পশ্চিমবঙ্গে পশু জবাইয়ে কড়াকড়ি, বিজেপি সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে সর্বস্বান্ত হিন্দুরাই!

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৯ মে ২০২৬, ১৯: ৪৯
গরু ও মহিষ পরিবহন এবং প্রকাশ্যে জবাই করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জোরদার করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ফাইল ছবি

আসন্ন ঈদুল আজহার আগে গবাদিপশু জবাই সংক্রান্ত কয়েক দশকের পুরনো একটি আইন কঠোরভাবে কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে রাজ্যের নতুন সরকারের এই পদক্ষেপ গ্রামীণ পশুপালন অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে এনেছে। একই সঙ্গে এই মুসলিমবিরোধী অবস্থান এবং নীতির কারণে সমাজে ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতিও তীব্র হচ্ছে।

মূলত মুসলিম সম্প্রদায়ের পবিত্র কোরবানিকে বাধাগ্রস্ত করার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থেকেই এই আকস্মিক কড়াকড়ি আরোপ। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই বিদ্বেষমূলক রাজনীতির সবচেয়ে চরম এবং সরাসরি মূল্য দিতে হচ্ছে খোদ রাজ্যের গ্রামীণ হিন্দু পশুপালক ও কৃষকদের।

সোমবার (১৮ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ফেডারেলের খবরে বলা হয়, রাজ্য সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে হাজারও মানুষের জীবিকা সংকটে পড়ার পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী দুগ্ধচাষি ও খামারিদের মধ্যেও তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

গত সপ্তাহে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার ‘পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০’ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ পুনর্ব্যক্ত করে। ওই আইন অনুযায়ী, যেকোনো গবাদিপশু জবাইয়ের আগে সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষ এবং সরকারি পশু চিকিৎসকের যৌথ স্বাক্ষরিত ‘জবাই উপযুক্ত’ (ফিট-ফর-স্লটার) সনদ নেওয়া বাধ্যতামূলক। সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে পশ্চিমবঙ্গে গবাদিপশু পরিবহন এবং প্রকাশ্যে জবাই করার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জোরদার করা হয়েছে।

ব্যাহত হচ্ছে কোরবানির পশুর বাজার

ঈদের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে সরকারের এই আকস্মিক পদক্ষেপে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের মতো জেলাগুলোতে চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এসব এলাকার ক্ষুদ্র দুগ্ধ খামারিরা সাধারণত ঈদুল আজহার সময়ে তাদের বয়োবৃদ্ধ বা অনুৎপাদক (দুধ দেওয়া বন্ধ করা) গবাদিপশু বিক্রি করে থাকেন। এর মাধ্যমে তারা লালন-পালনের খরচ তোলেন এবং প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে আবার নতুন ও কম বয়সী গবাদিপশু কেনেন।

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ভাঙড়ের বামনগাছি এলাকার গবাদিপশু খামারি শশাঙ্ক মণ্ডল বলেন, ‘সরকারের গবাদিপশুর অর্থনীতি নিয়ে কোনো ধারণাই নেই। ধারণা থাকলে ১৯৫০ সালের আইনটি কার্যকর করার আগে আমাদের অন্তত কিছুটা সময় দেওয়া হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘বয়স ও আকারভেদে আমাদের প্রতিদিন একেকটি গরুর পেছনে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা খরচ করতে হয়। একটি গরু বড়জোর ১৪ বছর বাঁচে, অথচ সরকার বলছে বিক্রির জন্য গরুর বয়স ন্যূনতম ১৪ বছর হতে হবে। এর আগেই যে গরু দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেয়, তা নিয়ে আমরা কী করব? প্রতি বছর ঈদের সময় আমরা বয়োবৃদ্ধ গরু বিক্রি করি এবং সেই টাকার একটা অংশ দিয়ে নতুন গরু কিনি।’

আইনানুযায়ী, কর্তৃপক্ষ যদি প্রত্যয়ন করে যে পশুর বয়স ১৪ বছরের বেশি এবং এটি কাজ বা প্রজননের অনুপযুক্ত, অথবা আঘাত, বিকলাঙ্গতা বা দুরারোগ্য ব্যাধির কারণে স্থায়ীভাবে অক্ষম, কেবল তখনই সেটি জবাই করা যাবে।

বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কায় খামারিরা

খামারিদের অভিযোগ, আইন কঠোর করায় কোরবানির পশুর বাজারগুলো স্থবির হয়ে পড়েছে। আইনি জটিলতা এবং স্বঘোষিত ‘গো-রক্ষকদের’ হামলার ভয়ে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা বাজারে আসছেন না।

ভাঙড়ের বামুনিয়া গ্রামের খামারি সুরজিৎ ঘোষ জানান, তার পরিবার গত দুই দশক ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি বলেন, ‘এই ব্যবসার জন্য আমরা প্রায় ১৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছি। যেসব গরু দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেয়, সেগুলোকে ছয়-সাত মাস ভালোভাবে খাইয়ে ঈদের বাজারে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়। বিক্রির পর আমরা ঋণ পরিশোধ করি। এখন ভয়ের কারণে কেউ পশু কিনতে আসছে না। সরকারের উচিত আমাদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়া।’

একই গ্রামের আরেক খামারি সঞ্জিত ঘোষ জানান, ঈদের আগে তার প্রায় ২০টি গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় এখন ছয় সদস্যের পরিবার নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘যারা অগ্রিম টাকা দিয়েছিল, তারা এখন টাকা ফেরত চাচ্ছে। ধান কেনার মতো সরকারকেও এবার ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে খামারিদের কাছ থেকে গবাদিপশু কেনা উচিত।’

পশ্চিমবঙ্গের অনগ্রসর শ্রেণির (ওবিসি) অন্তর্গত ‘ঘোষ’ পদবিধারী গোয়ালা ও সদগোপ সম্প্রদায় ঐতিহাসিকভাবে দুগ্ধ খামার ও গবাদিপশু পালনের সঙ্গে যুক্ত। গ্রামীণ আয়ের একটি প্রধান সম্পূরক উৎস হওয়ায় এই গোষ্ঠীগুলোই এখন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মতে, বয়স, আকার ও শারীরিক গঠনের ওপর ভিত্তি করে ঈদের বাজারের জন্য প্রস্তুত করা একেকটি গরুর দাম ২ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

সরকারের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা বিরোধীদের

বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের দাবি, বিজেপি সরকারের ‘গো-রক্ষা’র রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের কৃষিভিত্তিক বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভাঙড়ের ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, ‘শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি সরকার মুসলমানদের লক্ষ্যবস্তু করতে চেয়েছিল, কিন্তু এর ফলে হিন্দুরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পশুপালনের সঙ্গে জড়িত মানুষের ৮০ শতাংশই অমুসলিম ভাই। মুসলমানদের কোরবানির জন্য ছাগল বা অন্য পশুর বিকল্প রয়েছে। কিন্তু এই খামারিরা একেকটি পশুর পেছনে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছেন এই আশায় যে, সেগুলো অন্তত ১ লাখ টাকায় বিক্রি হবে।’

বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী সরকারকে ১৯৫০ সালের আইনের ১২ নম্বর ধারাটি প্রয়োগ করার আহ্বান জানান। এই ধারায় ধর্মীয়, ঔষধি বা গবেষণা কাজের জন্য নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে যেকোনো পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে আইন শিথিল করার ক্ষমতা রাজ্য সরকারকে দেওয়া হয়েছে।

তিনি যুক্তি দেন, প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট এলাকায় ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাময়িক শিথিলতা দিতে এই ধারা ব্যবহার করা যেতে পারে, যাতে ঐতিহ্যগত ধর্মীয় আচার ও গ্রামীণ গবাদিপশুর অর্থনীতি একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। তিনি আরও দাবি করেন, বামুনিয়া গ্রামে এক খামারি লোকসানের উদ্বেগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তবে স্বাধীনভাবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

গরুর ‘জন্মনিবন্ধন’ চাওয়ায় নতুন বিতর্ক

গত সপ্তাহে হিঙ্গলগঞ্জে নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক রেখা পাত্র গবাদিপশুবাহী একটি গাড়ি আটকে গরুগুলোর বয়স প্রমাণের জন্য ‘জন্মনিবন্ধন সনদ’ দাবি করার পর বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়।

রেখা পাত্র বলেন, ‘আমাদের সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, ১৪ বছরের কম বয়সী গরু জবাইয়ের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। কাউকে বেআইনিভাবে গরু পরিবহন করতে দেখলে আমাদের অবশ্যই তাদের আটকাতে হবে এবং গরুর জন্মনিবন্ধন সনদ দেখাতে বলতে হবে।’

এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে ঈদের আগে পশু ব্যবসায়ী ও খামারিদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়। বিরোধী দলগুলো এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে অভিযোগ করেছে যে, বিজেপি কর্মীরা আইন নিজেদের হাতে তুলে নিয়ে গবাদিপশু পরিবহন ও জবাইয়ের নিয়মের নামে হয়রানি করছে।

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) এবং অন্যান্য বিরোধী দল সরকারের বিরুদ্ধে পবিত্র উৎসবের আগে ভীতিপ্রদ পরিবেশ তৈরির অভিযোগ এনেছে। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির রাজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম অভিযোগ করেন, গো-রক্ষার নামে অতিউত্সাহী সমর্থকদের দ্বারা গবাদিপশু জব্দ, পশুর বাজার বন্ধ এবং ব্যবসায়ীদের হয়রানির ঘটনা ঘটছে, যা পুরো পশ্চিমবঙ্গে ক্ষুদ্র বিক্রেতা, খামারি ও সংখ্যালঘুদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বলপ্রয়োগের মাধ্যমে নিয়ম কার্যকরের চেষ্টা সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে উদ্বেগ

কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন যে, এই বিজ্ঞপ্তির কারণে মুর্শিদাবাদের মতো সংখ্যালঘু প্রধান জেলাগুলোতে ‘বিভ্রান্তি, ক্ষোভ ও উদ্বেগ’ তৈরি হয়েছে। কংগ্রেস এই পদক্ষেপকে ‘সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় আচারে হস্তক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছে, যা পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তি বিনষ্ট করতে পারে।

এ ছাড়া এক বিবৃতিতে সোশ্যালিস্ট ইউনিটি সেন্টার অফ ইন্ডিয়া (কমিউনিস্ট) পার্টির সাধারণ সম্পাদক প্রভাস ঘোষ বলেন, এই বিধিনিষেধের ফলে বংশানুক্রমিক ধর্মীয় রীতিনীতি বাধাগ্রস্ত হবে এবং এর ফলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হতে পারে। এদিকে, মুসলিম ধর্মীয় নেতা ও আলেমরা পুণ্যার্থীদের আইনি নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন এবং প্রয়োজনে গরুর পরিবর্তে ছাগল বা দুম্বা কোরবানির পরামর্শ দিয়েছেন।

মানবাধিকার কর্মী কিরীটি রায় বলেন, এই বিতর্কটি মূলত হিন্দুত্ববাদী গো-রক্ষা রাজনীতি এবং পশ্চিমবঙ্গের অনন্য গ্রামীণ অর্থনীতির মধ্যকার দ্বন্দ্বকে সামনে এনেছে। তিনি বলেন, ‘বয়োবৃদ্ধ গবাদিপশু পুনর্বিক্রিয় পশ্চিমবঙ্গের দুগ্ধ অর্থনীতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্ষুদ্র খামারিদের জন্য এটি একটি অর্থনৈতিক চক্র, যা তাদের পারিবারিক আয় সচল রাখে এবং নতুন পশু কেনার সুযোগ করে দেয়। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না করে এভাবে হঠাৎ আইন কার্যকর করলে গ্রামীণ নিম্ন আয়ের হিন্দু সম্প্রদায়গুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যাদের বিজেপি রাজনৈতিকভাবে নিজেদের পক্ষে টানতে চাইছে।’

রাজনীতি/আইআর

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

দিল্লির মানচিত্র ও ভূগোল বদলে যাবে, পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের সামরিক অভিযানের জবাবে পাকিস্তান ‘অপারেশন বুনইয়ান-উম-মারসুস’ নামে বড় ধরনের পাল্টা অভিযান চালায়। পাকিস্তানের দাবি, ওই অভিযানে ভারতের একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলার পাশাপাশি আটটি যুদ্ধবিমান— যার মধ্যে রাফালও ছিল— এবং বেশ কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে

৮ ঘণ্টা আগে

ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ধ্বংসযজ্ঞের তথ্য গোপন যুক্তরাষ্ট্রের

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের হামলায় অন্তত ২২৮টি স্থাপনা বা সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হ্যাঙ্গার, ব্যারাক, জ্বালানি ডিপো, বিমান, রাডার, যোগাযোগব্যবস্থা ও আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম।

৮ ঘণ্টা আগে

গাজাগামী ফ্লোটিলার ৩৯টি ত্রাণবাহী জাহাজ আটক করল ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক জলসীমায় গাজা থেকে প্রায় ২৫০ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থানকালে ইসরায়েলি যুদ্ধজাহাজ বহরটিকে ঘিরে ফেলে। পরে সামরিক কমান্ডোরা একে একে কয়েকটি জাহাজে উঠে নিয়ন্ত্রণ নেয়। আটক হওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে অন্তত ৪৪ জন তুর্কি নাগরিক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে আয়োজকরা।

৯ ঘণ্টা আগে

কঙ্গোতে ইবোলার প্রাদুর্ভাবে অন্তত ১০০ জনের মৃত্যু

ইবোলার বর্তমান স্ট্রেইনের এই প্রাদুর্ভাবকে ‘আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। আক্রান্তদের জন্য কোনো অনুমোদিত ওষুধ বা টিকা না থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

১১ ঘণ্টা আগে