
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি গোষ্ঠী সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে। হুতিদের দাবি, সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বোমাবর্ষণের জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। চার বছর ধরে চলা অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির পর এটিই সৌদি ভূখণ্ডে হুতিদের প্রথম হামলার দাবি।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, হুতিদের ছোড়া কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে যাওয়ার সময় প্রতিহত করা হয়েছে।
তবে হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারির দাবি, তারা সৌদি আরবের আসির প্রদেশের রাজধানী আবাহ শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ইয়েমেন সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত এই অঞ্চলটি সৌদির দক্ষিণাঞ্চলে।
এর আগে ২০২২ সালে সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছিল হুতিরা। এরপর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। সোমবারের হামলার মধ্য দিয়ে সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
হুতিরা জানিয়েছে, সানা বিমানবন্দরের ওপর ‘অবরোধ’ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত সৌদি আকাশসীমা ব্যবহার না করতে বিমান সংস্থাগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। তারা সৌদি হামলাকে ‘নির্লজ্জ আগ্রাসন’ আখ্যা দিয়ে যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
তবে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার সানা বিমানবন্দরে হামলার দায় স্বীকার করেছে। সৌদি সমর্থিত এই সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানি একটি উড়োজাহাজ সানা বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টা করায় রানওয়েকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এটি ইয়েমেনের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।
ইরানি উড়োজাহাজটি পরে হুতিদের নিয়ন্ত্রিত হোদেইদাহ বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে বলে জানিয়েছে হুতি বাহিনী। বিমানটিতে থাকা হুতি নেতারা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নিয়ে দেশে ফিরছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে সৌদি আরবের দক্ষিণ সীমান্তে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়তে পারে। এর আগে যুদ্ধ চলাকালে হুতিরা সৌদি বন্দর ও জাহাজ লক্ষ্য করেও হামলা চালিয়েছিল।
রাজনীতি/আরআইআর

ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি গোষ্ঠী সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে। হুতিদের দাবি, সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বোমাবর্ষণের জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। চার বছর ধরে চলা অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির পর এটিই সৌদি ভূখণ্ডে হুতিদের প্রথম হামলার দাবি।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, হুতিদের ছোড়া কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে যাওয়ার সময় প্রতিহত করা হয়েছে।
তবে হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারির দাবি, তারা সৌদি আরবের আসির প্রদেশের রাজধানী আবাহ শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ইয়েমেন সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত এই অঞ্চলটি সৌদির দক্ষিণাঞ্চলে।
এর আগে ২০২২ সালে সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছিল হুতিরা। এরপর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। সোমবারের হামলার মধ্য দিয়ে সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
হুতিরা জানিয়েছে, সানা বিমানবন্দরের ওপর ‘অবরোধ’ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত সৌদি আকাশসীমা ব্যবহার না করতে বিমান সংস্থাগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। তারা সৌদি হামলাকে ‘নির্লজ্জ আগ্রাসন’ আখ্যা দিয়ে যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
তবে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার সানা বিমানবন্দরে হামলার দায় স্বীকার করেছে। সৌদি সমর্থিত এই সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানি একটি উড়োজাহাজ সানা বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টা করায় রানওয়েকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এটি ইয়েমেনের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।
ইরানি উড়োজাহাজটি পরে হুতিদের নিয়ন্ত্রিত হোদেইদাহ বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে বলে জানিয়েছে হুতি বাহিনী। বিমানটিতে থাকা হুতি নেতারা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নিয়ে দেশে ফিরছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে সৌদি আরবের দক্ষিণ সীমান্তে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়তে পারে। এর আগে যুদ্ধ চলাকালে হুতিরা সৌদি বন্দর ও জাহাজ লক্ষ্য করেও হামলা চালিয়েছিল।
রাজনীতি/আরআইআর

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে।
১ দিন আগে
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (অ্যাটাকমস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম)। দুটি সূত্রের ভাষ্য, এসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
১ দিন আগে
র্যাঞ্চো পালোস ভার্দেস এলাকার ট্রাম্প ন্যাশনাল গলফ কোর্স থেকে একটি পিস্তল ও অবৈধ গোলাবারুদসহ আটক করা হয় ৩৮ বছর বয়সী জেনিন জন টায়েলকে আটক করা হয় বলে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
১ দিন আগে