
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের কোনো আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগে টুইটার) এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যে চোরাবালিতে আটকে গেছে, তা থেকে বাঁচতে মিথ্যা খবর ব্যবহার করা হচ্ছে।’
ইরান ‘আগ্রাসনকারীদের পূর্ণাঙ্গ ও অনুশোচনামূলক শাস্তি’ দাবি করে বলে দ্বিতীয় একটি পোস্টে জানান গালিবাফ। ওই পোস্টে তিনি আরও লেখেন, এই লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের কর্মকর্তারা ‘দৃঢ়ভাবে তাদের সর্বোচ্চ নেতা ও জনগণের পাশে রয়েছেন’।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনা প্রসঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে একই দাবি করে। স্পিকার গালিবাফের পোস্টের আগে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবরটি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি এবং যুদ্ধ বন্ধের শর্ত নিয়ে তেহরানের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
বাঘাইয়ের বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনা জানায়, “যুদ্ধ বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার অনুরোধ নিয়ে কিছু বন্ধু দেশের কাছ থেকে বার্তা পাওয়া গেছে। তবে এর জবাবে ইরান ‘তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে যেকোনো হামলার ভয়াবহ পরিণতি’ সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিয়েছে।”
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্থানীয় সময় আজ সোমবার দাবি করেন, ইরানের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কথা হয়েছে। ইরানই প্রথমে আলোচনার জন্য যোগাযোগ করেছিল। ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্টের পর সাংবাদিকেরও একই কথা বলেন।
ফ্লোরিডার একটি বিমানবন্দরে আজ ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বেশ জোরালো আলোচনা হয়েছে এবং দুই পক্ষ ‘প্রধান প্রধান বিষয়ে একমত’ হতে পেরেছে। এই আলোচনা সপ্তাহ জুড়ে অব্যাহত থাকবে জানিয়ে তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ‘বেশ জোরালো’ আলোচনা হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলব, আমাদের মধ্যে প্রধান প্রধান বিষয়ে ঐকমত্যের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। এমনকি প্রায় সব বিষয়ে আমরা একমত হতে পেরেছি।’
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরান একটি চুক্তি করতে ‘খুব আগ্রহী’। তিনি বলেন, ‘আমরাও একটি চুক্তি করতে চাই। আজ সম্ভবত ফোনের মাধ্যমে আমাদের কথা হবে।’ ট্রাম্প জানান, তার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জারেড কুশনার এই আলোচনা চালাচ্ছেন।
ইরানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে ঠিক কার সঙ্গে কথা হচ্ছে, তা উল্লেখ না করলেও ট্রাম্প জানান, এই আলোচনায় ইরানের একজন ‘শীর্ষ পর্যায়ের সম্মানিত নেতা’ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি আরও জানান, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কিছু জানতে পারেনি।
মোজতবা খামেনি বেঁচে আছেন কি না, সে সম্পর্কেও ট্রাম্প নিশ্চিত নন জানিয়ে বলেন, তিনি মোজতবা খামেনির মৃত্যু কামনা করেন না। তবে ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে দেশটিতে হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তবে ইরানের সঙ্গে ‘অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ আলোচনার দাবি করে আপাতত আগামী পাঁচ দিন দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা না চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের কোনো আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগে টুইটার) এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যে চোরাবালিতে আটকে গেছে, তা থেকে বাঁচতে মিথ্যা খবর ব্যবহার করা হচ্ছে।’
ইরান ‘আগ্রাসনকারীদের পূর্ণাঙ্গ ও অনুশোচনামূলক শাস্তি’ দাবি করে বলে দ্বিতীয় একটি পোস্টে জানান গালিবাফ। ওই পোস্টে তিনি আরও লেখেন, এই লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের কর্মকর্তারা ‘দৃঢ়ভাবে তাদের সর্বোচ্চ নেতা ও জনগণের পাশে রয়েছেন’।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনা প্রসঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে একই দাবি করে। স্পিকার গালিবাফের পোস্টের আগে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবরটি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি এবং যুদ্ধ বন্ধের শর্ত নিয়ে তেহরানের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
বাঘাইয়ের বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনা জানায়, “যুদ্ধ বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার অনুরোধ নিয়ে কিছু বন্ধু দেশের কাছ থেকে বার্তা পাওয়া গেছে। তবে এর জবাবে ইরান ‘তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে যেকোনো হামলার ভয়াবহ পরিণতি’ সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিয়েছে।”
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্থানীয় সময় আজ সোমবার দাবি করেন, ইরানের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কথা হয়েছে। ইরানই প্রথমে আলোচনার জন্য যোগাযোগ করেছিল। ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্টের পর সাংবাদিকেরও একই কথা বলেন।
ফ্লোরিডার একটি বিমানবন্দরে আজ ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বেশ জোরালো আলোচনা হয়েছে এবং দুই পক্ষ ‘প্রধান প্রধান বিষয়ে একমত’ হতে পেরেছে। এই আলোচনা সপ্তাহ জুড়ে অব্যাহত থাকবে জানিয়ে তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ‘বেশ জোরালো’ আলোচনা হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলব, আমাদের মধ্যে প্রধান প্রধান বিষয়ে ঐকমত্যের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। এমনকি প্রায় সব বিষয়ে আমরা একমত হতে পেরেছি।’
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরান একটি চুক্তি করতে ‘খুব আগ্রহী’। তিনি বলেন, ‘আমরাও একটি চুক্তি করতে চাই। আজ সম্ভবত ফোনের মাধ্যমে আমাদের কথা হবে।’ ট্রাম্প জানান, তার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জারেড কুশনার এই আলোচনা চালাচ্ছেন।
ইরানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে ঠিক কার সঙ্গে কথা হচ্ছে, তা উল্লেখ না করলেও ট্রাম্প জানান, এই আলোচনায় ইরানের একজন ‘শীর্ষ পর্যায়ের সম্মানিত নেতা’ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি আরও জানান, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কিছু জানতে পারেনি।
মোজতবা খামেনি বেঁচে আছেন কি না, সে সম্পর্কেও ট্রাম্প নিশ্চিত নন জানিয়ে বলেন, তিনি মোজতবা খামেনির মৃত্যু কামনা করেন না। তবে ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে দেশটিতে হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তবে ইরানের সঙ্গে ‘অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ আলোচনার দাবি করে আপাতত আগামী পাঁচ দিন দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা না চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়নে সমর্থন দেওয়া এবং তা এগিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে।
১ দিন আগে
অবজারভার আরও জানিয়েছে, পদত্যাগ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। কাল সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে এখন একটি স্পষ্ট বিবৃতি প্রত্যাশা করছেন তার লেবার পার্টির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা।
১ দিন আগে
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিধানসভা নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীদলীয় নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতা দখলের লড়াই চরম রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুস
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১ দিন আগে