ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৫ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
ওমান উপসাগরে এম/টি ওয়েন ইয়াও জাহাজে তল্লাশি চালানোর সময় যুক্তরাষ্ট্রের ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের এক সেনা। পেছনে উড়ছে ইরানের পতাকা। ফাইল ছবি
ওমান উপসাগরে এম/টি ওয়েন ইয়াও জাহাজে তল্লাশি চালানোর সময় যুক্তরাষ্ট্রের ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের এক সেনা। পেছনে উড়ছে ইরানের পতাকা। ফাইল ছবি

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন (৪ হাজার ৩৬০ কোটি) ডলার ছাড়িয়েছে। ডলারপ্রতি ১২৩ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা। গত ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, পেন্টাগন চলতি সপ্তাহে কংগ্রেসকে দেওয়া তথ্যে যুদ্ধের ব্যয়ের এ হিসাব জানিয়েছে। এতে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি সামরিক বাহিনীর ব্যয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়া অস্ত্রসহ নির্দিষ্ট খাতের ব্যয়ের আলাদা হিসাবও দেওয়া হয়েছে।

পেন্টাগনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধের মোট ব্যয়ের ৬০ শতাংশের বেশি হয়েছে বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য গোলাবারুদে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর এসব অস্ত্র কিনতে ও ব্যবহার করতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে ২৮১ কোটি ডলার বা ৩৪ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকা।

এর ফলে প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টরসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের বৈশ্বিক মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এ ছাড়া এশিয়া ও ইউরোপে থাকা মার্কিন সামরিক কমান্ডগুলোর মজুত থেকেও সরবরাহ নিতে হয়েছে।

কোন খাতে কত ব্যয়

ইরান যুদ্ধের দায়িত্বে মধ্যপ্রাচ্য ও আশপাশের অঞ্চলে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড।

বিমানবাহিনী: কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমান পরিচালনায় ব্যয় হয়েছে ৬৬০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৮১ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা।

নৌবাহিনী: দুই ডজনের বেশি যুদ্ধজাহাজ, যার মধ্যে কয়েকটি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে, মোতায়েনে ব্যয় হয়েছে ২২০ কোটি ডলার বা প্রায় ২৭ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।

সেনাবাহিনী: মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে মোতায়েন সেনাদের কার্যক্রম চালাতে ব্যয় হয়েছে ১৬০ কোটি ডলার বা প্রায় ১৯ হাজার ৭০৮ কোটি টাকা।

বিশেষ অভিযান: কয়েক হাজার বিশেষ অভিযান কমান্ডোকে ওই অঞ্চলে পাঠানো ও তাদের সহায়তায় ব্যয় হয়েছে ৬৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা প্রায় ৭ হাজার ৮০১ কোটি টাকা।

গোলাবারুদ: বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য গোলাবারুদে ব্যয় হয়েছে ২৮১০ কোটি ডলার বা প্রায় ৩ লাখ ৪৬ হাজার ১২৩ কোটি টাকা। মোট ব্যয়ের ৬০ শতাংশের বেশি এই খাতে গেছে।

ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত অস্ত্র ও সরঞ্জাম: কয়েক ডজন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়া যুদ্ধবিমানসহ অন্যান্য অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম প্রতিস্থাপনে পেন্টাগনের ব্যয় হয়েছে ৪৩০ কোটি ডলার বা প্রায় ৫২ হাজার ৯৬৫ কোটি টাকা।

এ ছাড়া আহত সেনাদের চিকিৎসা, প্রকৌশল, পরিবহন, সরবরাহ, সাইবার কার্যক্রমসহ অন্যান্য সামরিক কার্যক্রমেও অর্থ ব্যয় হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কংগ্রেসের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন সেনাদের ‘ইন-হাউস মেডিকেল সাপোর্টে’ ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। পেন্টাগনের হিসাবে, ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৮ মার্কিন সেনা নিহত এবং ৮৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রান্সপোর্টেশন কমান্ড সরবরাহ ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনে ব্যয় করেছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। আর ইউএস সাইবার কমান্ড ‘সাইবার সাপোর্ট অপারেশনে’ ব্যয় করেছে ১ কোটি ৫ লাখ ডলার।

এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের মন্তব্যের অনুরোধে পেন্টাগন শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ফাঁস হওয়া নথি নিয়ে আমরা মন্তব্য করি না এবং কংগ্রেসকে সব সময় অবহিত রাখি।’

প্রকৃত ব্যয় আরও বেশি হতে পারে

কংগ্রেসের কর্মকর্তারা শুক্রবার বলেছেন, পেন্টাগনের দেওয়া ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলারের হিসাবটি প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় প্রায় নিশ্চিতভাবেই কম। কারণ এই হিসাবে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি ও অন্যান্য খরচ। যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে ট্রাম্প প্রশাসন সম্পূরক বরাদ্দ হিসেবে আরও ১৫০ কোটি ডলার চেয়েছে। এই অর্থ পেন্টাগনের বর্তমান হিসাবের মধ্যে নেই।

ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়া মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও অন্যান্য স্থাপনা মেরামত বা পুনর্নির্মাণের খরচও এই হিসাবে ধরা হয়নি। এর মধ্যে বাহরাইনের রাজধানী মানামায় থাকা মার্কিন নৌঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতিও রয়েছে।

পেন্টাগন জানিয়েছে, এসব স্থাপনা বন্ধ করে দেওয়া বা পুনর্নির্মাণ না করার বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট দেশগুলো যদি এসব স্থাপনা পুনর্নির্মাণ করে, তাহলে এর ব্যয় কয়েক হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে কংগ্রেসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মহাপরিদর্শকের কার্যালয় চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস, কনস্যুলেট ও অন্যান্য কূটনৈতিক স্থাপনার প্রায় ১৮ কোটি ৪০ লাখ ডলারের ক্ষতি হয়েছে বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর হিসাব করেছে।

গোলাবারুদের মজুত কমে যাচ্ছে

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ব্যবহারের ফলে দেশটির সামরিক মজুতের ওপরও বড় চাপ তৈরি হয়েছে। পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর গোলাবারুদেই ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৮১০ কোটি ডলার।

এর ফলে প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টরসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রকে এশিয়া ও ইউরোপে থাকা নিজেদের সামরিক কমান্ডগুলোর মজুত থেকেও অস্ত্র সরিয়ে যুদ্ধের চাহিদা মেটাতে হয়েছে।

চলতি সপ্তাহে মার্কিন কংগ্রেসের নির্দলীয় বাজেট বিশ্লেষণকারী সংস্থা কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসও জানিয়েছে, ১ আগস্ট পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে আনুমানিক ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। একই সঙ্গে যুদ্ধের কারণে মার্কিন অস্ত্রের মজুতও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসের ১৯ পৃষ্ঠার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা দপ্তর প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে সাড়া না দেওয়ায় তাদের হিসাব সীমিত ছিল। এ কারণে সরকারি বিভিন্ন তথ্যভান্ডার ও প্রকাশ্য প্রতিবেদন ব্যবহার করে হিসাবটি তৈরি করা হয়েছে।

সংস্থাটি অনুমান করেছে, যুদ্ধ চলতে থাকলে প্রতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের আরও ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে। একই সঙ্গে কমে যাওয়া অস্ত্রের মজুত পুনর্গঠনে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে।

কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসের এই হিসাব জুলাইয়ের শেষ দিকে কংগ্রেসে দেওয়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বক্তব্যের কাছাকাছি। তখন হেগসেথ জানিয়েছিলেন, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার।

যুদ্ধের ব্যয় এবং নতুন অস্ত্র ও সেনাসদস্যের খরচ মেটাতে ট্রাম্প প্রশাসন সর্বোচ্চ ৭ হাজার কোটি ডলার জরুরি সামরিক বরাদ্দ চেয়েছে।

পেন্টাগনের কংগ্রেসে দেওয়া নতুন হিসাবটি যুদ্ধের আর্থিক ব্যয়ের একটি বিরল চিত্র তুলে ধরেছে। এর আগে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও তার শীর্ষ সহযোগীরা যুদ্ধের ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য অনেকটাই গোপন রেখেছিলেন।

যুদ্ধের শুরু যেভাবে

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। প্রথম দিনের হামলাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ কয়েকজন নেতা এবং ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।

এরপর ইরানও যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় পালটা হামলা শুরু করে। যুদ্ধের সময় ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনাগুলোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। পরে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে কার্যত পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে।

যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। এতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং বেড়েছে জ্বালানির দাম। যুদ্ধ থামাতে ওমান, কাতার, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। তবে এখনো সংঘাত পুরোপুরি থামেনি।

‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি ট্রাম্পের, আড়ালে সমঝোতার চেষ্টা

মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তেহরান সমঝোতায় না এলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানকে দ্রুত ধ্বংস করে দেওয়ার বিকল্প তার সামনে খোলা আছে।

অথচ ওই হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিউইয়র্কের অন্য একটি স্থানে তার দুই ঘনিষ্ঠ দূত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে কয়েক ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছেন।

একদিকে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত করার হুমকি, অন্যদিকে সেই যুদ্ধ থামাতে আলোচনার চেষ্টা— ইরানকে ঘিরে ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান অবস্থানের এই দ্বৈত চিত্রই জাতিসংঘের এবারের অধিবেশন চলাকালে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রকাশ্যে ট্রাম্প তেহরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন, আর পর্দার আড়ালে তার দূতরা সেই তেহরানের সঙ্গেই সমঝোতার পথ খুঁজছেন।

জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, তাকে এখন ইরানকে নিয়ে ‘বড় সিদ্ধান্ত’ নিতে হবে— হয় ইরানের সঙ্গে এমন একটি চুক্তি করতে হবে, যার মাধ্যমে দেশটিকে ‘পুনর্গঠন’ করা যায়, অথবা ‘ইসলামিক রিপাবলিককে নিশ্চিহ্ন’ করে দিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানান।

ট্রাম্পের ভাষণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে আলোচনায় বসেন। কাতারের মধ্যস্থতায় এই বৈঠক হয় এবং তা কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে। পরে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকটি ‘খুব ভালো’ ও ‘খুব ফলপ্রসূ’ হয়েছে এবং শিগগিরই আরও বৈঠক হতে পারে। তবে বৈঠকটি নিয়ে দুই পক্ষের বর্ণনায় কিছু পার্থক্য রয়েছে।

ট্রাম্প একে উইটকফ ও কুশনারের সঙ্গে ইরানি প্রতিনিধিদের তিন ঘণ্টার বৈঠক হিসেবে তুলে ধরেছেন। অন্যদিকে উইটকফ বলেছেন, মধ্যস্থতাকারীরা দুই পক্ষের মধ্যে যাতায়াত করে আলোচনা এগিয়ে নিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমও আরাগচি ও উইটকফের বৈঠকের কথা নিশ্চিত করেছে। অর্থাৎ, সরাসরি বৈঠক ও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যোগাযোগ— দুই ধরনের বর্ণনাই সামনে এসেছে।

ট্রাম্পের প্রকাশ্য হুমকি এবং তার প্রশাসনের পর্দার আড়ালের কূটনীতি একই সময়ে চলার বিষয়টি এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে আরও স্পষ্ট হয়েছে। ওয়াশিংটন একদিকে সামরিক চাপকে আলোচনার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, অন্যদিকে সেই চাপের মধ্যেই তেহরানের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনাও যাচাই করছে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement