
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

তাইওয়ানের আশপাশে সরাসরি গোলাবর্ষণসহ সামরিক মহড়া শুরু করেছে চীন। এ মহড়ার মাধ্যমে স্বশাসিত দ্বীপটির গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলোর পাশে অবরোধ তৈরির সক্ষমতা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বেইজিং। তবে এ পদক্ষেপকে ‘সামরিক ভীতি প্রদর্শন’ আখ্যা দিয়ে কড়া নিন্দা জানিয়েছে তাইপে।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ১১০০ কোটি মার্কিন ডলার সমমূল্যের অস্ত্র বিক্রি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের মধ্যে সই হওয়া চুক্তির জের ধরে চীন এ মহড়া শুরু করে থাকতে পারে।
চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজের সার্বভৌম ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে আসছে। দ্বীপটি দখলে নিতে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও তারা কখনো নাকচ করেনি। সামরিক মহড়া এবং নিয়মিত জলসীমা ও আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের মাধ্যমে দ্বীপরাষ্ট্রটির ওপর চীন চাপও বাড়িয়ে আসছে।
এ পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির উদ্যোগকে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। চীনের সামরিক মহড়াকেও এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাইওয়ানের উত্তর ও দক্ষিণপশ্চিম উপকূলে সামুদ্রিক লক্ষ্যবস্তুকে কেন্দ্র করে ‘লাইভ-ফায়ার প্রশিক্ষণ’ চালানো হচ্ছে। এ মহড়ায় ডেস্ট্রয়ার, ফ্রিগেট, যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান ও ড্রোন অংশ নিচ্ছে। জল ও আকাশে যুদ্ধ প্রস্তুতির টহল, যৌথভাবে পূর্ণ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা, গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও এলাকায় অবরোধ এবং প্রতিরোধমূলক অবস্থান নেওয়াকে এসব তৎপরতার মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের সিনিয়র কর্নেল শি ই।
এর মধ্যে চীনা কর্তৃপক্ষ একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে, যেখানে তাইওয়ানের চারপাশে পাঁচটি বড় এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অতিরিক্ত লাইভ-ফায়ার কার্যক্রম চলবে। নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট জলসীমা ও আকাশপথে অপ্রয়োজনীয় জাহাজ ও উড়োজাহাজকে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের মুখপাত্র কারেন কুও বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়ম উপেক্ষা করে প্রতিবেশী দেশগুলোকে হুমকি দিতে সামরিক ভীতি প্রদর্শন করছে চীন। এটি নিন্দনীয় কাজ। তাইপে জানায়, সোমবার তারা উত্তর ও পূর্ব উপকূলে চারটি চীনা কোস্টগার্ড জাহাজ শনাক্ত করেছে।
তাইওয়ানের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে বড় জাহাজ মোতায়েন করে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। অতিরিক্ত সহায়ক ইউনিটও পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাইওয়ানের সেনাবাহিনী একটি প্রতিক্রিয়া কেন্দ্র স্থাপন করে ‘উপযুক্ত বাহিনী’ মোতায়েন ও দ্রুত সাড়া দেওয়ার মহড়া চালিয়েছে।
এর আগে গত এপ্রিলে তাইওয়ানের চারপাশে সরাসরি গোলাবর্ষণসহ বড় পরিসরের সামরিক মহড়া চালিয়েছিল চীন। সেই আকস্মিক মহড়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিল তাইপে।

তাইওয়ানের আশপাশে সরাসরি গোলাবর্ষণসহ সামরিক মহড়া শুরু করেছে চীন। এ মহড়ার মাধ্যমে স্বশাসিত দ্বীপটির গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলোর পাশে অবরোধ তৈরির সক্ষমতা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বেইজিং। তবে এ পদক্ষেপকে ‘সামরিক ভীতি প্রদর্শন’ আখ্যা দিয়ে কড়া নিন্দা জানিয়েছে তাইপে।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ১১০০ কোটি মার্কিন ডলার সমমূল্যের অস্ত্র বিক্রি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের মধ্যে সই হওয়া চুক্তির জের ধরে চীন এ মহড়া শুরু করে থাকতে পারে।
চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজের সার্বভৌম ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে আসছে। দ্বীপটি দখলে নিতে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও তারা কখনো নাকচ করেনি। সামরিক মহড়া এবং নিয়মিত জলসীমা ও আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের মাধ্যমে দ্বীপরাষ্ট্রটির ওপর চীন চাপও বাড়িয়ে আসছে।
এ পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির উদ্যোগকে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। চীনের সামরিক মহড়াকেও এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাইওয়ানের উত্তর ও দক্ষিণপশ্চিম উপকূলে সামুদ্রিক লক্ষ্যবস্তুকে কেন্দ্র করে ‘লাইভ-ফায়ার প্রশিক্ষণ’ চালানো হচ্ছে। এ মহড়ায় ডেস্ট্রয়ার, ফ্রিগেট, যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান ও ড্রোন অংশ নিচ্ছে। জল ও আকাশে যুদ্ধ প্রস্তুতির টহল, যৌথভাবে পূর্ণ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা, গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও এলাকায় অবরোধ এবং প্রতিরোধমূলক অবস্থান নেওয়াকে এসব তৎপরতার মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের সিনিয়র কর্নেল শি ই।
এর মধ্যে চীনা কর্তৃপক্ষ একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে, যেখানে তাইওয়ানের চারপাশে পাঁচটি বড় এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অতিরিক্ত লাইভ-ফায়ার কার্যক্রম চলবে। নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট জলসীমা ও আকাশপথে অপ্রয়োজনীয় জাহাজ ও উড়োজাহাজকে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের মুখপাত্র কারেন কুও বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়ম উপেক্ষা করে প্রতিবেশী দেশগুলোকে হুমকি দিতে সামরিক ভীতি প্রদর্শন করছে চীন। এটি নিন্দনীয় কাজ। তাইপে জানায়, সোমবার তারা উত্তর ও পূর্ব উপকূলে চারটি চীনা কোস্টগার্ড জাহাজ শনাক্ত করেছে।
তাইওয়ানের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে বড় জাহাজ মোতায়েন করে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। অতিরিক্ত সহায়ক ইউনিটও পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাইওয়ানের সেনাবাহিনী একটি প্রতিক্রিয়া কেন্দ্র স্থাপন করে ‘উপযুক্ত বাহিনী’ মোতায়েন ও দ্রুত সাড়া দেওয়ার মহড়া চালিয়েছে।
এর আগে গত এপ্রিলে তাইওয়ানের চারপাশে সরাসরি গোলাবর্ষণসহ বড় পরিসরের সামরিক মহড়া চালিয়েছিল চীন। সেই আকস্মিক মহড়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিল তাইপে।

২০২৪ সালের নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকেই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছিল, যেখানে এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দূতরা উভয় পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা পরিচালনা করেছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনও একই পদক্ষেপ নেবে বলে তারা আশা করছে। এতে আরো বলা হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোউসভ সেনাবাহিনী প্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভকে ওই সময় সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে যেকোনো ধরনের লঙ্ঘনের জবাব দিতে রুশ বাহিনী প্রস্তুত থাকবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
ছয় সপ্তাহের সংঘাতে ইরানের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বড় অংশের লক্ষ্যই ছিল উপসাগরীয় দেশগুলো। এসব হামলার বেশির ভাগই প্রতিহত করা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে । তবে এরপরও তারা বুঝতে পারছে, এককভাবে প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নজরদারি ড্রোন ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ড্রোনটি উড়ন্ত অবস্থায় জরুরি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। এটি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি ভূপাতিত করা হয়েছে— এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
১৬ ঘণ্টা আগে