
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রচষ্টোর অংশ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সরকার বৃহস্পতিবার বৈশ্বিক উষ্ঞতা সৃষ্টিকারী গ্যাসের নিঃসরণ রোধে সূদরপ্রসারী পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। ২০৪৭ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন এক বিলিয়ন মেট্রিন টন কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলে গতকাল ঘোষণা দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন।
ঘোষণা অনুযায়ী, বিদু্যত্ খাত থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস কমাতে এখন পর্যন্ত উদ্ভাবিত সবচেয়ে আধুনিক সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং গ্যাসচালিত উন্নত মানের প্ল্যান্টের কার্বন নিঃসরণ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর চষ্টো করা হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে নামার আগ মুহূর্তে এসব সদ্ধিান্ত নেওয়া হয়েছে। তরুণ ও প্রগতিশীল ভোটারদের সমর্থন আদায়ে কার্বন নিঃসরণ কমানোর পক্ষে অবস্থান নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের এক-চতুর্থাংশ এখনো উৎপাদন করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা (ইপিএ) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দূষণ থেকে জনগণকে রক্ষা এবং জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় লড়াইয়ের জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সংস্থাটির বিশে্লষণে বলা হয়েছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে ১.৪ বিলিয়ন মেট্রিক টন গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
পর্যবেক্ষক সংস্থা ক্লাইমেট ওয়াচের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশ চীন। এর পরই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান। ২০২১ সালে চীন ১৪.৩০ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন করেছে। একই বছর যুক্তরাষ্ট্র নির্গমন করেছে ৬.২৮ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড। সূত্র : এএফপি।

জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রচষ্টোর অংশ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সরকার বৃহস্পতিবার বৈশ্বিক উষ্ঞতা সৃষ্টিকারী গ্যাসের নিঃসরণ রোধে সূদরপ্রসারী পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। ২০৪৭ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন এক বিলিয়ন মেট্রিন টন কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলে গতকাল ঘোষণা দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন।
ঘোষণা অনুযায়ী, বিদু্যত্ খাত থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস কমাতে এখন পর্যন্ত উদ্ভাবিত সবচেয়ে আধুনিক সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং গ্যাসচালিত উন্নত মানের প্ল্যান্টের কার্বন নিঃসরণ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর চষ্টো করা হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে নামার আগ মুহূর্তে এসব সদ্ধিান্ত নেওয়া হয়েছে। তরুণ ও প্রগতিশীল ভোটারদের সমর্থন আদায়ে কার্বন নিঃসরণ কমানোর পক্ষে অবস্থান নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের এক-চতুর্থাংশ এখনো উৎপাদন করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা (ইপিএ) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দূষণ থেকে জনগণকে রক্ষা এবং জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় লড়াইয়ের জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সংস্থাটির বিশে্লষণে বলা হয়েছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে ১.৪ বিলিয়ন মেট্রিক টন গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
পর্যবেক্ষক সংস্থা ক্লাইমেট ওয়াচের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশ চীন। এর পরই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান। ২০২১ সালে চীন ১৪.৩০ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন করেছে। একই বছর যুক্তরাষ্ট্র নির্গমন করেছে ৬.২৮ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড। সূত্র : এএফপি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) লন্ডন ক্লাইমেট অ্যাকশন উইকে বক্তব্য দেন গুতেরেস। সেখানে তিনি বলেন, বিশ্ব এখন একই সঙ্গে দুটি সংকটের মুখোমুখি— জলবায়ু সংকট ও জ্বালানি সংকট। এই দুই সংকটের মূল উৎস একটিই, আর তা হলো জীবাশ্ম জ্বালানি।
১৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার ফ্রান্সের অধিকাংশ এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়। এ দিন এক জরুরি বৈঠক শেষে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু জানান, তাপপ্রবাহের কারণে সৃষ্ট সংকটে সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারাচ্ছেন তরুণরা। তিনি এই ঘটনাকে ‘মর্মান্তিক দুর্যোগ’ বলে উল্লেখ করেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সহায়তার জন্য ইসরায়েল গোপনে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা ‘স্টারলিংকে’র রিসিভার পাচার করেছিল বলে দাবি করেছেন দেশটির সাবেক এক প্রধানমন্ত্রী। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার সেই পরিকল্পনাটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি
১৭ ঘণ্টা আগে
ব্রেক্সিট গণভোটের ১০ বছর পূর্তির দিনে সেই রাজনৈতিক যাত্রাপথের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের সিদ্ধান্ত দেশটির জন্য শুধু একটি পররাষ্ট্র বা অর্থনৈতিক নীতিগত পরিবর্তন ছিল না; বরং এটি যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে, যার প্রভাব এখনো দেশটির রাজনীতিতে স্পষ্ট।
১৮ ঘণ্টা আগে