
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হামাসের নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে নতুন মার্কিন উদ্যোগের মধ্যেই গাজা উপত্যকায় ফের বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত ৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার সিভিল ডিফেন্স।
রোববার (২ আগস্ট) গাজার বিভিন্ন এলাকায় এসব বিমান হামলা চালানো হয়।
গাজার সিভিল ডিফেন্স সূত্র জানায়, মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহর দক্ষিণে একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি হেলিকপ্টার হামলায় এক নারী ও এক পুরুষ নিহত হন। এছাড়া খান ইউনিসে পৃথক হামলায় তিনজন এবং গাজা সিটির পুরোনো এলাকায় আরও একজন প্রাণ হারান।
এর আগে শনিবার মধ্য গাজায় একটি চিকিৎসাসামগ্রীর গুদামেও ইসরায়েলি বাহিনী ভারী বোমাবর্ষণ করে, যার ফলে ঘটনাস্থলে ২০ মিটার চওড়া ও ১০ মিটার গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে ১৫ দফার একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করে। ওই প্রস্তাবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ধাপে ধাপে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের কথা বলা হয়। তবে প্রস্তাবটি এখনও মাঠপর্যায়ে আলোর মুখ দেখেনি।
হামাস জানিয়েছে, ইসরায়েল সামরিক অভিযান বন্ধ করে পূর্ব চুক্তি অনুযায়ী সেনা প্রত্যাহার করলে তারা অস্ত্র সমর্পণে প্রস্তুত। অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, হামাসের ‘প্রকৃত নিরস্ত্রীকরণ’ ছাড়া ইসরায়েল বর্তমান অবস্থান থেকে এক পা-ও পিছু হটবে না।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও কূটনীতি: এই কূটনৈতিক প্রস্তাব নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে কিছু না বললেও দেশটির কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির একে ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অপরদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত ফাতাহর সাবেক জ্যেষ্ঠ নেতা মোহাম্মদ দাহলান জানিয়েছেন, মার্কিন উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে গাজায় হামলা বন্ধের বিষয়ে ওয়াশিংটনের আলোচনা চলছে। তবে এই উদ্যোগের সফলতা পুরোপুরি নির্ভর করছে মাঠে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ করার ওপর।

গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হামাসের নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে নতুন মার্কিন উদ্যোগের মধ্যেই গাজা উপত্যকায় ফের বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত ৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার সিভিল ডিফেন্স।
রোববার (২ আগস্ট) গাজার বিভিন্ন এলাকায় এসব বিমান হামলা চালানো হয়।
গাজার সিভিল ডিফেন্স সূত্র জানায়, মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহর দক্ষিণে একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি হেলিকপ্টার হামলায় এক নারী ও এক পুরুষ নিহত হন। এছাড়া খান ইউনিসে পৃথক হামলায় তিনজন এবং গাজা সিটির পুরোনো এলাকায় আরও একজন প্রাণ হারান।
এর আগে শনিবার মধ্য গাজায় একটি চিকিৎসাসামগ্রীর গুদামেও ইসরায়েলি বাহিনী ভারী বোমাবর্ষণ করে, যার ফলে ঘটনাস্থলে ২০ মিটার চওড়া ও ১০ মিটার গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে ১৫ দফার একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করে। ওই প্রস্তাবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ধাপে ধাপে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের কথা বলা হয়। তবে প্রস্তাবটি এখনও মাঠপর্যায়ে আলোর মুখ দেখেনি।
হামাস জানিয়েছে, ইসরায়েল সামরিক অভিযান বন্ধ করে পূর্ব চুক্তি অনুযায়ী সেনা প্রত্যাহার করলে তারা অস্ত্র সমর্পণে প্রস্তুত। অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, হামাসের ‘প্রকৃত নিরস্ত্রীকরণ’ ছাড়া ইসরায়েল বর্তমান অবস্থান থেকে এক পা-ও পিছু হটবে না।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও কূটনীতি: এই কূটনৈতিক প্রস্তাব নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে কিছু না বললেও দেশটির কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির একে ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অপরদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত ফাতাহর সাবেক জ্যেষ্ঠ নেতা মোহাম্মদ দাহলান জানিয়েছেন, মার্কিন উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে গাজায় হামলা বন্ধের বিষয়ে ওয়াশিংটনের আলোচনা চলছে। তবে এই উদ্যোগের সফলতা পুরোপুরি নির্ভর করছে মাঠে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ করার ওপর।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের বি-১ (ব্যবসায়িক) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার জন্য আবেদন করার সময় সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড বা জামানত জমা দিতে হতে পারে। এসব দেশের বেশির ভাগই আফ্রিকার।
২১ ঘণ্টা আগে
এর মধ্যে কয়েক শ মিলিয়ন ডলার গেছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ বিন্যান্সে। শেলবিট থেকে বিন্যান্সের বিভিন্ন ঠিকানায় গেছে অন্তত ৬৭ কোটি ৬০ লাখ ডলারের ক্রিপ্টো। একই সময়ে শেলবিটের সঙ্গে সরাসরি লেনদেন হয়েছে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এবং এমন কিছু ওয়ালেটের, যেগুলো ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ আইআরজিসির সঙ্গ
১ দিন আগে
স্প্যানিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার মরক্কো সীমান্ত ও সাগরপথ পাড়ি দিয়ে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ সেউতায় প্রবেশ করেন। তবে ব্যাপক কড়াকড়ি ও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে ইতোমধ্যে প্রায় ৪৮ হাজার ৩০০ জন মরক্কোয় ফিরে গেছেন, বাকিরাও ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। মূল ভূখণ্ডে পৌঁছাতে না পেরে এবং খ
১ দিন আগে
ইতালির সিভিল প্রোটেকশন বিভাগ জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনো হতাহত বা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পোজ্জুওলি ও নেপলসের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি এলাকায় সাময়িকভাবে ট্রেন ও স্থানীয় গণপরিবহন চলাচল বন্ধ
১ দিন আগে