
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ এক দশকের গোপন পরিকল্পনা ও নজিরবিহীন গোয়েন্দা তৎপরতার পরিণতিতে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেহরানে নিজ দপ্তরে নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। হামলার সময় খামেনি তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র সমন্বয়ে এ যৌথ অভিযানে পরিচালিত হয়েছে।
খামেনিকে হত্যায় পরিচালিত এই অভিযান কেবল একটি সামরিক হামলা নয়; বরং এটি ছিল গোয়েন্দা তথ্য, সাইবার যুদ্ধ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এক সমন্বিত প্রয়োগ। বছরের পর বছর ধরে তেহরান শহরের ট্রাফিক ক্যামেরা হ্যাক করে বিদেশি সার্ভারে তথ্য স্থানান্তর করা হয়। এর মাধ্যমে খামেনির দেহরক্ষী ও নিরাপত্তা বলয়ের চলাচল, এমনকি ব্যক্তিগত যানবাহনের রুটিন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল।
এআই প্রযুক্তির সহায়তায় কোটি কোটি ডেটা বিশ্লেষণ করে একটি নির্ভুল ‘প্যাটার্ন অব লাইফ’ তৈরি করা হয়, যা খামেনির অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শনিবার সকালে পাস্তুর স্ট্রিট এলাকায় খামেনির কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শুরু হলে চূড়ান্ত আঘাত হানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আকাশপথে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূর থেকে ৩০টিরও বেশি ‘ব্লু স্প্যারো’ প্রিসিশন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় বলে বিভিন্ন নিরাপত্তা সূত্র দাবি করেছে।
হামলার ঠিক আগে নির্দিষ্ট এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অকার্যকর করে দেওয়া হয়, যাতে নিরাপত্তা বলয় সতর্কবার্তা পাঠাতে না পারে।
দিনের আলোতে চালানো অভিযানে খামেনির বাসভবন ও সংলগ্ন কার্যালয় সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। ধ্বংসস্তূপ থেকে পরে খামেনিসহ তার চারজন ঘনিষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা ও পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা এই ঘটনাকে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে মোড় পরিবর্তনকারী অধ্যায় হিসেবে দেখছেন। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে এমন অভিযান পরিচালনা বৈশ্বিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের বিস্মিত করেছে।
সূত্রগুলোর দাবি, ২০২৫ সালের জুন থেকে অভিযানটির প্রস্তুতি তীব্রতর হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরোক্ষ সমর্থন এবং ইসরায়েলের সাইবার ইউনিট ইউনিট ৮২০০-এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এই মিশনের মূল চালিকাশক্তি ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। এই অবস্থায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে— কে হবেন পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা? ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুলুল্লাহ খোমেনির নাতি হাসান খোমেনি এখন আলোচনায়। খামেনির উত্তরসূরি নির্ধারণে আলেমদের আলোচনায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে দেশটি এসে পৌঁছেছে এক অনিশ্চিত সন্ধিক্ষণে। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ৪৭ বছরের ইতিহাসে এটাই সম্ভবত সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুহূর্ত। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের।

দীর্ঘ এক দশকের গোপন পরিকল্পনা ও নজিরবিহীন গোয়েন্দা তৎপরতার পরিণতিতে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেহরানে নিজ দপ্তরে নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। হামলার সময় খামেনি তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র সমন্বয়ে এ যৌথ অভিযানে পরিচালিত হয়েছে।
খামেনিকে হত্যায় পরিচালিত এই অভিযান কেবল একটি সামরিক হামলা নয়; বরং এটি ছিল গোয়েন্দা তথ্য, সাইবার যুদ্ধ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এক সমন্বিত প্রয়োগ। বছরের পর বছর ধরে তেহরান শহরের ট্রাফিক ক্যামেরা হ্যাক করে বিদেশি সার্ভারে তথ্য স্থানান্তর করা হয়। এর মাধ্যমে খামেনির দেহরক্ষী ও নিরাপত্তা বলয়ের চলাচল, এমনকি ব্যক্তিগত যানবাহনের রুটিন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল।
এআই প্রযুক্তির সহায়তায় কোটি কোটি ডেটা বিশ্লেষণ করে একটি নির্ভুল ‘প্যাটার্ন অব লাইফ’ তৈরি করা হয়, যা খামেনির অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শনিবার সকালে পাস্তুর স্ট্রিট এলাকায় খামেনির কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শুরু হলে চূড়ান্ত আঘাত হানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আকাশপথে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূর থেকে ৩০টিরও বেশি ‘ব্লু স্প্যারো’ প্রিসিশন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় বলে বিভিন্ন নিরাপত্তা সূত্র দাবি করেছে।
হামলার ঠিক আগে নির্দিষ্ট এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অকার্যকর করে দেওয়া হয়, যাতে নিরাপত্তা বলয় সতর্কবার্তা পাঠাতে না পারে।
দিনের আলোতে চালানো অভিযানে খামেনির বাসভবন ও সংলগ্ন কার্যালয় সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। ধ্বংসস্তূপ থেকে পরে খামেনিসহ তার চারজন ঘনিষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা ও পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা এই ঘটনাকে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে মোড় পরিবর্তনকারী অধ্যায় হিসেবে দেখছেন। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে এমন অভিযান পরিচালনা বৈশ্বিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের বিস্মিত করেছে।
সূত্রগুলোর দাবি, ২০২৫ সালের জুন থেকে অভিযানটির প্রস্তুতি তীব্রতর হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরোক্ষ সমর্থন এবং ইসরায়েলের সাইবার ইউনিট ইউনিট ৮২০০-এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এই মিশনের মূল চালিকাশক্তি ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। এই অবস্থায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে— কে হবেন পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা? ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুলুল্লাহ খোমেনির নাতি হাসান খোমেনি এখন আলোচনায়। খামেনির উত্তরসূরি নির্ধারণে আলেমদের আলোচনায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে দেশটি এসে পৌঁছেছে এক অনিশ্চিত সন্ধিক্ষণে। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ৪৭ বছরের ইতিহাসে এটাই সম্ভবত সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুহূর্ত। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের।

শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোরে মধ্য ও দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
পল অ্যাডামস বলছেন, গত এক বছরে আলোচনার চালাকালে দুবার হামলার শিকার হওয়ার কারণে ইরান এখন নিশ্চয়তা চায়, যেন ভবিষ্যতে আবার এমন হামলা না হয়। তবে বাস্তবতা হলো— কেউই খুব একটা বিশ্বাস করে না যে এসব বড় বড় সমস্যার সমাধান ইসলামাবাদে বসে হয়ে যাবে।
১২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রতিনিধিদলের হয়ে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মূল বৈঠকে বসার আগে জে ডি ভ্যান্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নিলেন। বৈঠকে ভ্যান্সের সঙ্গে আরও ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
১২ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকের বিস্তারিত সম্পর্কে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে