিংটনে পা পড়ে জেলেনস্কির।

ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ বৈঠকের পর ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে মিলল ‘অগ্রগতি’র খবর। শুধু মিলল না যুদ্ধবিরতির সুনির্দিষ্ট ঘোষণা। তবে কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই ‘হাইভোল্টেজ’ বৈঠক একেবারেই নিস্ফলা?
সেটি বলার সুযোগ আপাতত এখনই নেই। তবে এই দুই বৈঠকের ফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে তৃতীয় একটি বৈঠকের ওপর, যে বৈঠকে পুতিন আর জেলেনস্কিকে সামনাসামনি নিয়ে বসবেন ট্রাম্প। এককভাবে পুতিন ও জেলেনস্কি ট্রাম্পের সঙ্গে বসে যে সমাধানে পৌঁছাতে পারেননি, সামনাসামনি বসে তাদের মুখ থেকেই সেই সমাধান বের করে আনতে পারলেই সফল হবেন ট্রাম্প।
এ বৈঠকের দিন-তারিখ নিয়ে অবশ্য কোনো তরহ্য মেলেনি। নির্ধারণ হয়নি বৈঠকের স্থানও। তবে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎস আভাস দিয়েছেন, সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই ত্রিপাক্ষিক বৈঠকটি হতে পারে।
সোমবার (১৮ আগস্ট) হোয়াইট হাউজে প্রথমে জেলেনস্কি ও পরে ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের পর রাশিয়া-ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে নিয়ে তৃতীয় এ বৈঠক আয়োজনে ট্রাম্পের পরিকল্পনা সামনে এসেছে।
এ দিন বাংলাদেশ সময় রাত ১১টার দিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক শুরু করেন ট্রাম্প। ঘণ্টাদুয়েক এ বৈঠকের পর জেলেনস্কির সঙ্গে ওয়াশিংটন যাওয়া ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বসেন ট্রাম্প। দুই বৈঠক চলে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা।
বৈঠক দুটি শেষ হওয়ার আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোসালে মুখ খোলেন ট্রাম্প। জানান পুতিন ও জেলেনস্কির সম্ভাব্য বৈঠকের কথা। ট্রাম্প বলেন, পুতিন ও জেলেনস্কির মধ্যে একটি বৈঠক আয়োজনের কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প আরও বলেন, জেলেনস্কি ও ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাঝপথেই তিনি পুতিনকে ফোন করে এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে কথা বলেছেন।
বৈঠক শেষে হোয়াইট হাউজের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলেনস্কি বলেন, পুতিনের সঙ্গে ‘যত দ্রুতসম্ভব’ বৈঠকের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে আমাদের যুদ্ধবিরতির প্রয়োজন নেই, আমাদের প্রয়োজন সত্যিকারের শান্তি।
জেলেনস্কি আরও বলেন, পুতিনের সঙ্গে যেকোনো ফরম্যাটে আলোচনার জন্য ইউক্রেন প্রস্তুত। তবে রাশিয়া ও ইউক্রেনের কোনো ধরনের পূর্বশর্ত ছাড়াই আলোচনায় বসা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গত কয়েক মাসে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মনোযোগী হয়েছেন ইউরোপীয় নেতারাও। সোমবারও ওয়াশিংটনে উপস্থিত ছিলেন তারা। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎস, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডের লায়েন ও ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে পরে বৈঠক করেন ট্রাম্পের সঙ্গে।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার বলেছেন, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এলে এবং রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বৈঠক হলে সেটি হবে ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’।
এর আগে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে গত শুক্রবার আলাস্কায় পুতিনকে নিয়ে বৈঠকে বসেন ট্রাম্প। সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠক চললেও সাড়ে তিন বছরের যুদ্ধ বন্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি দুই নেতা।
ওই বৈঠকের পরই জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানান ট্রাম্প। তার সেই আমন্ত্রণেই সোমবার ওয়াশিংটনে পা পড়ে জেলেনস্কির।

ইরানি সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ও জ্বালানি ট্যাংকার উভয় জাহাজেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর ওই এলাকা থেকে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানানো হয়। যদিও এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কি
৭ ঘণ্টা আগে
এদিকে যুদ্ধের প্রভাবে ইরাকের তেল উৎপাদন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে; দেশটির রুমাইলা ও ওয়েস্ট কুর্না-২ এর মতো বৃহৎ তেলক্ষেত্রগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। সংঘাতের উত্তাপ ছড়িয়েছে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতেও; দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেট ড্রোন হামলার শিকার হওয়ার খবর পাওয়া
৮ ঘণ্টা আগে
সংঘাত চলাকালে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসেও হামলা হয়েছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, দুটি ড্রোন ব্যবহার করে দূতাবাসটিতে হামলা চালানো হয়। এতে সীমিত আকারে আগুন লাগে। কিছু বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
অ্যাডমিরাল কুপার দাবি করেছেন, মার্কিন হামলায় ইরানের একটি সাবমেরিনসহ অন্তত ১৭টি রণতরি ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার পাশাপাশি শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, লঞ্চার ও ড্রোন গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, ২০০
৯ ঘণ্টা আগে