
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের পরবর্তী ধাপ ও যুদ্ধ-পরবর্তী কৌশল নিয়ে আলোচনা করতে উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টি সম্পর্কে সরাসরি অবগত তিনটি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘যুদ্ধ-পরবর্তী কৌশল’ই এ বৈঠকের প্রধান আলোচ্য ইস্যু।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের খবরে বলা হয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
বৈঠকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমান— উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য ছয় দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান বা পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নিতে পারেন।
অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এরই মধ্যে এ বৈঠকের জন্য প্রাথমিক আমন্ত্রণ পাঠিয়েছে। আরও কয়েকটি আরব ও মুসলিম দেশের নেতাকেও বৈঠকে যুক্ত করা হতে পারে। হোয়াইট হাউজ এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।
এর আগে ট্রাম্প বুধবার বলেন, ‘আশা করছি আমরা যুদ্ধের শেষের দিকে এগিয়ে আছি।’ একই সঙ্গে তার দাবি, ইরান একটি চুক্তিতে যেতে চায় এবং ওয়াশিংটন সরাসরি তেহরানের কাছ থেকেই এ বার্তা পেয়েছে। তবে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। যুদ্ধ এরই মধ্যে সপ্তম মাসে পড়েছে এবং তা শেষ করার কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি এখনো হয়নি।
এ প্রেক্ষাপটে গালফ নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের হামলার শিকার হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং তেল-গ্যাস রপ্তানিতে ধাক্কায় এসব দেশের অর্থনীতিতেও বড় ক্ষতি হয়েছে। ফলে যুদ্ধের সমাপ্তি ও পরবর্তী নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে তাদের সরাসরি অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্পের নিউইয়র্ক বৈঠকের প্রস্তুতির খবর জানাজানি হওয়ার মাত্র এক দিন আগে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও সাত আরব দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের একটি গোপন বৈঠকের খবর প্রকাশ্যে আসে।
ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের আয়োজনে ওই বৈঠকে ইসরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, জর্ডান ও মিসরের সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। সেখানে ইরান যুদ্ধ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও হরমুজ দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
পাশাপাশি ওমানেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের মধ্যে গোপন বৈঠক হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওমানে মার্কিন দূতাবাসে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে হুতিরা মার্কিন ও ইসরায়েলি জাহাজে হামলা না করার এবং ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আশ্বাস দিয়েছে। তবে সৌদি জাহাজ নিয়ে তাদের অবস্থান আলাদা বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
অর্থাৎ, একদিকে ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাপ্তি ও যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে গালফ দেশগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক আলোচনা, অন্যদিকে ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক সমন্বয় ও হুতিদের সঙ্গে যোগাযোগ— সব মিলিয়ে ওয়াশিংটন একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ও কূটনৈতিক দুই ফ্রন্টেই পরবর্তী পরিস্থিতি গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে চান বলে জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত সে বৈঠকের কোনো সূচি নির্ধারিত হয়নি বলে জানিয়েছে অ্যাক্সিওস।

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের পরবর্তী ধাপ ও যুদ্ধ-পরবর্তী কৌশল নিয়ে আলোচনা করতে উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টি সম্পর্কে সরাসরি অবগত তিনটি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘যুদ্ধ-পরবর্তী কৌশল’ই এ বৈঠকের প্রধান আলোচ্য ইস্যু।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের খবরে বলা হয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
বৈঠকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমান— উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য ছয় দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান বা পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নিতে পারেন।
অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এরই মধ্যে এ বৈঠকের জন্য প্রাথমিক আমন্ত্রণ পাঠিয়েছে। আরও কয়েকটি আরব ও মুসলিম দেশের নেতাকেও বৈঠকে যুক্ত করা হতে পারে। হোয়াইট হাউজ এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।
এর আগে ট্রাম্প বুধবার বলেন, ‘আশা করছি আমরা যুদ্ধের শেষের দিকে এগিয়ে আছি।’ একই সঙ্গে তার দাবি, ইরান একটি চুক্তিতে যেতে চায় এবং ওয়াশিংটন সরাসরি তেহরানের কাছ থেকেই এ বার্তা পেয়েছে। তবে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। যুদ্ধ এরই মধ্যে সপ্তম মাসে পড়েছে এবং তা শেষ করার কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি এখনো হয়নি।
এ প্রেক্ষাপটে গালফ নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের হামলার শিকার হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং তেল-গ্যাস রপ্তানিতে ধাক্কায় এসব দেশের অর্থনীতিতেও বড় ক্ষতি হয়েছে। ফলে যুদ্ধের সমাপ্তি ও পরবর্তী নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে তাদের সরাসরি অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্পের নিউইয়র্ক বৈঠকের প্রস্তুতির খবর জানাজানি হওয়ার মাত্র এক দিন আগে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও সাত আরব দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের একটি গোপন বৈঠকের খবর প্রকাশ্যে আসে।
ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের আয়োজনে ওই বৈঠকে ইসরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, জর্ডান ও মিসরের সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। সেখানে ইরান যুদ্ধ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও হরমুজ দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
পাশাপাশি ওমানেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের মধ্যে গোপন বৈঠক হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওমানে মার্কিন দূতাবাসে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে হুতিরা মার্কিন ও ইসরায়েলি জাহাজে হামলা না করার এবং ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আশ্বাস দিয়েছে। তবে সৌদি জাহাজ নিয়ে তাদের অবস্থান আলাদা বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
অর্থাৎ, একদিকে ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাপ্তি ও যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে গালফ দেশগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক আলোচনা, অন্যদিকে ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক সমন্বয় ও হুতিদের সঙ্গে যোগাযোগ— সব মিলিয়ে ওয়াশিংটন একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ও কূটনৈতিক দুই ফ্রন্টেই পরবর্তী পরিস্থিতি গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে চান বলে জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত সে বৈঠকের কোনো সূচি নির্ধারিত হয়নি বলে জানিয়েছে অ্যাক্সিওস।

রাহুল বলেন, মোদি ‘সোজা হয়ে শুয়ে’ ট্রাম্পের সামনে নতজানু হয়েছেন। ভারতীয়দের ওপর ‘ইউপিআই ট্যাক্স’ চাপিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি মোদিকে ‘মেরুদণ্ড সোজা করে’ নতুন ফি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে যুক্তরাষ্ট্রের আনুমানিক ৩৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বা তিন হাজার ৩৪০ ডলার খরচ হয়েছে। এর মধ্যে শুধু গোলাবারুদ ও অস্ত্র ব্যবহারেই ব্যয় হয়েছে ২২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহারের ফলে মার্
১৬ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমারে সামরিক জান্তার কাছে গ্রাহকদের তথ্য হস্তান্তর ও নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা নজরদারি সরঞ্জাম বিক্রির অভিযোগে নরওয়ের টেলিযোগাযোগ কোম্পানি টেলিনরের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক তদন্ত শুরু করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কোম্পানিটির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তার অভিযোগও আনা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়া কোনো পক্ষেরই স্বার্থে নয়। তাই দুই দেশকে ‘যৌক্তিক ও সংযত’ থাকার পাশাপাশি জুনে সই হওয়া ইসলামাবাদ সমঝোতায় ফিরে যেতে হবে। একই সঙ্গে এতদিনের আলোচনায় যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে, তার ভিত্তিতে নতুন করে আলোচনা কাঠামো গড়ে তুলে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোত
১৭ ঘণ্টা আগে