
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার কঠিন প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির শক্তিশালী বাহিনী 'বিপ্লবী গার্ড' (আইআরজিসি)। আজ রোববার সকালে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত করার পরপরই এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় ৮৬ বছর বয়সী এই নেতার মৃত্যুর খবরকে 'শত্রুদের কাপুরুষোচিত কাজ' বলে বর্ণনা করেছে সেনাবাহিনী।
১৯৮৯ সাল থেকে টানা ৩৫ বছর ইরানের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী থাকা খামেনির প্রস্থানে দেশটিতে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। তবে শোকের মাঝেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তেহরান খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করার পর এক বিবৃতিতে আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমরা একজন মহান নেতাকে হারিয়েছি এবং আমরা তার জন্য শোকাহত। মানবতার সবচেয়ে নিষ্ঠুর সন্ত্রাসী ও জল্লাদদের হাতে আমাদের মহান নেতার এই শাহাদাৎ বরণ প্রমাণ করে যে তার ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্ব এবং দেশপ্রেম তাদের জন্য আতঙ্কজনক হয়ে উঠেছিল।”
“যাদের হাতে আমাদের সর্বোচ্চ নেতা নেতা নিহত হয়েছেন— তাদের এই জাতি ছাড়বে না। ইরান প্রতিশোধ নেবে এবং আইআরজিসি দেশি-বিদেশি যে কোনো ষড়যন্ত্র-কে নির্মূল করতে বদ্ধ পরিকর।”
গতকাল ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। তারপর গতকাল রাতেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান যে খামেনি নিহত হয়েছেন। তার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন।
রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে সরকারিভাবে খামেনি নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে ইরান।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার কঠিন প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির শক্তিশালী বাহিনী 'বিপ্লবী গার্ড' (আইআরজিসি)। আজ রোববার সকালে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত করার পরপরই এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় ৮৬ বছর বয়সী এই নেতার মৃত্যুর খবরকে 'শত্রুদের কাপুরুষোচিত কাজ' বলে বর্ণনা করেছে সেনাবাহিনী।
১৯৮৯ সাল থেকে টানা ৩৫ বছর ইরানের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী থাকা খামেনির প্রস্থানে দেশটিতে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। তবে শোকের মাঝেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তেহরান খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করার পর এক বিবৃতিতে আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমরা একজন মহান নেতাকে হারিয়েছি এবং আমরা তার জন্য শোকাহত। মানবতার সবচেয়ে নিষ্ঠুর সন্ত্রাসী ও জল্লাদদের হাতে আমাদের মহান নেতার এই শাহাদাৎ বরণ প্রমাণ করে যে তার ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্ব এবং দেশপ্রেম তাদের জন্য আতঙ্কজনক হয়ে উঠেছিল।”
“যাদের হাতে আমাদের সর্বোচ্চ নেতা নেতা নিহত হয়েছেন— তাদের এই জাতি ছাড়বে না। ইরান প্রতিশোধ নেবে এবং আইআরজিসি দেশি-বিদেশি যে কোনো ষড়যন্ত্র-কে নির্মূল করতে বদ্ধ পরিকর।”
গতকাল ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। তারপর গতকাল রাতেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান যে খামেনি নিহত হয়েছেন। তার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন।
রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে সরকারিভাবে খামেনি নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে ইরান।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, খামেনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে যে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল তা ছিল 'শত্রুর মনস্তাত্ত্বিক লড়াই'; বরং তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজ দপ্তরেই অবস্থান করছিলেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির দ্বিতীয় সুপ্রিম লিডার ও সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফের এই আকস্মিক মৃত
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসন ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। এক বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ সময় রোববার মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি নিহত।’
৫ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসির দাবি, সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার জবাবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধের আদেশ জারি করেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
১২ ঘণ্টা আগে