
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিভিন্ন ধাপে প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি মার্কিন প্রতিনিধি দল। এ অবস্থায় কোনো ধরনের সমঝোতা না করেই পাকিস্তান ছেড়ে যাচ্ছে তারা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, রোববার (১২ এপ্রিল) ভোরে এক সংবাদ সম্মেলন করে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এমন অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।
দীর্ঘ আলোচনার নানা ত্রুটি তুলে ধরে ভ্যান্স বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার শর্তসহ আমেরিকার দেওয়া শর্তগুলো মেনে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খারাপ খবর হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।
আলোচনা চলাকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে অন্তত ছয়বার কথা বলেছেন বলে জানান ভ্যান্স। বলেন, আমরা কোনো চুক্তিতে না পৌঁছেই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাচ্ছি। আমাদের রেড লাইন বা চূড়ান্ত সীমাগুলো কী, তা আমরা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা ও ইরানের পালটা জবাবে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধে ৪০ দিন পর বিরতি আসে গত ৮ এপ্রিল। যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করে পাকিস্তান। দুই সপ্তাহের সেই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী রূপ দিতে এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংকটের সমাধান আনতে পাকিস্তানই আয়োজন করে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা।
শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে ইরান ও মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। পরে দুই দেশের প্রতিনিধিরা মুখোমুখি আলোচনা করেন।
পাকিস্তানের একটি সূত্র জানিয়েছে, ভ্যান্স এবং ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে দুই ঘণ্টা বৈঠক করেন। পরে শনিবার মধ্যরাতে প্রথম পর্বের আলোচনা শেষে দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা লিখিত শর্ত বিনিময় করেন।
এসব আলোচনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ইরান সরকার জানিয়েছে, আলোচনা শেষ হয়েছে এবং উভয় পক্ষের কারিগরি বিশেষজ্ঞরা নথিপত্র আদান-প্রদান করবেন। কিছু মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
ইসলামাবাদে অবস্থানরত ইরানের তাসনিম নিউজের এক সংবাদদাতা ইরানি প্রতিনিধি দলের সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছিলেন, রোববারও ইসলামাবাদে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। রোববার সকালে ভ্যান্সের সংবাদ সম্মেলন সে সম্ভাবনায় জল ঢেলে দিলো।

ইরানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিভিন্ন ধাপে প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি মার্কিন প্রতিনিধি দল। এ অবস্থায় কোনো ধরনের সমঝোতা না করেই পাকিস্তান ছেড়ে যাচ্ছে তারা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, রোববার (১২ এপ্রিল) ভোরে এক সংবাদ সম্মেলন করে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এমন অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।
দীর্ঘ আলোচনার নানা ত্রুটি তুলে ধরে ভ্যান্স বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার শর্তসহ আমেরিকার দেওয়া শর্তগুলো মেনে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খারাপ খবর হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।
আলোচনা চলাকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে অন্তত ছয়বার কথা বলেছেন বলে জানান ভ্যান্স। বলেন, আমরা কোনো চুক্তিতে না পৌঁছেই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাচ্ছি। আমাদের রেড লাইন বা চূড়ান্ত সীমাগুলো কী, তা আমরা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা ও ইরানের পালটা জবাবে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধে ৪০ দিন পর বিরতি আসে গত ৮ এপ্রিল। যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করে পাকিস্তান। দুই সপ্তাহের সেই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী রূপ দিতে এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংকটের সমাধান আনতে পাকিস্তানই আয়োজন করে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা।
শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে ইরান ও মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। পরে দুই দেশের প্রতিনিধিরা মুখোমুখি আলোচনা করেন।
পাকিস্তানের একটি সূত্র জানিয়েছে, ভ্যান্স এবং ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে দুই ঘণ্টা বৈঠক করেন। পরে শনিবার মধ্যরাতে প্রথম পর্বের আলোচনা শেষে দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা লিখিত শর্ত বিনিময় করেন।
এসব আলোচনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ইরান সরকার জানিয়েছে, আলোচনা শেষ হয়েছে এবং উভয় পক্ষের কারিগরি বিশেষজ্ঞরা নথিপত্র আদান-প্রদান করবেন। কিছু মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
ইসলামাবাদে অবস্থানরত ইরানের তাসনিম নিউজের এক সংবাদদাতা ইরানি প্রতিনিধি দলের সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছিলেন, রোববারও ইসলামাবাদে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। রোববার সকালে ভ্যান্সের সংবাদ সম্মেলন সে সম্ভাবনায় জল ঢেলে দিলো।

লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৬ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তিটিকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপান্তরের সম্ভাবনা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এরপরই এই যুদ্ধবিরতির খবর এলো।
২০ ঘণ্টা আগে
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জাহাজ পরিচালনাকারীদের হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করার অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা সরকারি ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদনে জাহাজের সঠিক যোগাযোগ তথ্য, রুট ও সময়সূচি উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে প্রণালিতে প্রবেশ কিংবা বের
২১ ঘণ্টা আগে