
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টার পাল্টা জবাব হিসেবে তারা ওমান উপসাগর ও আশপাশের অঞ্চলে ইরানের পাঁচটি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস করেছে।
ওয়াশিংটনের তথ্যমতে, গত দুই দিনে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দুই দফায় হামলার চেষ্টা করলেও মার্কিন যুদ্ধজাহাজটি সম্পূর্ণ অক্ষত থেকে টহল অব্যাহত রেখেছে এবং কোনো সেনাসদস্য আহত হননি। তবে সেন্টকম জানিয়েছে, মূল অভিযানের আগেই জাহাজগুলোর ক্রুদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছিল।
এর জবাবে জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে আইআরজিসি। জর্ডানের সামরিক বাহিনীর দাবি, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে এর ১৮টি ক্ষেপণাস্ত্রই ভূপাতিত করা হয় এবং বাকি দুটি জনহীন এলাকায় পড়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তুলে আইআরজিসির নৌবাহিনী কুয়েত ও বাহরাইন সংলগ্ন বন্দরে থাকা তেলবাহী জাহাজের ক্রুদের দ্রুত জাহাজ খালি করার নির্দেশ দিয়েছে এবং মার্কিন প্রতিশোধমূলক হামলার পর ওই অঞ্চলের জাহাজগুলোতে পাল্টা আঘাত হানার হুমকি দিয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেছেন, মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা কখনোই জবাবহীন থাকবে না এবং ইরান যতবার মার্কিন নৌযান লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা চালাবে, ততবারই তাদের তেলবাহী জাহাজ ধ্বংসের মুখে পড়বে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টার পাল্টা জবাব হিসেবে তারা ওমান উপসাগর ও আশপাশের অঞ্চলে ইরানের পাঁচটি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস করেছে।
ওয়াশিংটনের তথ্যমতে, গত দুই দিনে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দুই দফায় হামলার চেষ্টা করলেও মার্কিন যুদ্ধজাহাজটি সম্পূর্ণ অক্ষত থেকে টহল অব্যাহত রেখেছে এবং কোনো সেনাসদস্য আহত হননি। তবে সেন্টকম জানিয়েছে, মূল অভিযানের আগেই জাহাজগুলোর ক্রুদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছিল।
এর জবাবে জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে আইআরজিসি। জর্ডানের সামরিক বাহিনীর দাবি, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে এর ১৮টি ক্ষেপণাস্ত্রই ভূপাতিত করা হয় এবং বাকি দুটি জনহীন এলাকায় পড়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তুলে আইআরজিসির নৌবাহিনী কুয়েত ও বাহরাইন সংলগ্ন বন্দরে থাকা তেলবাহী জাহাজের ক্রুদের দ্রুত জাহাজ খালি করার নির্দেশ দিয়েছে এবং মার্কিন প্রতিশোধমূলক হামলার পর ওই অঞ্চলের জাহাজগুলোতে পাল্টা আঘাত হানার হুমকি দিয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেছেন, মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা কখনোই জবাবহীন থাকবে না এবং ইরান যতবার মার্কিন নৌযান লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা চালাবে, ততবারই তাদের তেলবাহী জাহাজ ধ্বংসের মুখে পড়বে।

সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উঁচুতে অবস্থানকালে আকস্মিক এই তুষারধসের ঘটনাটি ঘটে।
১ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই বিজয়ের ফলে দেশের জ্বালানি পাম্পগুলোতে তেলের দাম অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কমতে শুরু করবে। একই সঙ্গে তিনি পুনরুল্লেখ করেন, ইরানকে কোনো অবস্থাতেই ‘পারমাণবিক অস্ত্র’ অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
১ দিন আগে
সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ইয়েমেন সীমান্তের কাছে অবস্থিত জিজানে প্রতিদিন প্রায় ৪ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের সক্ষমতাসম্পন্ন একটি বড় শোধনাগার রয়েছে। গত জুলাই থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে হুতিদের সংঘাত আবার তীব্র হয়েছে। এর আগে জিজান ও ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
১ দিন আগে
হামলার আগে শহরটিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে অনলাইনে কোনো সরিয়ে নেওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। হামলার বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্নের তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। হামলার স্থানে চিকিৎসাকর্মী ও শিশুরা থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিল কি না এবং কেন কোনো সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়নি— এ
২ দিন আগে