
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

স্পেনের উত্তর আফ্রিকার ছিটমহল সেউতায় (সেউতা) মরক্কো থেকে স্থল ও সমুদ্রপথে হাজারো অভিবাসীর ঢলের পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসছে। স্পেনের সরকার জানিয়েছে, সীমান্ত অতিক্রম করে সেউতায় প্রবেশ করা মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে ৪৮ হাজারের বেশি অভিবাসী স্বেচ্ছায় মরক্কোতে ফিরে গেছেন।
শনিবার (১ আগস্ট) ফ্রান্স২৪-এর খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সেউতা সীমান্ত দিয়ে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ স্পেনের এই ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা (গ্রিনিচ সময় ১৬০০) পর্যন্ত প্রায় ৪৮ হাজার ৩০০ অভিবাসী সীমান্ত পেরিয়ে আবার মরক্কোতে ফিরে গেছেন।
এদিকে আরও মানুষ যাতে সীমান্ত অতিক্রম করে সেউতায় ঢুকতে না পারেন, সে জন্য মরক্কোর নিরাপত্তা বাহিনী সীমান্ত ফটকে জড়ো হওয়া জনতাকে লাঠিপেটা করে এবং টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। ভূমধ্যসাগরের উপকূলে মরক্কোর ভেতরে অবস্থিত স্পেনের ছোট এই ছিটমহলে নতুন করে অভিবাসীদের প্রবেশ ঠেকাতেই তারা এ পদক্ষেপ নেয়।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেউতার পরিস্থিতিকে 'অগ্রহণযোগ্য' বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, "আমাদের (ইউরোপীয়) ইউনিয়নের নিয়ম না মেনে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া যায় না।"
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার ইতালি স্পেনকে ইউরোপের উন্মুক্ত সীমান্তব্যবস্থা শেনজেন অঞ্চল থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করার আহ্বান জানায়। এর জেরে স্পেন ইতালির রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এবং রোমের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক স্বার্থে এই সংকটকে ব্যবহার করার অভিযোগ তোলে।
শুক্রবার ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক ইতালির ওই আহ্বানের প্রতি সমর্থন জানায়। একই সঙ্গে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎস মরক্কোর প্রতি 'অবৈধ অভিবাসীদের অবিলম্বে ফিরিয়ে নেওয়া'র আহ্বান জানান।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেতে ফ্রেডেরিকসেনও বলেন, হাজারো অভিবাসীর সেউতায় প্রবেশের পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচিত স্পেনকে শেনজেনের মুক্ত চলাচল ব্যবস্থার বাইরে রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা।
এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, "এতে কোনো সন্দেহ নেই যে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে হবে এবং শেনজেন সহযোগিতা স্থগিত করাসহ সব ধরনের বিকল্প বিবেচনা করতে হবে। নিয়ন্ত্রণহীন অভিবাসন ইউরোপ এবং ডেনমার্কের জন্য হুমকি।"
এদিকে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, হঠাৎ করে অভিবাসীর এই ঢল সামাল দিতে তারা স্পেনকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে একই সঙ্গে ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা স্পেন সীমান্তে নজরদারি ও তল্লাশি আরও জোরদার করছে।

স্পেনের উত্তর আফ্রিকার ছিটমহল সেউতায় (সেউতা) মরক্কো থেকে স্থল ও সমুদ্রপথে হাজারো অভিবাসীর ঢলের পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসছে। স্পেনের সরকার জানিয়েছে, সীমান্ত অতিক্রম করে সেউতায় প্রবেশ করা মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে ৪৮ হাজারের বেশি অভিবাসী স্বেচ্ছায় মরক্কোতে ফিরে গেছেন।
শনিবার (১ আগস্ট) ফ্রান্স২৪-এর খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সেউতা সীমান্ত দিয়ে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ স্পেনের এই ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা (গ্রিনিচ সময় ১৬০০) পর্যন্ত প্রায় ৪৮ হাজার ৩০০ অভিবাসী সীমান্ত পেরিয়ে আবার মরক্কোতে ফিরে গেছেন।
এদিকে আরও মানুষ যাতে সীমান্ত অতিক্রম করে সেউতায় ঢুকতে না পারেন, সে জন্য মরক্কোর নিরাপত্তা বাহিনী সীমান্ত ফটকে জড়ো হওয়া জনতাকে লাঠিপেটা করে এবং টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। ভূমধ্যসাগরের উপকূলে মরক্কোর ভেতরে অবস্থিত স্পেনের ছোট এই ছিটমহলে নতুন করে অভিবাসীদের প্রবেশ ঠেকাতেই তারা এ পদক্ষেপ নেয়।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেউতার পরিস্থিতিকে 'অগ্রহণযোগ্য' বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, "আমাদের (ইউরোপীয়) ইউনিয়নের নিয়ম না মেনে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া যায় না।"
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার ইতালি স্পেনকে ইউরোপের উন্মুক্ত সীমান্তব্যবস্থা শেনজেন অঞ্চল থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করার আহ্বান জানায়। এর জেরে স্পেন ইতালির রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এবং রোমের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক স্বার্থে এই সংকটকে ব্যবহার করার অভিযোগ তোলে।
শুক্রবার ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক ইতালির ওই আহ্বানের প্রতি সমর্থন জানায়। একই সঙ্গে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎস মরক্কোর প্রতি 'অবৈধ অভিবাসীদের অবিলম্বে ফিরিয়ে নেওয়া'র আহ্বান জানান।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেতে ফ্রেডেরিকসেনও বলেন, হাজারো অভিবাসীর সেউতায় প্রবেশের পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচিত স্পেনকে শেনজেনের মুক্ত চলাচল ব্যবস্থার বাইরে রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা।
এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, "এতে কোনো সন্দেহ নেই যে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে হবে এবং শেনজেন সহযোগিতা স্থগিত করাসহ সব ধরনের বিকল্প বিবেচনা করতে হবে। নিয়ন্ত্রণহীন অভিবাসন ইউরোপ এবং ডেনমার্কের জন্য হুমকি।"
এদিকে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, হঠাৎ করে অভিবাসীর এই ঢল সামাল দিতে তারা স্পেনকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে একই সঙ্গে ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা স্পেন সীমান্তে নজরদারি ও তল্লাশি আরও জোরদার করছে।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে