
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লিবিয়ার বৃহত্তম তেল শোধনাগার জাওয়িয়ার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে শোধনাগারটির আশপাশে সংঘাত শুরু হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা।
রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত জাওয়িয়া শোধনাগারের দৈনিক তেল পরিশোধন সক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল। এটি দৈনিক ৩ লাখ ব্যারেল উৎপাদনক্ষম শারারা তেলক্ষেত্রের সঙ্গে সংযুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
লিবিয়ার ন্যাশনাল অয়েল করপোরেশন (এনওসি) ও জাওয়িয়া রিফাইনিং কোম্পানি জানিয়েছে, ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে শোধনাগারের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তেল কমপ্লেক্স ও বন্দর এলাকা থেকে কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে দাবি করেছে এনওসি।
কোম্পানির এক বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার ভোরে তেল কমপ্লেক্সের চারপাশে ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হলে বিপদ সংকেত (অ্যালার্ম সাইরেন) বাজানো হয়। এ সময় কমপ্লেক্সের ভেতরে একাধিক স্থানে গোলা পড়ার ঘটনাও ঘটে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংঘর্ষ তীব্র হয়ে শোধনাগার সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, ফলে ওই অঞ্চল ভারী গোলাবর্ষণের ঝুঁকিতে পড়ে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সশস্ত্র অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে একটি বড় অভিযান শুরু করেছে। এ সময় ব্যাপক গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। অভিযানে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি, মাদক ও মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
আল-জাজিরার যাচাইকৃত ভিডিও ফুটেজে শোধনাগারের ভেতরে বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির দৃশ্য দেখা গেছে। এতে কয়েকটি যানবাহন ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সাইরেন বাজতে শোনা যায়।
জাওয়িয়া রিফাইনিং কোম্পানি সব পক্ষকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লিবীয় কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সশস্ত্র সংঘাত চলমান। বর্তমানে দেশটি দুই ভাগে বিভক্ত— ত্রিপোলিভিত্তিক অন্তর্বর্তী সরকার এবং পূর্বাঞ্চল নিয়ন্ত্রিত খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন।
সাম্প্রতিক এই সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে নিরাপত্তা অভিযানের পরপরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষে রূপ নেয়।

লিবিয়ার বৃহত্তম তেল শোধনাগার জাওয়িয়ার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে শোধনাগারটির আশপাশে সংঘাত শুরু হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা।
রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত জাওয়িয়া শোধনাগারের দৈনিক তেল পরিশোধন সক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল। এটি দৈনিক ৩ লাখ ব্যারেল উৎপাদনক্ষম শারারা তেলক্ষেত্রের সঙ্গে সংযুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
লিবিয়ার ন্যাশনাল অয়েল করপোরেশন (এনওসি) ও জাওয়িয়া রিফাইনিং কোম্পানি জানিয়েছে, ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে শোধনাগারের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তেল কমপ্লেক্স ও বন্দর এলাকা থেকে কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে দাবি করেছে এনওসি।
কোম্পানির এক বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার ভোরে তেল কমপ্লেক্সের চারপাশে ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হলে বিপদ সংকেত (অ্যালার্ম সাইরেন) বাজানো হয়। এ সময় কমপ্লেক্সের ভেতরে একাধিক স্থানে গোলা পড়ার ঘটনাও ঘটে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংঘর্ষ তীব্র হয়ে শোধনাগার সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, ফলে ওই অঞ্চল ভারী গোলাবর্ষণের ঝুঁকিতে পড়ে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সশস্ত্র অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে একটি বড় অভিযান শুরু করেছে। এ সময় ব্যাপক গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। অভিযানে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি, মাদক ও মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
আল-জাজিরার যাচাইকৃত ভিডিও ফুটেজে শোধনাগারের ভেতরে বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির দৃশ্য দেখা গেছে। এতে কয়েকটি যানবাহন ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সাইরেন বাজতে শোনা যায়।
জাওয়িয়া রিফাইনিং কোম্পানি সব পক্ষকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লিবীয় কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সশস্ত্র সংঘাত চলমান। বর্তমানে দেশটি দুই ভাগে বিভক্ত— ত্রিপোলিভিত্তিক অন্তর্বর্তী সরকার এবং পূর্বাঞ্চল নিয়ন্ত্রিত খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন।
সাম্প্রতিক এই সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে নিরাপত্তা অভিযানের পরপরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষে রূপ নেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে