
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলটিমেটাম উপেক্ষা করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজের লক্ষ্যে অবিচল আছেন বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। কর্মকর্তারা বলছেন, পশ্চিমারা তার শর্ত মেনে নেওয়ার আগ পর্যন্ত রুশ বাহিনী ইউক্রেনে অগ্রসর হতে থাকবে।
ক্রেমলিনের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পুতিন এমনকি সময়ের সঙ্গে তার দাবির তালিকা বড়ও করতে পারেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তারা বলেছেন, পশ্চিমা চাপ সামলানোর মতো যথেষ্ট অর্থনৈতিক ও সামরিক সক্ষমতা রাশিয়ার রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন পুতিন।
নানা চেষ্টা চালিয়েও ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের নিঃশর্ত সম্মতি আদায় করতে পারেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ অবস্থায় একদিকে কিয়েভের জন্য প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মতো অস্ত্র পাঠাচ্ছেন, অন্যদিকে শান্তি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার জন্য মস্কোকে ৫০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে মস্কোর পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া না পেলে রাশিয়ার পণ্যে শতভাগ শুল্কারোপ করবেন।
ক্রেমলিনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ কোনো পক্ষই গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করতে এগিয়ে এসেছে বলে পুতিন বিশ্বাস করেন না। তাই দাবি পূরণ হওয়ার আগ পর্যন্ত থামছেন না তিনি।
পুতিনের দাবি, পশ্চিমাদের সামরিক জোট ন্যাটোর পূর্ব দিকে সম্প্রসারণ স্থগিত করতে হবে। পাশাপাশি ইউক্রেনের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সামরিক বাহিনী সীমিত করতে হবে। এ ছাড়া সেখানে বসবাসকারী রুশভাষীদের নিরাপত্তা ও রুশ বাহিনীর দখল করা ভূমির অধিকারও ছেড়ে দিতে হবে।
স্পষ্ট পরিকল্পনা প্রকাশ না করলেও ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়েও বিস্তারিত আলাপ করতে পুতিন সম্মত আছেন বলে ক্রেমলিনের ওই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বরাবরই পুতিনের দাবির বিরোধিতা করে বলেছেন, দখল করা এলাকায় রুশ সার্বভৌমত্ব মেনে নেবে না কিয়েভ। ন্যাটোতে যোগদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও কেবল তাদেরই রয়েছে।
দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার পর একাধিকবার পুতিন ও ট্রাম্পের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে এবং বিশেষ মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ মস্কো সফরেও গেছেন। এরপরও শান্তি চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে মনে করেন না পুতিন।
ক্রেমলিনের ওই কর্মকর্তা বলেন, পুতিনের কাছে ট্রাম্পের সঙ্গে সখ্যের গুরুত্ব রয়েছে। উইটকফের সঙ্গেও তার ফলপ্রসূ আলাপ হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্টের কাছে রাশিয়ার স্বার্থ সব কিছুর ঊর্ধ্বে।
এ বিষয়ে মার্কিন সরকারের অবস্থান জানতে চাওয়া হলে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র অ্যানা কেলি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কেবল হানাহানি বন্ধের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পুতিন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত না হলে তিনি নিষেধাজ্ঞা এবং শুল্কের করাল গ্রাসের মধ্যে পড়বেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলটিমেটাম উপেক্ষা করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজের লক্ষ্যে অবিচল আছেন বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। কর্মকর্তারা বলছেন, পশ্চিমারা তার শর্ত মেনে নেওয়ার আগ পর্যন্ত রুশ বাহিনী ইউক্রেনে অগ্রসর হতে থাকবে।
ক্রেমলিনের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পুতিন এমনকি সময়ের সঙ্গে তার দাবির তালিকা বড়ও করতে পারেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তারা বলেছেন, পশ্চিমা চাপ সামলানোর মতো যথেষ্ট অর্থনৈতিক ও সামরিক সক্ষমতা রাশিয়ার রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন পুতিন।
নানা চেষ্টা চালিয়েও ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের নিঃশর্ত সম্মতি আদায় করতে পারেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ অবস্থায় একদিকে কিয়েভের জন্য প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মতো অস্ত্র পাঠাচ্ছেন, অন্যদিকে শান্তি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার জন্য মস্কোকে ৫০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে মস্কোর পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া না পেলে রাশিয়ার পণ্যে শতভাগ শুল্কারোপ করবেন।
ক্রেমলিনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ কোনো পক্ষই গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করতে এগিয়ে এসেছে বলে পুতিন বিশ্বাস করেন না। তাই দাবি পূরণ হওয়ার আগ পর্যন্ত থামছেন না তিনি।
পুতিনের দাবি, পশ্চিমাদের সামরিক জোট ন্যাটোর পূর্ব দিকে সম্প্রসারণ স্থগিত করতে হবে। পাশাপাশি ইউক্রেনের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সামরিক বাহিনী সীমিত করতে হবে। এ ছাড়া সেখানে বসবাসকারী রুশভাষীদের নিরাপত্তা ও রুশ বাহিনীর দখল করা ভূমির অধিকারও ছেড়ে দিতে হবে।
স্পষ্ট পরিকল্পনা প্রকাশ না করলেও ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়েও বিস্তারিত আলাপ করতে পুতিন সম্মত আছেন বলে ক্রেমলিনের ওই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বরাবরই পুতিনের দাবির বিরোধিতা করে বলেছেন, দখল করা এলাকায় রুশ সার্বভৌমত্ব মেনে নেবে না কিয়েভ। ন্যাটোতে যোগদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও কেবল তাদেরই রয়েছে।
দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার পর একাধিকবার পুতিন ও ট্রাম্পের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে এবং বিশেষ মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ মস্কো সফরেও গেছেন। এরপরও শান্তি চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে মনে করেন না পুতিন।
ক্রেমলিনের ওই কর্মকর্তা বলেন, পুতিনের কাছে ট্রাম্পের সঙ্গে সখ্যের গুরুত্ব রয়েছে। উইটকফের সঙ্গেও তার ফলপ্রসূ আলাপ হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্টের কাছে রাশিয়ার স্বার্থ সব কিছুর ঊর্ধ্বে।
এ বিষয়ে মার্কিন সরকারের অবস্থান জানতে চাওয়া হলে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র অ্যানা কেলি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কেবল হানাহানি বন্ধের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পুতিন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত না হলে তিনি নিষেধাজ্ঞা এবং শুল্কের করাল গ্রাসের মধ্যে পড়বেন।

মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতায় যেসব ন্যাটো মিত্র দেশ কার্যকর সহযোগিতা করেনি, তাদের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প প্রশাসন। ওই ইমেইলে স্পেনকে জোট থেকে বাদ দেয়ার পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের মালিকানাধীন ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের বিষয়ে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের অবস্
৯ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত উদ্বেগজনকভাবে কমে এসেছে, তার মধ্যে রয়েছে প্রিসিশন-স্ট্রাইক ক্ষেপণাস্ত্র, এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরাকে ইরান-সমর্থিত একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রধান হাশিম ফিনিয়ান রহিম আল-সরাজিকে ধরিয়ে দিতে ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) গালফ নিউজের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে ওই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ অন্তত ২৬টি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিএনএনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে