
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) অবৈধভাবে অবস্থানরত অভিবাসীদের তাদের নিজ দেশে বা অন্য কোনো বৈধ গন্তব্যে ফিরে যেতে উৎসাহিত করতে একটি প্রণোদনা ঘোষণা করেছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) ঘোষিত এ উদ্যোগের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীরা বিনামূল্যে ভ্রমণের সুবিধা, দেশত্যাগে বিলম্বজনিত জরিমানার মওকুফ এবং ২ হাজার ৬০০ ডলারের ‘এক্সিট বোনাস’ পাবেন।
ডিএইচএস জানিয়েছে, ‘সিবিপি হোম’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। এর মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন এবং আর্থিক সহায়তা পেয়ে নিজ দেশে বা অন্য কোনো বৈধ গন্তব্যে যেতে পারবেন।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম বলেন, ‘যারা অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তারা সিবিপি হোম অ্যাপ ব্যবহার করে নিজে থেকেই ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিন এবং দেশে ফেরার জন্য আর্থিক সহায়তা নিন।’
অবৈধ অভিবাসীদের সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ‘যদি তা না করেন, তাহলে আপনাকে জরিমানা, গ্রেপ্তার ও জোরপূর্বক দেশত্যাগের মুখোমুখি হতে হবে এবং ভবিষ্যতে আর কখনো যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসার সুযোগ পাবেন না। তাই যারা অবৈধভাবে অবস্থান করছেন, তারা এখনই স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে চলে যান এবং ভবিষ্যতে বৈধভাবে ফেরার সম্ভাবনা বজায় রাখুন।’

যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) অবৈধভাবে অবস্থানরত অভিবাসীদের তাদের নিজ দেশে বা অন্য কোনো বৈধ গন্তব্যে ফিরে যেতে উৎসাহিত করতে একটি প্রণোদনা ঘোষণা করেছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) ঘোষিত এ উদ্যোগের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীরা বিনামূল্যে ভ্রমণের সুবিধা, দেশত্যাগে বিলম্বজনিত জরিমানার মওকুফ এবং ২ হাজার ৬০০ ডলারের ‘এক্সিট বোনাস’ পাবেন।
ডিএইচএস জানিয়েছে, ‘সিবিপি হোম’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। এর মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন এবং আর্থিক সহায়তা পেয়ে নিজ দেশে বা অন্য কোনো বৈধ গন্তব্যে যেতে পারবেন।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম বলেন, ‘যারা অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তারা সিবিপি হোম অ্যাপ ব্যবহার করে নিজে থেকেই ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিন এবং দেশে ফেরার জন্য আর্থিক সহায়তা নিন।’
অবৈধ অভিবাসীদের সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ‘যদি তা না করেন, তাহলে আপনাকে জরিমানা, গ্রেপ্তার ও জোরপূর্বক দেশত্যাগের মুখোমুখি হতে হবে এবং ভবিষ্যতে আর কখনো যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসার সুযোগ পাবেন না। তাই যারা অবৈধভাবে অবস্থান করছেন, তারা এখনই স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে চলে যান এবং ভবিষ্যতে বৈধভাবে ফেরার সম্ভাবনা বজায় রাখুন।’

৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৪ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৬ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তিটিকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপান্তরের সম্ভাবনা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এরপরই এই যুদ্ধবিরতির খবর এলো।
২১ ঘণ্টা আগে