
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধের দাবিতে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আল-জাজিরার বরাতে জানা যায়, ইরান সম্প্রতি ১০ দফার একটি প্রস্তাব দিলেও সেখানে পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিতের কোনো উল্লেখ নেই। তবে ওয়াশিংটন এখন জরুরিভিত্তিতে ইরানের সব ধরনের পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ চায়, এমনকি চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত পারমাণবিক গবেষণাও এর আওতাভুক্ত করার দাবি তুলেছে দেশটি।
ইরানিয়ানরা এ দ্বন্দ্বের শুরু থেকেই বলে আসছে যে, গত কয়েক বছর যাবৎ হওয়া উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের দ্বারা একটি আদেশ জারি ছিল যে, ইরান তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কাজ করবে না। তারা জেনেভা এবং ওমানে এর সঙ্গে সম্মত হওয়ার অনেক কাছেই ছিল। তবে এরপরই তাদের ওপর হামলা করা হয়।
এর জেরে বিশ্বাস ভেঙে গেছে, যা তারা পুনরায় জোড়া লাগাতে চেষ্টা করছে। তবে এই মুহূর্তে এমন বক্তব্য এবং আলোচনা না করেই হুমকি দিয়ে প্রস্থান করা নিশ্চিতভাবেই এই বিভেদ দূর করবে না।
এ থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, ইরানকে তাদের দিক থেকে প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে এবং সম্ভবত সবার সামনে তুলে ধরতে হবে যে, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিলে ঠিক কী শর্ত দিয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনোকিছুই নিশ্চিত নয়।
এমন অনেকেই আছে যারা এ দ্বন্দ্বের সমাপ্তি চায় না। তারা মনে করেন তারা এগিয়ে আছেন। তারা বিগত প্রায় ৬ সপ্তাহ যাবৎ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় টিকে আছে। তাদের এই ক্ষমতা আছে যে, তারা হরমুজ প্রণালি আটকে রাখতে পারে এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য সংস্থার মতে তারা এর মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ধস নামাতে পারে।
সেক্ষেত্রে আসন্ন বিপদের ব্যাপারে অনুমান করা যাচ্ছে। তবে ইরানিয়ানদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ‘গোলপোস্ট’ বদল করে চলেছে।

ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধের দাবিতে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আল-জাজিরার বরাতে জানা যায়, ইরান সম্প্রতি ১০ দফার একটি প্রস্তাব দিলেও সেখানে পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিতের কোনো উল্লেখ নেই। তবে ওয়াশিংটন এখন জরুরিভিত্তিতে ইরানের সব ধরনের পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ চায়, এমনকি চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত পারমাণবিক গবেষণাও এর আওতাভুক্ত করার দাবি তুলেছে দেশটি।
ইরানিয়ানরা এ দ্বন্দ্বের শুরু থেকেই বলে আসছে যে, গত কয়েক বছর যাবৎ হওয়া উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের দ্বারা একটি আদেশ জারি ছিল যে, ইরান তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কাজ করবে না। তারা জেনেভা এবং ওমানে এর সঙ্গে সম্মত হওয়ার অনেক কাছেই ছিল। তবে এরপরই তাদের ওপর হামলা করা হয়।
এর জেরে বিশ্বাস ভেঙে গেছে, যা তারা পুনরায় জোড়া লাগাতে চেষ্টা করছে। তবে এই মুহূর্তে এমন বক্তব্য এবং আলোচনা না করেই হুমকি দিয়ে প্রস্থান করা নিশ্চিতভাবেই এই বিভেদ দূর করবে না।
এ থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, ইরানকে তাদের দিক থেকে প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে এবং সম্ভবত সবার সামনে তুলে ধরতে হবে যে, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিলে ঠিক কী শর্ত দিয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনোকিছুই নিশ্চিত নয়।
এমন অনেকেই আছে যারা এ দ্বন্দ্বের সমাপ্তি চায় না। তারা মনে করেন তারা এগিয়ে আছেন। তারা বিগত প্রায় ৬ সপ্তাহ যাবৎ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় টিকে আছে। তাদের এই ক্ষমতা আছে যে, তারা হরমুজ প্রণালি আটকে রাখতে পারে এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য সংস্থার মতে তারা এর মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ধস নামাতে পারে।
সেক্ষেত্রে আসন্ন বিপদের ব্যাপারে অনুমান করা যাচ্ছে। তবে ইরানিয়ানদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ‘গোলপোস্ট’ বদল করে চলেছে।

৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৪ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৬ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তিটিকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপান্তরের সম্ভাবনা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এরপরই এই যুদ্ধবিরতির খবর এলো।
২০ ঘণ্টা আগে