
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

২০২৪ সালে জাপানের জনসংখ্যা রেকর্ড পরিমাণে কমে দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৩০ লাখে। আগের বছরের তুলনায় এই জনসংখ্যা ৮ লাখ ৯৮ হাজার কম। দেশটির ইতিহাসে জনসংখ্যার দিক দিয়ে এটাই সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন। গতকাল সোমবার জাপান সরকার নতুন এক পরিসংখ্যানে এই তথ্য জানিয়েছে।
এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, বিশ্বের চতুর্থ বৃহৎ অর্থনীতির দেশ জাপান টানা ১৪ বছর ধরে জনসংখ্যা হ্রাসের মুখোমুখি। জন্মহার মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ার ফলে এই হ্রাস ঘটছে। বিষয়টি দেশটির ভবিষ্যৎ শ্রমবাজার, অর্থনীতি এবং এমনকি জাতীয় নিরাপত্তার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে জাপানে ৭৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭ লাখ ৭৭ হাজারে, যা মোট জনসংখ্যার ১৬.৮ শতাংশ। আর ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের অনুপাত এখন ২৯.৩ শতাংশ।
জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ইয়োশিমাসা হায়াশি বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারছি, অনেকেই সন্তান জন্ম দিয়ে লালন-পালন করতে চাইলেও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে তা করতে পারছেন না।’ তিনি জানান, সরকার তরুণ পরিবারগুলোর পাশে থাকার জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে যে কেউ সন্তান নিতে চাইলে তা করতে পারবেন এবং শান্তিতে সন্তান বড় করতে পারবেন।’
জাপানে এ নিয়ে ১৮ তম বছরের মতো জনসংখ্যা হ্রাস রেকর্ড করা হয়েছে, অর্থাৎ মৃত্যুর সংখ্যা জন্মের সংখ্যার চেয়ে বেশি। গত বছর দেশটিতে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা ছিল ১২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা স্বীকার করেছেন, জন্মহার হ্রাসের ধারা এখনো থামানো যায়নি। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘বিয়ের সংখ্যা বেড়েছে, যা জন্মহারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। তাই আমাদের এই বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।’
২০২৪ সালে দেশটিতে বিয়ের সংখ্যা ২.২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৯-এ। যদিও ২০২০ সালে এটি ১২.৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সময় শিশু জন্মদানের হার বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল—যার মধ্যে ছিল শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র বাড়ানো, আবাসন ভর্তুকি, এমনকি সরকারি ডেটিং অ্যাপ চালু করা। এই অ্যাপের মাধ্যমে বিয়ে এবং পরিবার গঠনে উৎসাহ দেওয়া হতো।

২০২৪ সালে জাপানের জনসংখ্যা রেকর্ড পরিমাণে কমে দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৩০ লাখে। আগের বছরের তুলনায় এই জনসংখ্যা ৮ লাখ ৯৮ হাজার কম। দেশটির ইতিহাসে জনসংখ্যার দিক দিয়ে এটাই সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন। গতকাল সোমবার জাপান সরকার নতুন এক পরিসংখ্যানে এই তথ্য জানিয়েছে।
এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, বিশ্বের চতুর্থ বৃহৎ অর্থনীতির দেশ জাপান টানা ১৪ বছর ধরে জনসংখ্যা হ্রাসের মুখোমুখি। জন্মহার মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ার ফলে এই হ্রাস ঘটছে। বিষয়টি দেশটির ভবিষ্যৎ শ্রমবাজার, অর্থনীতি এবং এমনকি জাতীয় নিরাপত্তার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে জাপানে ৭৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭ লাখ ৭৭ হাজারে, যা মোট জনসংখ্যার ১৬.৮ শতাংশ। আর ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের অনুপাত এখন ২৯.৩ শতাংশ।
জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ইয়োশিমাসা হায়াশি বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারছি, অনেকেই সন্তান জন্ম দিয়ে লালন-পালন করতে চাইলেও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে তা করতে পারছেন না।’ তিনি জানান, সরকার তরুণ পরিবারগুলোর পাশে থাকার জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে যে কেউ সন্তান নিতে চাইলে তা করতে পারবেন এবং শান্তিতে সন্তান বড় করতে পারবেন।’
জাপানে এ নিয়ে ১৮ তম বছরের মতো জনসংখ্যা হ্রাস রেকর্ড করা হয়েছে, অর্থাৎ মৃত্যুর সংখ্যা জন্মের সংখ্যার চেয়ে বেশি। গত বছর দেশটিতে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা ছিল ১২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা স্বীকার করেছেন, জন্মহার হ্রাসের ধারা এখনো থামানো যায়নি। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘বিয়ের সংখ্যা বেড়েছে, যা জন্মহারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। তাই আমাদের এই বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।’
২০২৪ সালে দেশটিতে বিয়ের সংখ্যা ২.২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৯-এ। যদিও ২০২০ সালে এটি ১২.৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সময় শিশু জন্মদানের হার বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল—যার মধ্যে ছিল শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র বাড়ানো, আবাসন ভর্তুকি, এমনকি সরকারি ডেটিং অ্যাপ চালু করা। এই অ্যাপের মাধ্যমে বিয়ে এবং পরিবার গঠনে উৎসাহ দেওয়া হতো।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন বীরেশ্বর। নিজের গাড়িতে করে কলকাতা থেকে পালিয়ে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে গিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। ঝাড়খণ্ডে বীরেশ্বরের কয়েকজন কর্মচারীর বাড়ি রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই গিয়ে তিনি তাদের সহায়তা নিয়েছিলেন।
১ দিন আগে
তবে অ্যাসোসিয়েটেড নিউজপেপার্সের মোট আইনি খরচ কতটা বাদীদের দিতে হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অযৌক্তিক হিসেবে বিবেচিত খরচের বিষয়ে আদালত আলাদাভাবে সিদ্ধান্ত দেবেন। দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা না হলে আলাদা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই খরচ নির্ধারণ করা হবে।
১ দিন আগে
জাতিসংঘের পাওনা ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বকেয়া অর্থের একটি অংশ পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘকে ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেবে। এ বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসকেও অবহিত করা হয়েছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।
১ দিন আগে
ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট জজ জ্যানেট ভার্গাস শুক্রবার (২১ আগস্ট) এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তিনি বলেন, স্টেট ডিপার্টমেন্টের জানুয়ারিতে ঘোষিত এই নীতি ছিল ‘স্পষ্টতই বেআইনি’। এটি কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনেরও পরিপন্থি। কারণ, ওই আইনে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি ক
১ দিন আগে