নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ থেকে গ্রেপ্তার: কে এই অস্কারজয়ী সুসান সারান্ডন?

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ থেকে অস্কারজয়ী অভিনেত্রী সুসান সারান্ডন, ‘হ্যাকস’ সিরিজের অভিনেত্রী হান্না আইনবাইন্ডার ও রাজনীতিকসহ প্রায় ১০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নেতানিয়াহুর ভাষণের আগে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাইরে এ বিক্ষোভ হয়।
বিক্ষোভটি আয়োজন করে ‘জুয়িশ ভয়েস ফর পিস’। প্রায় ২০০ মানুষ সাদা টি-শার্ট পরে এতে অংশ নেন। তাদের হাতে ‘ইসরায়েলকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ কর’, ‘যুদ্ধ নয়’ ও ‘ফিলিস্তিন মুক্ত হোক’ লেখা প্ল্যাকার্ড ছিল। সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেওয়ায় পুলিশ তাদের সরে যেতে বলে।
পরে নির্দেশ অমান্য করে অবস্থান চালিয়ে যাওয়া বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সারান্ডন, আইনবাইন্ডার ছাড়াও ডেমোক্রেটিক পার্টির কংগ্রেসপ্রার্থী দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ের ও নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের সদস্য চি ওসে ছিলেন।
অস্কারজয়ী সুসানের পরিচয় শুধু সিনেমায় সীমাবদ্ধ নয়
ফিলিস্তিনের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থানের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আবারও আন্তর্জাতিক আলোচনায় এসেছেন সুসান সারান্ডন। নিউইয়র্কে নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভে গ্রেপ্তারের ঘটনাও তার দীর্ঘদিনের প্রকাশ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থানের ধারাবাহিকতায় নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রায় ছয় দশকের অভিনয়জীবন পেরিয়েও ৭৯ বছর বয়সে তিনি এখনো চলচ্চিত্রে সক্রিয়। তবে পর্দায় অভিনয়ের পাশাপাশি মানবাধিকার, শিশু অধিকার, যুদ্ধ, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ফিলিস্তিন ইস্যুতেও নিজের অবস্থান প্রকাশ করে আসছেন তিনি।
১৯৪৬ সালের ৪ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে জন্ম সুসান অ্যাবিগেইল টমালিনের। পরে অভিনয়জগতে তিনি সুসান সারান্ডন নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন। ষাটের দশকের শেষ দিকে অভিনয়ে প্রবেশের পর চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এমন অনেক চরিত্রে অভিনয় করেছেন সারান্ডন, যেগুলো শুধু বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। সমাজ, পরিবার, নারীস্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও মানুষের নৈতিক দ্বন্দ্বের মতো বিষয়ও তার অভিনীত চরিত্রগুলোর মধ্য দিয়ে সামনে এসেছে।
-7af13b.jpg)
তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘দ্য রকি হরর পিকচার শো’, ‘আটলান্টিক সিটি’, ‘বুল ডারহাম’, ‘দ্যলমা অ্যান্ড লুইস’, ‘লরেঞ্জোস অয়েল’ এবং ‘দ্য ক্লায়েন্ট’। এসব ছবির কয়েকটির জন্য তিনি একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়নও পান।
বিশেষ করে ‘দ্যলমা অ্যান্ড লুইস’ তাকে আন্তর্জাতিকভাবে আরও পরিচিত করে তোলে। নারী স্বাধীনতা, বন্ধুত্ব, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও পুরুষতান্ত্রিক সামাজিক কাঠামোর নানা প্রশ্ন নিয়ে নির্মিত ছবিটিতে তার অভিনয় ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।
তবে তার অভিনয়জীবনের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি আসে ‘ডেড ম্যান ওয়াকিং’ ছবির মাধ্যমে। ছবিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক বন্দির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা ধর্মীয় সেবিকা সিস্টার হেলেন প্রেজিনের চরিত্রে অভিনয় করেন সারান্ডন। এই অভিনয়ের জন্য ১৯৯৬ সালে সেরা অভিনেত্রীর একাডেমি পুরস্কার পান তিনি।

মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠিন ও বিতর্কিত একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে নির্মিত ছবিটিতে অপরাধ, অনুশোচনা, ক্ষমা, ন্যায়বিচার এবং মৃত্যুদণ্ডের নৈতিকতা— সবকিছুই উঠে আসে। একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি ও তার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা এক ধর্মীয় সেবিকার মানবিক ও নৈতিক দ্বন্দ্ব ছিল গল্পটির অন্যতম কেন্দ্রীয় বিষয়।
সারান্ডনের অভিনয় সেই চরিত্রটিকে বিশেষ গভীরতা দেয়। অস্কার পাওয়ার মধ্য দিয়ে তার দীর্ঘ অভিনয়জীবনের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতিগুলোর একটি আসে। তবে অস্কারের পর তার পথ শুধু পুরস্কার ও চলচ্চিত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি।
পর্দার বাইরে শিশু অধিকার ও মানবিক কাজ
জনজীবনে সারান্ডনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শিশু অধিকার ও মানবিক কর্মকাণ্ড। ১৯৯৯ সালে তিনি ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিযুক্ত হন। শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রচারে অংশ নেন।
২০০০ সালে তিনি ভারত ও তানজানিয়া সফর করেন। ভারতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য পরিচালিত প্রাথমিক শৈশব উন্নয়ন কর্মসূচি সম্পর্কে কাজ করেন তিনি। ওই সময় শিশুদের মধ্যে এইচআইভি ও এইডসের প্রভাব নিয়েও কর্মসূচিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
একই বছর তানজানিয়ায় গিয়ে এইচআইভি ও এইডসে আক্রান্ত শিশু ও পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করেন সারান্ডন। সেখানে ইউনিসেফ-সমর্থিত কাউন্সেলিং, শিক্ষা ও শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমও তিনি প্রত্যক্ষ করেন। বিভিন্ন কমিউনিটি কেন্দ্রে তরুণদের সংগীত, নাটক ও গল্প বলার মাধ্যমে এইচআইভি প্রতিরোধ ও এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগও দেখেন তিনি।
ইউনিসেফের সঙ্গে তার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব এখন অতীতের বিষয়। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে তাকে সাবেক শুভেচ্ছাদূত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
জনপ্রিয়তার বাইরে নিজের কণ্ঠ
সারান্ডনের পরিচয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে প্রকাশ্যে মত দেওয়া। যুদ্ধ, মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারসহ নানা বিষয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে কথা বলেছেন। তার এসব অবস্থান কখনো প্রশংসিত হয়েছে, আবার কখনো তীব্র সমালোচনার মুখেও পড়েছে।
ফিলিস্তিন ইস্যুতে তার অবস্থান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। ২০২৩ সালে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনপন্থি বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার অংশগ্রহণ ও বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। তার কিছু বক্তব্যের পর দীর্ঘদিনের প্রতিভা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার সম্পর্কও শেষ হয়। ২০২৩ সালে ফিলিস্তিনপন্থি মন্তব্যের পর তার দীর্ঘদিনের ব্যবস্থাপনা সংস্থা তাকে বাদ দেয়।
পরে সারান্ডন তার একটি বক্তব্য নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। তবে ফিলিস্তিনের পক্ষে তার প্রকাশ্য অবস্থান থেকে তিনি সরে আসেননি।
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে নতুন চলচ্চিত্র নিয়ে হাজির হয়ে সারান্ডন বলেন, ফিলিস্তিনের পক্ষে তার প্রকাশ্য অবস্থানের কারণে তিনি এখনো চলচ্চিত্রের কাজ হারাচ্ছেন। তার ভাষ্য, কিছু এজেন্সি নির্মাতাদের তাকে নিয়োগ না করতে বলছে।
কাজ হারানোর বিষয়ে এটি সারান্ডনের নিজের বক্তব্য ও অভিজ্ঞতার বর্ণনা। তাকে ঘিরে চলচ্চিত্রশিল্পের সর্বজনীন কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা বা কালো তালিকা রয়েছে— এমন প্রমাণ প্রকাশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবে তার বক্তব্যটি শিল্পী, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং পেশাগত জীবনের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ভেনিসে সারান্ডন তার নতুন ছবির পরিচালক আন্দ্রেয়া পাল্লাওরোকে তাকে কাজ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, চলচ্চিত্রের বাইরের মানুষের কাছ থেকেও তিনি সমর্থন ও উষ্ণতা পেয়েছেন।
বয়স বাড়লেও থামেনি অভিনয়
দীর্ঘ অভিনয়জীবনের এই পর্যায়েও সারান্ডন নতুন চলচ্চিত্রে কাজ করে যাচ্ছেন। ২০২৬ সালের ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত তার নতুন ছবি ‘দ্য ইকো চেম্বার’ও এ কারণে আলোচনায় আসে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ইতালীয় নির্মাতা আন্দ্রেয়া পাল্লাওরো এবং এটি উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগে ছিল।
ছবিতে সারান্ডন একজন বয়সী গায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নিজের ক্যারিয়ারে নতুন করে ফিরে আসার চেষ্টা করা ওই চরিত্রটি মাদকাসক্তি থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা একজন সংগীত প্রযোজকের সাহায্য নেয়। ছবিটির গল্পে তাই বয়স, শিল্পজীবন ও নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়ও উঠে আসে।
সারান্ডনের নিজের জীবন আর তার অভিনীত চরিত্রের মধ্যে এখানে যেন একটি প্রতীকী মিলও খুঁজে পাওয়া যায়। পর্দায় তার চরিত্র যেমন নতুন করে ফিরে আসার চেষ্টা করে, বাস্তবেও প্রায় ৮০ বছর বয়সে সারান্ডন এখনো নতুন চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন।
সুসানকে একটি পরিচয়ে বাঁধা কঠিন
সারান্ডনকে শুধু অভিনেত্রী বললে তার পরিচয়ের একটি অংশই তুলে ধরা হয়। তিনি একজন অস্কারজয়ী শিল্পী, শিশু অধিকারকর্মী এবং মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত একজন পরিচিত মুখ। পাশাপাশি যুদ্ধ, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে প্রকাশ্য অবস্থানের কারণে তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্কেরও অংশ হয়েছেন।
তার সব রাজনৈতিক বক্তব্য বা অবস্থানের সঙ্গে সবাই একমত হবেন— এমন নয়। তার কিছু বক্তব্য নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে। তবে তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের একটি বৈশিষ্ট্য হলো, জনপ্রিয়তার কারণে নিজের মত প্রকাশ থেকে তিনি সরে থাকেননি।
হলিউডের অনেক তারকা ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশে সতর্ক থাকলেও সারান্ডন বহুবার এমন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন, যেগুলো নিয়ে সমাজে গভীর মতপার্থক্য রয়েছে। ফলে প্রশংসা ও সমালোচনা—দুটিই তার জনপরিচয়ের অংশ হয়ে উঠেছে।
পর্দার চরিত্র থেকে বাস্তব জীবনের প্রশ্ন
সারান্ডনের অভিনয়জীবনের দিকে তাকালে দেখা যায়, তিনি প্রায়ই এমন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যেগুলোর ভেতরে কোনো না কোনো নৈতিক প্রশ্ন রয়েছে।
একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা ধর্মীয় সেবিকা, দুই নারীর স্বাধীনতার জন্য পালিয়ে যাওয়া, পরিবার ও ব্যক্তিগত সংকটের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা নারী কিংবা জীবনের শেষপ্রান্তে এসে নতুন করে নিজের অস্তিত্ব খুঁজতে থাকা একজন শিল্পী— তার অভিনীত নানা চরিত্রে এমন প্রশ্ন ফিরে এসেছে।
এসব চরিত্রের একটি মিল আছে— তারা সহজ উত্তর মেনে নেয় না।
সারান্ডনের বাস্তব জীবনেও যেন সেই বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন দেখা যায়। জনপ্রিয়তার নিরাপদ জায়গায় থেকে শুধু অভিনয় করে যাওয়ার বদলে তিনি এমন বিষয়েও কথা বলেছেন, যেগুলো নিয়ে সমাজে গভীর মতপার্থক্য রয়েছে।
অস্কারের পরেও যে গল্প শেষ হয়নি
একজন অভিনেত্রীর সবচেয়ে বড় পুরস্কার পাওয়ার পর অনেক সময় তার ক্যারিয়ারের গল্পকে পূর্ণ মনে হয়। সুসান সারান্ডনের ক্ষেত্রে তা হয়নি।
অস্কার তার অভিনয়কে স্বীকৃতি দিয়েছে। ইউনিসেফের কাজ তাকে শিশু অধিকার ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করেছে। আর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ে তার অবস্থান তাকে এমন এক জনপরিচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে, যাঁকে শুধু চলচ্চিত্রের আলো দিয়ে দেখা কঠিন।
প্রায় ছয় দশক ধরে অভিনয় করেও তিনি এখনো ক্যামেরার সামনে দাঁড়াচ্ছেন। একই সঙ্গে নিজের বিশ্বাস ও সামাজিক অবস্থান নিয়েও কথা বলছেন।
তার জীবন তাই শুধু হলিউডের সাফল্যের গল্প নয়। এটি একজন শিল্পীর নিজের কণ্ঠ ধরে রাখার গল্পও।
সিনেমার পর্দায় আলো নিভে যায়, প্রদর্শনী শেষ হয়, দর্শক ঘরে ফিরে যায়। কিন্তু কিছু অভিনেতার প্রভাব সেখানেই শেষ হয় না। তাদের চরিত্র, বক্তব্য ও অবস্থান পর্দার বাইরে আরও দীর্ঘ সময় আলোচনায় থাকে। সুসান সারান্ডন তাদেরই একজন।
অস্কারের মঞ্চে হাতে ওঠা পুরস্কার তাকে অভিনেত্রী হিসেবে ইতিহাসে জায়গা দিয়েছে। কিন্তু মানুষের অধিকার, যুদ্ধ, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ফিলিস্তিন নিয়ে তার প্রকাশ্য অবস্থান তাকে আরেক ধরনের পরিচয়ও দিয়েছে— একজন শিল্পী, যিনি নিজের কণ্ঠকে শুধু অভিনয়ের সংলাপের মধ্যে আটকে রাখেননি।
সূত্র: রয়টার্স ও নিউইয়র্ক টাইমস।




















-3f63d3-256x144.webp)