
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থাপনায় ইরান যদি আর কোনো প্রতিশোধমূলক হামলা চালায়, তবে দেশটির পুরো ‘সাউথ পার্স’ গ্যাসক্ষেত্র ‘বিশাল বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তার নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ হুমকি দিয়েছেন।
পোস্টে ট্রাম্প আরও বলেছেন, ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের আগের হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা কাতার ‘কিছুই জানত না’। তিনি বলেন, ইসরায়েল ওই গ্যাসক্ষেত্রে ‘আর কোনো হামলা চালাবে না’, যদি ইরান ‘সম্পূর্ণ নির্দোষ কাতারের ওপর হামলার সিদ্ধান্ত না নেয়’।
ইরান ও কাতারের যৌথ মালিকানাধীন ‘সাউথ পার্স’ বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র এবং এটি ইরানের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি শক্তির সবচেয়ে বড় উৎস। এই গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলোতে হামলার হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই কাতারের লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘কাতারে গ্যাসক্ষেত্রে ইরান আবার হামলা করলে ইসরায়েলের সহায়তা বা সম্মতি থাকুক আর না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র একাই পুরো সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রকে এমন শক্তিশালী ও প্রচণ্ড মাত্রার বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেবে, যা ইরান এর আগে কখনো দেখেনি বা প্রত্যক্ষ করেনি।’
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এই পর্যায়ের সহিংসতা বা ধ্বংসযজ্ঞের অনুমতি দিতে চাই না। কারণ ইরানের ভবিষ্যতের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে। কিন্তু কাতারের এলএনজি স্থাপনায় যদি আবার হামলা হয়, তবে আমি এটি করতে দ্বিধা করব না।’
ট্রাম্পের এ পোস্টের আগে বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার ভোরে তাদের লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে বেশ কয়েকটি এলএনজি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এতে সেখানে ‘বড় ধরনের আগুন’ লাগার পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থাপনায় ইরান যদি আর কোনো প্রতিশোধমূলক হামলা চালায়, তবে দেশটির পুরো ‘সাউথ পার্স’ গ্যাসক্ষেত্র ‘বিশাল বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তার নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ হুমকি দিয়েছেন।
পোস্টে ট্রাম্প আরও বলেছেন, ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের আগের হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা কাতার ‘কিছুই জানত না’। তিনি বলেন, ইসরায়েল ওই গ্যাসক্ষেত্রে ‘আর কোনো হামলা চালাবে না’, যদি ইরান ‘সম্পূর্ণ নির্দোষ কাতারের ওপর হামলার সিদ্ধান্ত না নেয়’।
ইরান ও কাতারের যৌথ মালিকানাধীন ‘সাউথ পার্স’ বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র এবং এটি ইরানের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি শক্তির সবচেয়ে বড় উৎস। এই গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলোতে হামলার হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই কাতারের লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘কাতারে গ্যাসক্ষেত্রে ইরান আবার হামলা করলে ইসরায়েলের সহায়তা বা সম্মতি থাকুক আর না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র একাই পুরো সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রকে এমন শক্তিশালী ও প্রচণ্ড মাত্রার বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেবে, যা ইরান এর আগে কখনো দেখেনি বা প্রত্যক্ষ করেনি।’
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এই পর্যায়ের সহিংসতা বা ধ্বংসযজ্ঞের অনুমতি দিতে চাই না। কারণ ইরানের ভবিষ্যতের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে। কিন্তু কাতারের এলএনজি স্থাপনায় যদি আবার হামলা হয়, তবে আমি এটি করতে দ্বিধা করব না।’
ট্রাম্পের এ পোস্টের আগে বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার ভোরে তাদের লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে বেশ কয়েকটি এলএনজি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এতে সেখানে ‘বড় ধরনের আগুন’ লাগার পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ইজাদি বলেন, ইরান প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার স্থলসীমান্ত দ্বারা বেষ্টিত, যা বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে সৌদি আরব সফর করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) জেদ্দায় তিনি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।
৫ ঘণ্টা আগে
বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে দেবে, যা শেষ পর্যন্ত খাদ্যের দাম বাড়াবে এবং নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে। যেসব দেশ খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল, তারা এই ধাক্কা সবচেয়ে বেশি অনুভব করবে।
৭ ঘণ্টা আগে
র্যাচেল রিভস বলেন, ‘প্রশ্নটি হলো না আপনি ইরান সরকারকে পছন্দ করেন কি না। ব্যক্তিগতভাবে আমি তাদের একেবারেই পছন্দ করি না। কিন্তু মূল প্রশ্ন হলো, আপনি যে পরিবর্তন চান তা কীভাবে অর্জন করবেন।’
৮ ঘণ্টা আগে