
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে (এমজেডিএ) যুক্ত হওয়া নিয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি বলেছেন, এই জোটে নতুন কোনো দেশ যোগ দিতে চাইলে জোটের বাকি দুই সদস্য সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে পরামর্শ করে তা বিবেচনা করা হবে।
পাকিস্তানের সংবাদপত্র ডন ও সৌদি আরবের সংবাদপত্র আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের মক্কা জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহের বিষয়ে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আন্দ্রাবি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, চুক্তিটি এমন দেশগুলোর জন্য উন্মুক্ত, যারা এর যৌথ দায় ও অভিন্ন নিরাপত্তা স্বার্থের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ।
এর আগে গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মক্কায় এ যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করে। চুক্তির অন্যতম কেন্দ্রে রয়েছে তিন দেশের যৌথ অবস্থান, যেখানে বলা হয়েছে— তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে বাকি দুই দেশের ওপরও হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ এই জোটের কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকিরা সবাই সম্মিলিত প্রতিরক্ষার আওতায় আসবে।
মুসলিম তিন দেশের এই চুক্তিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামরিক সমন্বয়, যৌথ সামরিক মহড়া ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে।
এ চুক্তি সই হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এটি নিয়ে নানামুখী আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ মুসলিম দেশগুলোর এই জোটে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে কি না, সে আগ্রহের কথা জানিয়েছেন অনেকে। সরকারের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন একাধিক মন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনেই এ প্রসঙ্গটি ওঠে। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘এ প্যাক্টটিকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। এতে যোগদান বা যোগদান না করার বিষয়টি এখনো আসেনি, কারণ এটা নির্ভর করছে প্যাক্টের সদস্যদের অভিপ্রায়ের ওপর। তারা যদি বাংলাদেশকে এ প্যাক্টে নেওয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করে, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই এটাকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’
এর আগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সম্ভাব্য সব ধরনের লাভ-ক্ষতির মূল্যায়ন করা হবে।
আরেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, মক্কা নিয়ে তো সবসময় আলাদা একটা জায়গা বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে আছে। যদি ইসলামিক দেশগুলোর মধ্যে একটা নিরাপত্তা চুক্তি হয়, তাহলে ওখানে যাওয়া তো অস্বাভাবিক না। দেখা যাক, বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবারের ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকরা বাংলাদেশের এমন আলোচনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জবাবে তাহির আন্দ্রাবি বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি হলো শান্তি রক্ষা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে গঠিত একটি কাঠামো। এটি একটি উদীয়মান নিরাপত্তা বলয়। যেসব দেশ অভিন্ন নিরাপত্তা ও যৌথ বাধ্যবাধকতার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে, তাদের জন্য এই জোটের দরজা উন্মুক্ত।
জোটে কোনো দেশ যুক্ত হতে চাইলে তার প্রক্রিয়া কী হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, জোটভুক্ত হওয়ার জন্য যেকোনো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ আমাদের অংশীদার রিয়াদ ও আঙ্কারার সঙ্গে পরামর্শ করে বিবেচনা করা হবে।
আলোচিত এই চুক্তিটি কার্যকর করার প্রক্রিয়া এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে রয়েছে বলে জানান তাহির আন্দ্রাবি।

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে (এমজেডিএ) যুক্ত হওয়া নিয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি বলেছেন, এই জোটে নতুন কোনো দেশ যোগ দিতে চাইলে জোটের বাকি দুই সদস্য সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে পরামর্শ করে তা বিবেচনা করা হবে।
পাকিস্তানের সংবাদপত্র ডন ও সৌদি আরবের সংবাদপত্র আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের মক্কা জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহের বিষয়ে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আন্দ্রাবি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, চুক্তিটি এমন দেশগুলোর জন্য উন্মুক্ত, যারা এর যৌথ দায় ও অভিন্ন নিরাপত্তা স্বার্থের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ।
এর আগে গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মক্কায় এ যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করে। চুক্তির অন্যতম কেন্দ্রে রয়েছে তিন দেশের যৌথ অবস্থান, যেখানে বলা হয়েছে— তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে বাকি দুই দেশের ওপরও হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ এই জোটের কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকিরা সবাই সম্মিলিত প্রতিরক্ষার আওতায় আসবে।
মুসলিম তিন দেশের এই চুক্তিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামরিক সমন্বয়, যৌথ সামরিক মহড়া ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে।
এ চুক্তি সই হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এটি নিয়ে নানামুখী আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ মুসলিম দেশগুলোর এই জোটে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে কি না, সে আগ্রহের কথা জানিয়েছেন অনেকে। সরকারের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন একাধিক মন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনেই এ প্রসঙ্গটি ওঠে। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘এ প্যাক্টটিকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। এতে যোগদান বা যোগদান না করার বিষয়টি এখনো আসেনি, কারণ এটা নির্ভর করছে প্যাক্টের সদস্যদের অভিপ্রায়ের ওপর। তারা যদি বাংলাদেশকে এ প্যাক্টে নেওয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করে, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই এটাকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’
এর আগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সম্ভাব্য সব ধরনের লাভ-ক্ষতির মূল্যায়ন করা হবে।
আরেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, মক্কা নিয়ে তো সবসময় আলাদা একটা জায়গা বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে আছে। যদি ইসলামিক দেশগুলোর মধ্যে একটা নিরাপত্তা চুক্তি হয়, তাহলে ওখানে যাওয়া তো অস্বাভাবিক না। দেখা যাক, বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবারের ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকরা বাংলাদেশের এমন আলোচনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জবাবে তাহির আন্দ্রাবি বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি হলো শান্তি রক্ষা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে গঠিত একটি কাঠামো। এটি একটি উদীয়মান নিরাপত্তা বলয়। যেসব দেশ অভিন্ন নিরাপত্তা ও যৌথ বাধ্যবাধকতার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে, তাদের জন্য এই জোটের দরজা উন্মুক্ত।
জোটে কোনো দেশ যুক্ত হতে চাইলে তার প্রক্রিয়া কী হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, জোটভুক্ত হওয়ার জন্য যেকোনো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ আমাদের অংশীদার রিয়াদ ও আঙ্কারার সঙ্গে পরামর্শ করে বিবেচনা করা হবে।
আলোচিত এই চুক্তিটি কার্যকর করার প্রক্রিয়া এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে রয়েছে বলে জানান তাহির আন্দ্রাবি।

বিবিসি ও রয়টার্সের খবরে নেপালের পর্যটন কর্মকর্তা ও পুলিশের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, নেপাল ও তিব্বতে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮০০ জনের বেশি বিদেশি পর্যটক।
১১ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট চার আসনের প্রশিক্ষণ বিমানটি কানপুরের গার্গ এভিয়েশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উড্ডয়ন করে। প্রায় ২০ মিনিট পর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ফেরার সময় সকাল ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
১২ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) হিমালয়ান টাইমসের খবরে বলা হয়, বুধবার রাজধানী কাঠমান্ডুর সিংহ দরবারে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে বন্যা ও ভূমিধসে নিহতদের প্রতি শোক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
ইউরোপ মহাদেশে মার্কিন সেনা মোতায়েনের সার্বিক চিত্র পুনর্মূল্যায়ন করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের কাছে আগামী ৬ নভেম্বরের মধ্যে অন্তত চারটি বিকল্প প্রস্তাব জমা দিতে যাচ্ছে পেন্টাগন। আনুষ্ঠানিকভাবে এই পর্যালোচনা সম্পন্ন হওয়ার কথা ডিসেম্বর মাসে হলেও তার অনেক আগেই এই পরিকল্পনা জমা দেয়া হচ্ছে। বার্তা
১৪ ঘণ্টা আগে