
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধাবস্থা ‘শেষের পথে’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই সঙ্গে শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হলে তৃতীয় কোনো দেশ হিসেবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে প্রস্তুত আছেন পুতিন। এর আগে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ নিয়ে একই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শনিবার (৯ মে) মস্কোতে বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন পুতিন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে রাশিয়া ও ইউক্রেন তিন দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি এক হাজার বন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়েছে দুই পক্ষ। এতে করে কূটনৈতিক অগ্রগতির ব্যাপারে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
কুচকাওয়াজে ইউক্রেনে যুদ্ধরত রুশ সেনাদের প্রশংসা করেন পুতিন। তাদের অভিযানে ‘ন্যায়সংগত কারণ’ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তারা ‘পুরো ন্যাটো জোটের সমর্থনপুষ্ট একটি আগ্রাসী শক্তির’ বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
মস্কোর রেড স্কয়ারে সৈন্যদের সারিবদ্ধ অবস্থানের মধ্যেই পুতিন বলেন, ‘বিজয় সবসময় আমাদের ছিল এবং আমাদেরই থাকবে।’
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের জয়কে স্মরণ করার পাশাপাশি যুদ্ধে নিহত ২ কোটি ৭০ লাখ সোভিয়েত নাগরিককে সম্মান জানান প্রেসিডেন্ট পুতিন।
প্রথমবারের মতো এবারের বিজয় দিবসের প্যারেডে উত্তর কোরিয়ার সেনারাও অংশ নিয়েছে। এটি ছিল পিয়ংইয়ংয়ের প্রতি এক ধরনের শ্রদ্ধা, কারণ উত্তর কোরিয়ার সেনারা রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনীয় অনুপ্রবেশ প্রতিহত করতে রুশ বাহিনীর পাশে যুদ্ধ করেছে।
এর আগে একতরফাভাবে শুক্রবার ও শনিবারের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল রাশিয়া। অন্যদিকে জেলেনস্কি ৬ মে থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল এমন একটি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। তবে কোনো পক্ষই তা পুরোপুরি মেনে চলেনি এবং হামলা অব্যাহত রাখার জন্য উভয় পক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করে।
উৎসব ঘিরে উদ্বেগ কিছুটা কমে আসে শুক্রবার (৮ মে)। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ঘোষণা দেন যে, রাশিয়া ও ইউক্রেন তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি এবং বন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়েছে।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে লেখেন, এই যুদ্ধবিরতির মধ্যে সব ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ড স্থগিত থাকবে এবং উভয় দেশ এক হাজার করে বন্দি বিনিময় করবে।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ শেষ করার আলোচনা চলমান রয়েছে এবং আমরা প্রতিদিনই সমাধানের আরও কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছি।
ট্রাম্প বলেন, আশা করি এটি একটি দীর্ঘ, রক্তক্ষয়ী ও কঠিন যুদ্ধের সমাপ্তির সূচনা হবে।
ট্রাম্পের বক্তব্যের পর জেলেনস্কি ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে একটি নির্দেশনায় রাশিয়াকে বিজয় দিবস উদযাপনের অনুমতি দেন এবং সাময়িকভাবে রেড স্কয়ারকে ইউক্রেনীয় হামলার বাইরে রাখার ঘোষণা দেন।
এর আগে শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তাব দিয়েছিলেন জেলেনস্কি। শনিবার (৯ মে) পুতিন বলেন, তৃতীয় কোনো দেশে জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি, তবে সেটি হবে কেবল একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি অনুমোদনের জন্য।
১৯৯৯ সালের শেষ দিন থেকে প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাশিয়া শাসন করে আসা পুতিন বর্তমানে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মস্কোতে বাড়তে থাকা উদ্বেগের মুখে রয়েছেন। এই যুদ্ধে কয়েক লাখ মানুষ নিহত হয়েছে। ইউক্রেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং রাশিয়ার ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে।
রুশ বাহিনী চার বছরের বেশি সময় ধরে ইউক্রেনে যুদ্ধ করছে। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত বাহিনীর অংশগ্রহণের সময়সীমাকেও ছাড়িয়ে গেছে, যা রাশিয়ায় ‘গ্রেট প্যাট্রিয়টিক ওয়ার’ নামে পরিচিত।
তবে এখনো রাশিয়া পুরো দনবাস অঞ্চল দখল করতে পারেনি। ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পিছু হটতে হলেও তারা দুর্গনগরীগুলোর একটি প্রতিরক্ষা লাইনে অবস্থান ধরে রেখেছে। চলতি বছরে রুশ অগ্রগতি ধীর হলেও মস্কো বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে।
গত সপ্তাহে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনি কস্তা বলেন, ইউরোপের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে ইউরোপ ও রাশিয়ার মধ্যে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সূত্র: ফক্স নিউজ
রাজনীতি/একে

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধাবস্থা ‘শেষের পথে’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই সঙ্গে শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হলে তৃতীয় কোনো দেশ হিসেবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে প্রস্তুত আছেন পুতিন। এর আগে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ নিয়ে একই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শনিবার (৯ মে) মস্কোতে বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন পুতিন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে রাশিয়া ও ইউক্রেন তিন দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি এক হাজার বন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়েছে দুই পক্ষ। এতে করে কূটনৈতিক অগ্রগতির ব্যাপারে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
কুচকাওয়াজে ইউক্রেনে যুদ্ধরত রুশ সেনাদের প্রশংসা করেন পুতিন। তাদের অভিযানে ‘ন্যায়সংগত কারণ’ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তারা ‘পুরো ন্যাটো জোটের সমর্থনপুষ্ট একটি আগ্রাসী শক্তির’ বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
মস্কোর রেড স্কয়ারে সৈন্যদের সারিবদ্ধ অবস্থানের মধ্যেই পুতিন বলেন, ‘বিজয় সবসময় আমাদের ছিল এবং আমাদেরই থাকবে।’
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের জয়কে স্মরণ করার পাশাপাশি যুদ্ধে নিহত ২ কোটি ৭০ লাখ সোভিয়েত নাগরিককে সম্মান জানান প্রেসিডেন্ট পুতিন।
প্রথমবারের মতো এবারের বিজয় দিবসের প্যারেডে উত্তর কোরিয়ার সেনারাও অংশ নিয়েছে। এটি ছিল পিয়ংইয়ংয়ের প্রতি এক ধরনের শ্রদ্ধা, কারণ উত্তর কোরিয়ার সেনারা রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনীয় অনুপ্রবেশ প্রতিহত করতে রুশ বাহিনীর পাশে যুদ্ধ করেছে।
এর আগে একতরফাভাবে শুক্রবার ও শনিবারের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল রাশিয়া। অন্যদিকে জেলেনস্কি ৬ মে থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল এমন একটি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। তবে কোনো পক্ষই তা পুরোপুরি মেনে চলেনি এবং হামলা অব্যাহত রাখার জন্য উভয় পক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করে।
উৎসব ঘিরে উদ্বেগ কিছুটা কমে আসে শুক্রবার (৮ মে)। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ঘোষণা দেন যে, রাশিয়া ও ইউক্রেন তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি এবং বন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়েছে।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে লেখেন, এই যুদ্ধবিরতির মধ্যে সব ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ড স্থগিত থাকবে এবং উভয় দেশ এক হাজার করে বন্দি বিনিময় করবে।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ শেষ করার আলোচনা চলমান রয়েছে এবং আমরা প্রতিদিনই সমাধানের আরও কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছি।
ট্রাম্প বলেন, আশা করি এটি একটি দীর্ঘ, রক্তক্ষয়ী ও কঠিন যুদ্ধের সমাপ্তির সূচনা হবে।
ট্রাম্পের বক্তব্যের পর জেলেনস্কি ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে একটি নির্দেশনায় রাশিয়াকে বিজয় দিবস উদযাপনের অনুমতি দেন এবং সাময়িকভাবে রেড স্কয়ারকে ইউক্রেনীয় হামলার বাইরে রাখার ঘোষণা দেন।
এর আগে শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তাব দিয়েছিলেন জেলেনস্কি। শনিবার (৯ মে) পুতিন বলেন, তৃতীয় কোনো দেশে জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি, তবে সেটি হবে কেবল একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি অনুমোদনের জন্য।
১৯৯৯ সালের শেষ দিন থেকে প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাশিয়া শাসন করে আসা পুতিন বর্তমানে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মস্কোতে বাড়তে থাকা উদ্বেগের মুখে রয়েছেন। এই যুদ্ধে কয়েক লাখ মানুষ নিহত হয়েছে। ইউক্রেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং রাশিয়ার ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে।
রুশ বাহিনী চার বছরের বেশি সময় ধরে ইউক্রেনে যুদ্ধ করছে। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত বাহিনীর অংশগ্রহণের সময়সীমাকেও ছাড়িয়ে গেছে, যা রাশিয়ায় ‘গ্রেট প্যাট্রিয়টিক ওয়ার’ নামে পরিচিত।
তবে এখনো রাশিয়া পুরো দনবাস অঞ্চল দখল করতে পারেনি। ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পিছু হটতে হলেও তারা দুর্গনগরীগুলোর একটি প্রতিরক্ষা লাইনে অবস্থান ধরে রেখেছে। চলতি বছরে রুশ অগ্রগতি ধীর হলেও মস্কো বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে।
গত সপ্তাহে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনি কস্তা বলেন, ইউরোপের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে ইউরোপ ও রাশিয়ার মধ্যে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সূত্র: ফক্স নিউজ
রাজনীতি/একে

তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ না থাকলে ইরান ইতোমধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করে ফেলতো। তার ভাষায়, “আমরা যদি নয় মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর হামলা না করতাম, তাহলে তারা এখনই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতো এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতো।”
১১ ঘণ্টা আগে
গত ১৩ মে ফল প্রকাশের পর থেকে ৪ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী মোট ১১ লাখ উত্তরপত্র দেখতে চেয়ে শিক্ষা বোর্ডের কাছে আবেদন করেছে, যা দেশটির ইতিহাসে নজিরবিহীন। ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষায় এ বছর প্রায় ১৭ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল।
১২ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি এলাকায় অবস্থানরত বিদেশি সামরিক বাহিনীগুলোকেও সতর্ক করেছে তেহরান। ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, সামুদ্রিক চলাচল বা প্রণালির ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হলে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনার পর একটি খসড়া চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে, যা এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে আলোচনার টেবিলে অগ্রগতির খবর মিললেও সামরিক উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষণ নেই। গত কয়েক দিনে ইরানে দ্বিতীয় দফায়
১ দিন আগে