
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পশ্চিম তীরের কুসরা গ্রামে ফিলিস্তিনিদের আরও কয়েকটি বাড়ি দখলে নিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। তারা ছয়টি বাড়ির ভেতরে অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রামটির মেয়র আবেদ আল-আথেম ওয়াদি। এর আগে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা জমি ছাড়তে বাধ্য করতে ওই গ্রামের কয়েকটি ফিলিস্তিনি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সপ্তাহের শুরুতে কুসরায় এই অবরোধ শুরু হয়। ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা গ্রামের তিনটি বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেয় এবং বাড়িগুলোর সামনের উঠানে একটি তাঁবু স্থাপন করে। এরপর তারা কাউকে বাড়িগুলোতে ঢুকতে বা বের হতে দেয়নি। এর আগে বাড়িগুলোর বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
কুসরার মেয়র আবেদ আল-আথেম ওয়াদি বলেন, গ্রামের ছয়টি বাড়ি খালি করে সেখানে ইসরায়েলি সেনারা অবস্থান নিয়েছে। এর মধ্যে পাহাড়ের ওপর অবরুদ্ধ করে রাখা তিনটি বাড়িও রয়েছে। অবরুদ্ধ থাকা দুই পরিবারের সদস্যদের একটি বাড়িতে একসঙ্গে রাখা হয়েছে।
রয়টার্সের ছবিতে একটি বাড়ির বাইরে কয়েকজন ইসরায়েলি সেনাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, সেনারা পরিবারগুলোর সদস্যদের বলেছে, কুসরায় তাদের অভিযান রোববার পর্যন্ত চলতে পারে।

এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, বাসিন্দাদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কুসরায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কুসরার বাসিন্দারা যেন নিজেদের বাড়িতে অবস্থান করেন।
সামরিক বাহিনী আরও জানায়, সরিয়ে ফেলা ও ভেঙে দেওয়া তাঁবুটি যেখানে স্থাপন করা হয়েছিল, তার কাছের ফিলিস্তিনি পরিবারের বাড়ির ভেতরে সেনারা অভিযান চালাবে না। তবে সামরিক বাহিনী ঠিক কোন তিনটি বাড়ির কথা বলছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হয়নি।
বৃহস্পতিবার এর আগে ইসরায়েলি সেনারা বসতি স্থাপনকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এর এক দিন পর সামরিক বাহিনী জানায়, এলাকায় আরও সেনা পাঠানো হয়েছে। তাদের লক্ষ্য ‘প্রতিরক্ষামূলক অভিযান ও টহল পরিচালনা করে নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং এলাকাটি সুরক্ষিত রাখা’।

জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে জানায়, দুই শিশুসহ প্রায় ১৫ জন ফিলিস্তিনি ‘আতঙ্কের মধ্যে নিজেদের বাড়ির ভেতরে আটকা’ রয়েছেন। তারা নিজেদের প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারছেন না। পানি ও বিদ্যুতেরও কোনো সুযোগ পাচ্ছেন না তারা।
সপ্তাহের শুরুর দিকে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সবুজ সামরিক পোশাক পরা কয়েকজন ইসরায়েলি ব্যক্তি একটি তাঁবুতে বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে সকালের প্রার্থনায় অংশ নিচ্ছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এতে জড়িত সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ইসরায়েলের ডানপন্থি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের আমলে পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ দ্রুত বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বসতি স্থাপনকারীদের মাধ্যমে বেআইনিভাবে জমি দখল বন্ধ করতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ওপর চাপও বাড়ছে।
অবরুদ্ধ থাকা দুই পরিবার জানিয়েছে, তাদের কাছে খাবার ও ওষুধ নেই। বসতি স্থাপনকারীরা তাদের সম্পত্তি নষ্ট করছে, বাড়িতে পাথর ছুড়ছে এবং তাদের উদ্দেশে অপমানজনক ভাষায় গালাগাল করছে।

অবরুদ্ধ একটি বাড়িতে থাকা ফিলিস্তিনি কুসাই আবু রিদা বলেন, ‘খাবার ও ওষুধ নিশ্চিত করতে আমরা সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং প্রত্যেক স্বাধীন ও সম্মানিত মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন করছি।’ বাড়িটি তার ভাইয়ের। তার ভাই যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে থাকেন এবং মার্কিন নাগরিক। আবু রিদা জানান, অবরুদ্ধ দুই পরিবারের সদস্যরা তিনটি বাড়ির একটি বাড়িতে একসঙ্গে অবস্থান করছেন।
ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বলেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও পুলিশ ‘আমাদের অনুরোধে সেখানে গিয়ে এসব কাজ করা ইসরায়েলি সন্ত্রাসীদের সরিয়ে দিয়েছে’। তিনি বলেন, ‘এই পরিবারের বাড়ির সঙ্গে যারা এমন আচরণ করছে, তাদের কর্মকাণ্ড অপরাধ।’
ফিলিস্তিনিরা বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় বসতি স্থাপনকারীরা দায়মুক্তির সঙ্গে জমি ও সম্পদ দখল করে নিচ্ছে। এমনকি যেসব এলাকায় ইসরায়েলের দেওয়া মালিকানার নথি রয়েছে, সেখানেও এ ধরনের দখল হচ্ছে।
কুসরার মতো গ্রামের প্রান্তবর্তী এলাকায় বসতি স্থাপনকারীদের জমি দখলের ঘটনা বিশেষভাবে বেশি ঘটে। কুসরা এমন একটি এলাকায় অবস্থিত, যেখানে নিরাপত্তার ওপর ইসরায়েলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ইসরায়েল পশ্চিম তীর দখল করে নেয়। বর্তমানে ওই এলাকায় প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি এবং ৫ লাখ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী বসবাস করেন। ইসরায়েলি বসতি পর্যবেক্ষণকারী সংগঠন পিস নাউয়ের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম তীরে প্রায় ১৪৬টি ইসরায়েলি বসতি এবং আরও ৩৯০টি ছোট বসতি-চৌকি রয়েছে।
এর আগে জুলাই মাসে কুসরার কাছের জালুদ গ্রামেও বসতি স্থাপনকারীরা একটি ফিলিস্তিনি বাড়ি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ঘিরে রাখেন। পরে বাড়ির মালিকেরা সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য হন। এরপর বসতি স্থাপনকারীরা বাড়িটি দখল করে নেন এবং এখনো সেখানে অবস্থান করছেন।
মঙ্গলবার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার উপসমন্বয়ক রামিজ আলাকবারভ বলেন, ‘বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে।’ তিনি সাম্প্রতিক সহিংসতার ‘ভয়াবহ মানবিক ক্ষয়ক্ষতি’র কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে নাবলুস গভর্নরেট সহিংসতায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী বা বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ৭৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৮টি শিশু। একই সময়ে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংঘর্ষে এবং পশ্চিম তীরে এক ফিলিস্তিনির চালানো কথিত গাড়ি হামলায় তিন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন বেসামরিক নাগরিক।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে পশ্চিম তীরের ১২৭টি ফিলিস্তিনি সম্প্রদায় পুরোপুরি বা আংশিকভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে ৪৭টি সম্প্রদায়ের সবাইকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে ৬ হাজার ৩৯০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
জাতিসংঘের হিসাবে, ২০২৬ সালে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা, বাড়িঘর ধ্বংস ও উচ্ছেদের কারণে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। তাদের প্রায় অর্ধেকই শিশু।

পশ্চিম তীরের কুসরা গ্রামে ফিলিস্তিনিদের আরও কয়েকটি বাড়ি দখলে নিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। তারা ছয়টি বাড়ির ভেতরে অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রামটির মেয়র আবেদ আল-আথেম ওয়াদি। এর আগে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা জমি ছাড়তে বাধ্য করতে ওই গ্রামের কয়েকটি ফিলিস্তিনি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সপ্তাহের শুরুতে কুসরায় এই অবরোধ শুরু হয়। ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা গ্রামের তিনটি বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেয় এবং বাড়িগুলোর সামনের উঠানে একটি তাঁবু স্থাপন করে। এরপর তারা কাউকে বাড়িগুলোতে ঢুকতে বা বের হতে দেয়নি। এর আগে বাড়িগুলোর বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
কুসরার মেয়র আবেদ আল-আথেম ওয়াদি বলেন, গ্রামের ছয়টি বাড়ি খালি করে সেখানে ইসরায়েলি সেনারা অবস্থান নিয়েছে। এর মধ্যে পাহাড়ের ওপর অবরুদ্ধ করে রাখা তিনটি বাড়িও রয়েছে। অবরুদ্ধ থাকা দুই পরিবারের সদস্যদের একটি বাড়িতে একসঙ্গে রাখা হয়েছে।
রয়টার্সের ছবিতে একটি বাড়ির বাইরে কয়েকজন ইসরায়েলি সেনাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, সেনারা পরিবারগুলোর সদস্যদের বলেছে, কুসরায় তাদের অভিযান রোববার পর্যন্ত চলতে পারে।

এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, বাসিন্দাদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কুসরায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কুসরার বাসিন্দারা যেন নিজেদের বাড়িতে অবস্থান করেন।
সামরিক বাহিনী আরও জানায়, সরিয়ে ফেলা ও ভেঙে দেওয়া তাঁবুটি যেখানে স্থাপন করা হয়েছিল, তার কাছের ফিলিস্তিনি পরিবারের বাড়ির ভেতরে সেনারা অভিযান চালাবে না। তবে সামরিক বাহিনী ঠিক কোন তিনটি বাড়ির কথা বলছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হয়নি।
বৃহস্পতিবার এর আগে ইসরায়েলি সেনারা বসতি স্থাপনকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এর এক দিন পর সামরিক বাহিনী জানায়, এলাকায় আরও সেনা পাঠানো হয়েছে। তাদের লক্ষ্য ‘প্রতিরক্ষামূলক অভিযান ও টহল পরিচালনা করে নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং এলাকাটি সুরক্ষিত রাখা’।

জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে জানায়, দুই শিশুসহ প্রায় ১৫ জন ফিলিস্তিনি ‘আতঙ্কের মধ্যে নিজেদের বাড়ির ভেতরে আটকা’ রয়েছেন। তারা নিজেদের প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারছেন না। পানি ও বিদ্যুতেরও কোনো সুযোগ পাচ্ছেন না তারা।
সপ্তাহের শুরুর দিকে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সবুজ সামরিক পোশাক পরা কয়েকজন ইসরায়েলি ব্যক্তি একটি তাঁবুতে বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে সকালের প্রার্থনায় অংশ নিচ্ছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এতে জড়িত সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ইসরায়েলের ডানপন্থি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের আমলে পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ দ্রুত বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বসতি স্থাপনকারীদের মাধ্যমে বেআইনিভাবে জমি দখল বন্ধ করতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ওপর চাপও বাড়ছে।
অবরুদ্ধ থাকা দুই পরিবার জানিয়েছে, তাদের কাছে খাবার ও ওষুধ নেই। বসতি স্থাপনকারীরা তাদের সম্পত্তি নষ্ট করছে, বাড়িতে পাথর ছুড়ছে এবং তাদের উদ্দেশে অপমানজনক ভাষায় গালাগাল করছে।

অবরুদ্ধ একটি বাড়িতে থাকা ফিলিস্তিনি কুসাই আবু রিদা বলেন, ‘খাবার ও ওষুধ নিশ্চিত করতে আমরা সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং প্রত্যেক স্বাধীন ও সম্মানিত মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন করছি।’ বাড়িটি তার ভাইয়ের। তার ভাই যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে থাকেন এবং মার্কিন নাগরিক। আবু রিদা জানান, অবরুদ্ধ দুই পরিবারের সদস্যরা তিনটি বাড়ির একটি বাড়িতে একসঙ্গে অবস্থান করছেন।
ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বলেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও পুলিশ ‘আমাদের অনুরোধে সেখানে গিয়ে এসব কাজ করা ইসরায়েলি সন্ত্রাসীদের সরিয়ে দিয়েছে’। তিনি বলেন, ‘এই পরিবারের বাড়ির সঙ্গে যারা এমন আচরণ করছে, তাদের কর্মকাণ্ড অপরাধ।’
ফিলিস্তিনিরা বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় বসতি স্থাপনকারীরা দায়মুক্তির সঙ্গে জমি ও সম্পদ দখল করে নিচ্ছে। এমনকি যেসব এলাকায় ইসরায়েলের দেওয়া মালিকানার নথি রয়েছে, সেখানেও এ ধরনের দখল হচ্ছে।
কুসরার মতো গ্রামের প্রান্তবর্তী এলাকায় বসতি স্থাপনকারীদের জমি দখলের ঘটনা বিশেষভাবে বেশি ঘটে। কুসরা এমন একটি এলাকায় অবস্থিত, যেখানে নিরাপত্তার ওপর ইসরায়েলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ইসরায়েল পশ্চিম তীর দখল করে নেয়। বর্তমানে ওই এলাকায় প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি এবং ৫ লাখ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী বসবাস করেন। ইসরায়েলি বসতি পর্যবেক্ষণকারী সংগঠন পিস নাউয়ের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম তীরে প্রায় ১৪৬টি ইসরায়েলি বসতি এবং আরও ৩৯০টি ছোট বসতি-চৌকি রয়েছে।
এর আগে জুলাই মাসে কুসরার কাছের জালুদ গ্রামেও বসতি স্থাপনকারীরা একটি ফিলিস্তিনি বাড়ি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ঘিরে রাখেন। পরে বাড়ির মালিকেরা সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য হন। এরপর বসতি স্থাপনকারীরা বাড়িটি দখল করে নেন এবং এখনো সেখানে অবস্থান করছেন।
মঙ্গলবার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার উপসমন্বয়ক রামিজ আলাকবারভ বলেন, ‘বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে।’ তিনি সাম্প্রতিক সহিংসতার ‘ভয়াবহ মানবিক ক্ষয়ক্ষতি’র কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে নাবলুস গভর্নরেট সহিংসতায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী বা বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ৭৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৮টি শিশু। একই সময়ে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংঘর্ষে এবং পশ্চিম তীরে এক ফিলিস্তিনির চালানো কথিত গাড়ি হামলায় তিন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন বেসামরিক নাগরিক।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে পশ্চিম তীরের ১২৭টি ফিলিস্তিনি সম্প্রদায় পুরোপুরি বা আংশিকভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে ৪৭টি সম্প্রদায়ের সবাইকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে ৬ হাজার ৩৯০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
জাতিসংঘের হিসাবে, ২০২৬ সালে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা, বাড়িঘর ধ্বংস ও উচ্ছেদের কারণে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। তাদের প্রায় অর্ধেকই শিশু।

দুর্ঘটনার পরপরই ফোর্ট হুডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং স্থানীয় জরুরি সেবা সংস্থার কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ শুরু করেন। তবে দুর্ঘটনার সময়ে হেলিকপ্টারটি ঠিক কী ধরনের কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিল, সে বিষয়ে সামরিক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
১৪ ঘণ্টা আগে
গত মে মাসে ভিভিয়ানা নামের দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের মা হন ২৭ বছর বয়সি ক্যারোলিন লেভিট। মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে তিনি হোয়াইট হাউসের কাজে ফিরেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি এক বিবৃতিতে তিনি জানান, হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত পদে কাজ করার কা
১৪ ঘণ্টা আগে
অবরুদ্ধ পরিবার দুটির সদস্যরা জানিয়েছেন, তাদের খাবার, পানি ও বিদ্যুতের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। খাবারের যে মজুত ছিল, তাও ফুরিয়ে আসছে। এ অবস্থায় তাদের রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
১ দিন আগে
পরে বুধবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দীপকে বলেন, ‘ইনস্টাগ্রামে অনেকেই মন্তব্য করে জানতে চাইছেন, যন্তর মন্তর সিজন-টু কবে আসছে। তাদের আমি জানাতে চাই, খুব শিগগিরই যন্তর মন্তর সিজন-টু আসছে।’
১ দিন আগে