
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বসার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফলে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে সম্ভাব্য কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ফক্স নিউজের এক সাংবাদিককে ফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে চুক্তিতে আসতে হবে, তা না হলে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংসের মুখে পড়তে পারে অথবা দেশটির নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করবেন কি না— একই সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নও রাখা হয় ট্রাম্পের সামনে। জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি ‘সম্ভবত’ উন্মুক্ত।
পেজেশকিয়ান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যুদ্ধ চললেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির জন্য ভিসা অনুমোদন করেছে। তবে তাদের চলাচল ও অন্যান্য কার্যক্রমে বিধিনিষেধ থাকবে।
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে অবশ্য আলোচনার সম্ভাবনার পাশাপাশি সামরিক চাপের হুমকিও স্পষ্ট। রোববার ট্রাম্প ইরান নিয়ে কয়েকটি বিকল্প বিবেচনার কথা বলেন এবং নতুন করে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন।
এর জবাবে ইরানের সামরিক নেতৃত্ব সতর্ক করেছে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালালে মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী পালটা হামলা চালানো হবে। যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্রদেরও সংঘাতের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
এ অবস্থায় ট্রাম্প-পেজেশকিয়ান বৈঠক হলে সেটি সরাসরি যুদ্ধবিরতি আলোচনায় রূপ নেবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত সংকুচিত হয়ে যাওয়া, মধ্যপ্রাচ্যের তেল সরবরাহে চাপ ও সৌদি আরবে হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার মধ্যে যেকোনো মার্কিন-ইরান যোগাযোগের গুরুত্ব বাড়ছে।
সোমবার কূটনৈতিক অগ্রগতির আশায় বিশ্ববাজারে তেলের দামও কিছুটা কমেছে— ব্রেন্ট নেমে প্রায় ১০১ দশমিক ৭১ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ৯৮ দশমিক ১৫ ডলারে নেমে এসেছে।
তবে বৈঠক হবে কি না, হলে আলোচনার এজেন্ডা কী হবে এবং ইরান হরমুজ পুনরায় খুলতে কী শর্ত দেবে— এসবই এখনো অনিশ্চিত। তাই জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে সম্ভাব্য এই সাক্ষাৎ যুদ্ধের গতিপথ বদলানোর কোনো উদ্যোগে পরিণত হয় কি না, সেদিকেই নজর থাকবে সবার।

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বসার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফলে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে সম্ভাব্য কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ফক্স নিউজের এক সাংবাদিককে ফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে চুক্তিতে আসতে হবে, তা না হলে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংসের মুখে পড়তে পারে অথবা দেশটির নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করবেন কি না— একই সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নও রাখা হয় ট্রাম্পের সামনে। জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি ‘সম্ভবত’ উন্মুক্ত।
পেজেশকিয়ান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যুদ্ধ চললেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির জন্য ভিসা অনুমোদন করেছে। তবে তাদের চলাচল ও অন্যান্য কার্যক্রমে বিধিনিষেধ থাকবে।
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে অবশ্য আলোচনার সম্ভাবনার পাশাপাশি সামরিক চাপের হুমকিও স্পষ্ট। রোববার ট্রাম্প ইরান নিয়ে কয়েকটি বিকল্প বিবেচনার কথা বলেন এবং নতুন করে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন।
এর জবাবে ইরানের সামরিক নেতৃত্ব সতর্ক করেছে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালালে মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী পালটা হামলা চালানো হবে। যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্রদেরও সংঘাতের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
এ অবস্থায় ট্রাম্প-পেজেশকিয়ান বৈঠক হলে সেটি সরাসরি যুদ্ধবিরতি আলোচনায় রূপ নেবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত সংকুচিত হয়ে যাওয়া, মধ্যপ্রাচ্যের তেল সরবরাহে চাপ ও সৌদি আরবে হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার মধ্যে যেকোনো মার্কিন-ইরান যোগাযোগের গুরুত্ব বাড়ছে।
সোমবার কূটনৈতিক অগ্রগতির আশায় বিশ্ববাজারে তেলের দামও কিছুটা কমেছে— ব্রেন্ট নেমে প্রায় ১০১ দশমিক ৭১ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ৯৮ দশমিক ১৫ ডলারে নেমে এসেছে।
তবে বৈঠক হবে কি না, হলে আলোচনার এজেন্ডা কী হবে এবং ইরান হরমুজ পুনরায় খুলতে কী শর্ত দেবে— এসবই এখনো অনিশ্চিত। তাই জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে সম্ভাব্য এই সাক্ষাৎ যুদ্ধের গতিপথ বদলানোর কোনো উদ্যোগে পরিণত হয় কি না, সেদিকেই নজর থাকবে সবার।

পরে দুই দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হতে থাকলে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে পালটাপালটি ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগানসহ বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক স্লোগান দেওয়া হয়। আওয়ামী লীগ-সমর্থকদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানও শোনা যায়।
১১ ঘণ্টা আগে
ডেমোক্র্যাটদের ট্রাম্প এমনভাবে ‘কমিউনিস্ট’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন, যেন তা গালির সমতুল্য। অথচ একই সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কমিউনিস্ট রাষ্ট্র চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের জন্য হোয়াইট হাউজে আয়োজন করা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সফর ও নৈশভোজের।
১১ ঘণ্টা আগে
পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্কও সম্প্রতি পার্লামেন্টে একই ধরনের আশঙ্কার কথা জানান। তার ভাষ্য, গোয়েন্দা মূল্যায়নে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, আগামী কয়েক মাসে রাশিয়া ন্যাটোর ভূখণ্ডে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে জোটের ‘আর্টিকেল ৫’ কতটা কার্যকর, তা পরীক্ষা করতে পারে। ন্যাটোর এই ধারায় একটি সদস্য
১৪ ঘণ্টা আগে
গত বছর চীনের ওপর একের পর এক উচ্চ শুল্ক ও প্রযুক্তি-নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বেইজিংকে চাপে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু তাতে চীনের আচরণ বদলানোর বদলে উলটো যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই চাপ তৈরি হয়। বিশেষ করে ইলেকট্রনিকস, সামরিক সরঞ্জাম ও উচ্চপ্রযুক্তিতে ব্যবহৃত বিরল খনিজের সরবরাহে চীনের শক্তিশালী অবস্থান ওয়
১৪ ঘণ্টা আগে