হাসিনাকে দেওয়া ডিগ্রি বাতিলের চিন্তা অস্ট্রেলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২৫, ২১: ০১

গণহত্যা ও গুমের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে দেয়া সম্মানসূচক আইন ডিগ্রি বাতিলের বিষয়ে বিশদ পর্যালোচনা করছে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ বিশ্বদ্যালয়। তবে পর্যালোচনার পরই তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে।

বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির কয়েকদিন পর এই ঘোষণা আছে।

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালান পলাতক স্বৈরাচার শেখ হাসিনা। এরপর গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন হাসিনা। তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবেদন দিয়েছে জাতিসংঘ। ওই রিপোর্টে তার বিরুদ্ধে ১৪ শ'র বেশি মানুষকে হত্যা ও হত্যায় প্রত্যক্ষ যুক্ত থাকার বিষয়টি তুলে আনা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (এএনইউ) জানিয়েছে, ডিগ্রি বাতিলের মতো ঘটনা তাদের সাম্প্রতিক ইতিহাসে ঘটেনি। এমন কোনও পদ্ধতিগত নজিরও এখন পর্যন্ত বিদ্যমান নেই। তবে বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে এই ধরনের সিদ্ধান্তের জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্যে কাজ করছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশের পুলিশ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির জন্য আবেদন করেছে। এই রেড নোটিশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে কাউকে খুঁজে বের করে প্রাথমিকভাবে গ্রেপ্তারের অনুরোধ জানানো হয়, যাতে পরবর্তীতে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

মার্কিন রণতরি লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা ইরানি ড্রোন ধ্বংস করল যুক্তরাষ্ট্র

১ দিন আগে

গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলামকে গুলি করে হত্যা

১ দিন আগে

পাকিস্তানে রণক্ষেত্র, ২২ সেনাসহ ২৫৫ জন নিহত

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সদস্যরা নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমিকসহ অন্তত ১৮ জন নিরীহ নাগরিককে হত্যা করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল বেলুচিস্তানের স্বাভাবিক জীবন ও উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করা।

১ দিন আগে

এপস্টেইন নথিতে নরওয়েজীয় কূটনীতিকের ভারতবিরোধী মন্তব্য, নেটদুনিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া

জেফরি এপস্টেইন ছিলেন একজন প্রভাবশালী মার্কিন অর্থদাতা। তাঁর সঙ্গে বিশ্বের অনেক বড় বড় নেতা ও ব্যবসায়ীর সম্পর্ক ছিল। ২০০৫ সালে এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে প্রথম তদন্ত শুরু হয়। ২০০৮ সালে তিনি নাবালিকাকে দেহব্যবসায় বাধ্য করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন এবং ১৮ মাসের জেল খাটেন।

২ দিন আগে