
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা সুবিধা আরও সংকুচিত করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। নতুন নির্দেশনায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখাকালীন সময়ে তাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে আসার পথ বন্ধ হতে চলেছে। একই সঙ্গে অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তনের সুযোগও আরও কঠোর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটি।
বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। মূলত দেশে নিট আন্তর্জাতিক অভিবাসন কমানোর কৌশলগত অংশ হিসেবেই সরকারের এই কঠোর উদ্যোগ।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কের সাম্প্রতিক এক বক্তব্য থেকে জানা যায়, ২০২৮ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় নিট বিদেশি অভিবাসীর সংখ্যা কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বর্তমানে প্রায় ৩ লাখের কাছাকাছি।
বিদ্যমান নীতি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গী নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে পার্ট-টাইম কাজ করার সুযোগ পেতেন এবং তাদের ১৮ বছরের কম বয়সী সন্তানদেরও সাথে রাখা যেত। কিন্তু সরকারের প্রস্তাবিত এই নতুন নিয়ম চূড়ান্ত হলে সেই সুবিধা আর থাকছে না।
অস্ট্রেলিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত চাপের পেছনে অতিরিক্ত অভিবাসীকে দায়ী করে আসছে রাজনৈতিক দল ও বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে কট্টর-ডানপন্থী দল 'ওয়ান নেশন'-এর পক্ষ থেকে অস্থায়ী অভিবাসী কমানোর জোর দাবির মুখে সরকার দ্রুত এই নীতি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়েছে।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ায় নিট অভিবাসন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ১৮ হাজারে পৌঁছেছিল। পরবর্তী সময়ে নীতিগত কড়াকড়ির ফলে ২০২৪ সালে তা কমে ৪ লাখ ২৯ হাজারে নেমে আসে। সেই ধারাবাহিকতায় অভিবাসন চাপ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতেই এখন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও তাদের ওপর নির্ভরশীলদের ওপর নতুন এই ভিসা কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা সুবিধা আরও সংকুচিত করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। নতুন নির্দেশনায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখাকালীন সময়ে তাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে আসার পথ বন্ধ হতে চলেছে। একই সঙ্গে অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তনের সুযোগও আরও কঠোর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটি।
বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। মূলত দেশে নিট আন্তর্জাতিক অভিবাসন কমানোর কৌশলগত অংশ হিসেবেই সরকারের এই কঠোর উদ্যোগ।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কের সাম্প্রতিক এক বক্তব্য থেকে জানা যায়, ২০২৮ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় নিট বিদেশি অভিবাসীর সংখ্যা কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বর্তমানে প্রায় ৩ লাখের কাছাকাছি।
বিদ্যমান নীতি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গী নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে পার্ট-টাইম কাজ করার সুযোগ পেতেন এবং তাদের ১৮ বছরের কম বয়সী সন্তানদেরও সাথে রাখা যেত। কিন্তু সরকারের প্রস্তাবিত এই নতুন নিয়ম চূড়ান্ত হলে সেই সুবিধা আর থাকছে না।
অস্ট্রেলিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত চাপের পেছনে অতিরিক্ত অভিবাসীকে দায়ী করে আসছে রাজনৈতিক দল ও বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে কট্টর-ডানপন্থী দল 'ওয়ান নেশন'-এর পক্ষ থেকে অস্থায়ী অভিবাসী কমানোর জোর দাবির মুখে সরকার দ্রুত এই নীতি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়েছে।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ায় নিট অভিবাসন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ১৮ হাজারে পৌঁছেছিল। পরবর্তী সময়ে নীতিগত কড়াকড়ির ফলে ২০২৪ সালে তা কমে ৪ লাখ ২৯ হাজারে নেমে আসে। সেই ধারাবাহিকতায় অভিবাসন চাপ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতেই এখন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও তাদের ওপর নির্ভরশীলদের ওপর নতুন এই ভিসা কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে যুক্তরাষ্ট্রের আনুমানিক ৩৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বা তিন হাজার ৩৪০ ডলার খরচ হয়েছে। এর মধ্যে শুধু গোলাবারুদ ও অস্ত্র ব্যবহারেই ব্যয় হয়েছে ২২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহারের ফলে মার্
১৩ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমারে সামরিক জান্তার কাছে গ্রাহকদের তথ্য হস্তান্তর ও নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা নজরদারি সরঞ্জাম বিক্রির অভিযোগে নরওয়ের টেলিযোগাযোগ কোম্পানি টেলিনরের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক তদন্ত শুরু করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কোম্পানিটির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তার অভিযোগও আনা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়া কোনো পক্ষেরই স্বার্থে নয়। তাই দুই দেশকে ‘যৌক্তিক ও সংযত’ থাকার পাশাপাশি জুনে সই হওয়া ইসলামাবাদ সমঝোতায় ফিরে যেতে হবে। একই সঙ্গে এতদিনের আলোচনায় যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে, তার ভিত্তিতে নতুন করে আলোচনা কাঠামো গড়ে তুলে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোত
১৫ ঘণ্টা আগে
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংঘর্ষে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হলেও পাকিস্তানি নৌযানের এই আচরণ ১৯৯১ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির ১০ নম্বর ধারার সরাসরি পরিপন্থি। ওই চুক্তিতে সামরিক মহড়া, সামরিক গতিবিধি ও সেনা চলাচলের বিষয়ে আগাম তথ্য দেওয়ার বিধান রয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে