
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে তারই ছেলে মোজতবা খামেনির নাম। এরই মধ্যে ইরান সরকার ও সামরিক বাহিনীসহ বিভিন্ন মহল থেকে সমর্থন জানানো হয়েছে মোজতবাকে। আন্তর্জাতিক মহলেও তার নিয়োগ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া।
বিবিসি ও আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের মিত্র হিসেবে পরিচিত রাশিয়া ও চীনের পক্ষ থেকে সমর্থন এসেছে নতুন এই সর্বোচ্চ নেতার পক্ষে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সরাসরি বার্তা দিয়ে মোজতবাকে আকুণ্ঠ সমর্থন দেওয়ার কথা জানান। অন্যদিকে বিপরীত প্রতিক্রিয়া এসেছে ট্রাম্পের কাছ থেকে। তিনি বলেছেন, মার্কিন সমর্থন না থাকলে ইরানের নেতৃত্ব দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সোমবার (৯ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনিকে ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। পরিষদ জানিয়েছে, ইরানের জাতীয় সংবিধানের আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর আয় দিন পর তারই ছেলেকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হলো। ১৯৭৯ সালে ইরান বিপ্লবের পর আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি দেশটির প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হয়েছিলেন। তার মৃত্যুর পর আলি খামেনি সে পদে আসীন হন ১৯৮৯ সালে। এরপর প্রায় ৩৭ বছর তিনিই ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। তার ছেলে এবার ইরানের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হলেন।
মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মোজতবা তার বাবাকে অনুসরণ করে কাজ অব্যাহত রাখবেন বলে প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।
অভিনন্দন বার্তায় পুতিন লিখেছেন, আমি নিশ্চিত যে আপনি আপনার পিতার কাজকে সগৌরবে অব্যাহত রাখবেন এবং ইরানের জনগণকে মারাত্মক চ্যালেঞ্জগুলোর মুখে ঐক্যবদ্ধ রাখবেন।
তেহরানের প্রতি মস্কোর সমর্থন অব্যাহত থাকার কথা উল্লেখ করে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, তেহরানের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন অব্যাহত রাখা ও ইরানি বন্ধুদের সঙ্গে সংহতির কথা আবারও জোর দিয়ে উল্লেখ করতে আমি আগ্রহী।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ইরানের নতুন নেতাকে দেশটির সংবিধানের আলোকে বৈধভাবে নির্বাচিত বলে আখ্যায়িত করেছে। মোজতবা খামেনিকে অভিনন্দন জানিয়ে তারা ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার নিন্দাও জানিয়েছে।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমরা এ সম্পর্কিত সংবাদগুলো লক্ষ্য করছি এবং ইরান এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সংবিধানের আলোকে।
চীনা মুখপাত্র আরও বলেন, বেইজিং যেকোনো অজুহাতে অন্য দেশগুলোর ঘরোয়া বিষয়ে হস্তক্ষেপের বিরোধী এবং ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগলিক অখণ্ডতার প্রতি অবশ্যই সম্মান দেখাতে হবে।
অনুমিতভাবেই সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী প্রতিক্রিয়া এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে। নিউইয়র্ক পোস্টের সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, ‘তাকে (মোজতবা খামেনি) নিয়ে আমি খুশি নই।’
এর আগে রোববার এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের নতুন নেতাকে আমাদের অনুমোদন নিতে হবে। যদি সে আমাদের অনুমোদন না পায়, তাহলে সে বেশিদিন টিকবে না।’
সোমবার মোজতবা খামেনির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলেও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তার নাম আলোচনায় রয়েছে আগে থেকেই। ওই সময় ট্রাম্প তাকে ‘দুর্বল’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের মধ্যে সরকারপন্থি সবার কাছে মোজতবা খামেনির নিয়োগ অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে। মোজতবা বাবার মতোই কট্টরপন্থি মূল্যবোধ ধারণ করেন বলেই সবাই জানেন। সে হিসাবে আলি খামেনির নীতিকেই মোজতবা সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার বিরোধী যারা, তারা এ নিয়োগে হতাশা জানিয়েছেন। তারাও মনে করেন, আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের যতটুকু সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, মোজতবার নিয়োগের ফলে সে সম্ভাবনার অবসান ঘটল।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে তারই ছেলে মোজতবা খামেনির নাম। এরই মধ্যে ইরান সরকার ও সামরিক বাহিনীসহ বিভিন্ন মহল থেকে সমর্থন জানানো হয়েছে মোজতবাকে। আন্তর্জাতিক মহলেও তার নিয়োগ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া।
বিবিসি ও আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের মিত্র হিসেবে পরিচিত রাশিয়া ও চীনের পক্ষ থেকে সমর্থন এসেছে নতুন এই সর্বোচ্চ নেতার পক্ষে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সরাসরি বার্তা দিয়ে মোজতবাকে আকুণ্ঠ সমর্থন দেওয়ার কথা জানান। অন্যদিকে বিপরীত প্রতিক্রিয়া এসেছে ট্রাম্পের কাছ থেকে। তিনি বলেছেন, মার্কিন সমর্থন না থাকলে ইরানের নেতৃত্ব দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সোমবার (৯ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনিকে ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। পরিষদ জানিয়েছে, ইরানের জাতীয় সংবিধানের আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর আয় দিন পর তারই ছেলেকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হলো। ১৯৭৯ সালে ইরান বিপ্লবের পর আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি দেশটির প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হয়েছিলেন। তার মৃত্যুর পর আলি খামেনি সে পদে আসীন হন ১৯৮৯ সালে। এরপর প্রায় ৩৭ বছর তিনিই ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। তার ছেলে এবার ইরানের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হলেন।
মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মোজতবা তার বাবাকে অনুসরণ করে কাজ অব্যাহত রাখবেন বলে প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।
অভিনন্দন বার্তায় পুতিন লিখেছেন, আমি নিশ্চিত যে আপনি আপনার পিতার কাজকে সগৌরবে অব্যাহত রাখবেন এবং ইরানের জনগণকে মারাত্মক চ্যালেঞ্জগুলোর মুখে ঐক্যবদ্ধ রাখবেন।
তেহরানের প্রতি মস্কোর সমর্থন অব্যাহত থাকার কথা উল্লেখ করে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, তেহরানের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন অব্যাহত রাখা ও ইরানি বন্ধুদের সঙ্গে সংহতির কথা আবারও জোর দিয়ে উল্লেখ করতে আমি আগ্রহী।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ইরানের নতুন নেতাকে দেশটির সংবিধানের আলোকে বৈধভাবে নির্বাচিত বলে আখ্যায়িত করেছে। মোজতবা খামেনিকে অভিনন্দন জানিয়ে তারা ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার নিন্দাও জানিয়েছে।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমরা এ সম্পর্কিত সংবাদগুলো লক্ষ্য করছি এবং ইরান এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সংবিধানের আলোকে।
চীনা মুখপাত্র আরও বলেন, বেইজিং যেকোনো অজুহাতে অন্য দেশগুলোর ঘরোয়া বিষয়ে হস্তক্ষেপের বিরোধী এবং ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগলিক অখণ্ডতার প্রতি অবশ্যই সম্মান দেখাতে হবে।
অনুমিতভাবেই সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী প্রতিক্রিয়া এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে। নিউইয়র্ক পোস্টের সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, ‘তাকে (মোজতবা খামেনি) নিয়ে আমি খুশি নই।’
এর আগে রোববার এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের নতুন নেতাকে আমাদের অনুমোদন নিতে হবে। যদি সে আমাদের অনুমোদন না পায়, তাহলে সে বেশিদিন টিকবে না।’
সোমবার মোজতবা খামেনির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলেও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তার নাম আলোচনায় রয়েছে আগে থেকেই। ওই সময় ট্রাম্প তাকে ‘দুর্বল’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের মধ্যে সরকারপন্থি সবার কাছে মোজতবা খামেনির নিয়োগ অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে। মোজতবা বাবার মতোই কট্টরপন্থি মূল্যবোধ ধারণ করেন বলেই সবাই জানেন। সে হিসাবে আলি খামেনির নীতিকেই মোজতবা সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার বিরোধী যারা, তারা এ নিয়োগে হতাশা জানিয়েছেন। তারাও মনে করেন, আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের যতটুকু সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, মোজতবার নিয়োগের ফলে সে সম্ভাবনার অবসান ঘটল।

অস্ট্রেলিয়ার সিনেটে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি জানান, ইরানি হামলার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে ক্যানবেরা।
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন হরমুজ প্রণালিতে থাকা অকার্যকর মাইন বসানো দশটি ইরানি নৌযানে মার্কিন বাহিনী হামলা করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানায়, এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরাইলের বিভিন্ন শহর, যার মধ্যে তেল আবিব ও হাইফা রয়েছে। এছাড়া ‘পশ্চিম জেরুজালেম’ এলাকাও লক্ষ্যবস্তু করা হয়—এটি বিতর্কিত জেরুজালেম শহরের সেই এলাকা যা বর্তমানে পুরোপুরি ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, এ কারণে আমাদের বিশেষ বাজেটের প্রয়োজন। কয়েক বিলিয়ন শেকেল (ইসরায়েলি মুদ্রা) লাগবে প্রতিরক্ষা বাজেটের জন্য এই যুদ্ধের জন্য।
১০ ঘণ্টা আগে