কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা জানচ্ছে, রোববার ভোরে ঘণ্টাব্যাপী এই হামলায় কিয়েভের অন্তত ছয়টি জেলায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এতে একজন নিহত এবং অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন।
গত সপ্তাহে ট্রাম্প আলাদাভাবে পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। পরে বুধবার ন্যাটো সম্মেলনে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক শেষে জেলেনস্কি জানান, সেখানে ‘শান্তিকে আরও কাছে নিয়ে আসার বিভিন্ন ধারণা’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সেন্ট পিটার্সবার্গের গভর্নর আলেকসান্দর বেগলভ জানান, শহরটি 'বড় ধরনের' ড্রোন হামলার মুখে পড়ে এবং তিনি তেল টার্মিনালে আঘাতের কথা স্বীকার করেছেন। তবে বলেছেন, এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানিয়েছেন, এই হামলায় আরও অন্তত ৯২ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন প্রায় ৯০ জন, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। হামলার পর শুক্রবারকে কিয়েভে শোক দিবস ঘোষণা করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং দুই শিশুসহ ৫৬ জন আহত হয়েছেন। হামলায় বেশকিছু আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, একটি নয়তলা ভবনের অংশ ধসে পড়েছে এবং শহরের একটি কেন্দ্রীয় সড়কের হোটেলে আগুন লেগেছে।
ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মুক্ত হওয়া তাদের ১৬০ জন সেনার সবাই ২০২২ সাল থেকে রাশিয়ার কাছে বন্দি ছিলেন। তারা ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী, ন্যাশনাল গার্ড, স্টেট বর্ডার গার্ড সার্ভিস এবং স্টেট স্পেশাল ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসের সদস্য। এই যোদ্ধারা মারিউপোল, আজভস্তাল, দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খারকিভ, জাপোরিঝিয়া,
ইউক্রেনের ব্যাপক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে একদিনে ৮৪টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ। এর জেরে রাজধানীর চারটি প্রধান বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। অন্যদিকে রাশিয়ার পালটা হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ বছর বয়সী এক
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) শেষ রাত পর্যন্ত রাশিয়ার রাজধানীর দিকে ধেয়ে আসা অন্তত ১৯৪টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী।
ইরান যুদ্ধ চলাকালীন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘নিরপেক্ষ’ ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নস্যাৎ করার ক্ষেত্রে এই দুই বিশ্বনেতা মার্কিন প্রচেষ্টায় কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেনন
রাশিয়ার বার্ষিক অর্থনৈতিক ফোরামের সমাপনী দিনে এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ। আঞ্চলিক গভর্নর আলেকজান্ডার দ্রোজদেন্দো জানিয়েছেন, সেন্ট পিটার্সবার্গের চারপাশের লেনিনগ্রাদ অঞ্চলে আকাশেই ১৪০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উদ্দেশে লেখা এই চিঠিতে জেলেনস্কি পুতিনকে সরাসরি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এই খোলা চিঠি নিয়ে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) আকস্মিক বায়ু নিঃসরণের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। এর জেরে আজ শুক্রবার স্টেশনে অবস্থানরত মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার নভোচারীদের জরুরি ভিত্তিতে নিজ নিজ স্পেসক্রাফটের (মহাকাশযান) ভেতরে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কয়েক মাস ধরে ‘ইউক্রেন সাপোর্ট অ্যাক্ট’ নামের এই বিলটি পাসের অপেক্ষায় ঝুলে ছিল। সাধারণত প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকারের অনুমতি ছাড়া কোনো বিল ভোটাভুটির জন্য তোলা যায় না। তবে এবার এক অভিনব পন্থায় কয়েকজন রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে মিলে একটি বিশেষ আবেদনে (ডিসচার্জ পিটিশন) সই করলে বিলটি ভোটাভুটির জ
জেলেনস্কি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মনোযোগ ইরান-সংকটের দিকে কেন্দ্রীভূত। এ অবস্থায় ইউরোপের যুদ্ধ আবার ওয়াশিংটনের অগ্রাধিকার তালিকায় ফিরে আসার অপেক্ষায় বসে থাকা সঠিক হবে না। তিনি লিখেছেন, ‘ইউরোপের যুদ্ধ আবার আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রে ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভুল হবে।’
ইউক্রেন জুড়ে আবারও ভয়াবহ ও নৃশংস হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। গতকাল রাতভর চালানো এই হামলায় রাশিয়া ৬০০টিরও বেশি ড্রোন ও ৭৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের বিমান বাহিনী। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার এই হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ।