
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতীয় ফ্রন্ট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, ইরান কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাথানত করবে না।
খামেনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং এর পারমাণবিক কর্মসূচিতে হামলা চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, বিদেশি শক্তিগুলো এখন ভেতর থেকে বিভেদ তৈরি করে ইরানকে দুর্বল করতে চাইছে, কিন্তু ইরানি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে এর মোকাবিলা করবে।
ইরানকে পরাধীন করার মার্কিন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতীয় ফ্রন্ট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ইরান কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাথানত করবে না।
এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া বলছে, বর্তমানে নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি অভিযোগ করে বলেন, গত জুনে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যে হামলা চালিয়েছিল, তা ছিল ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার অংশ।
খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আসল উদ্দেশ্য হলো ইরানকে নিজের ইচ্ছামতো চালানো এবং ওয়াশিংটনের ‘আনুগত্যে বাধ্য করা।' তবে ইরানি জাতি দেশের সেনাবাহিনী, সরকার ও ব্যবস্থার পাশে থেকে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে শত্রুদের শক্তিশালী আঘাত করেছে।
বিদেশি শক্তিগুলো এখন ভেতর থেকে ইরানকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘শত্রুর মূল কৌশল হলো দেশে বিভেদ তৈরি করা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এজেন্টরা ইরানি সমাজে ফাটল ধরানোর চেষ্টা করছে। ‘
দেশবাসীর প্রশংসা করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘আজ আল্লাহর অশেষ কৃপায় দেশ ঐক্যবদ্ধ। মতের অমিল থাকলেও যখন দেশের সামগ্রিক ব্যবস্থা, রাষ্ট্র ও শত্রুর বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গ আসে, তখন জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে যান।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতীয় ফ্রন্ট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, ইরান কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাথানত করবে না।
খামেনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং এর পারমাণবিক কর্মসূচিতে হামলা চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, বিদেশি শক্তিগুলো এখন ভেতর থেকে বিভেদ তৈরি করে ইরানকে দুর্বল করতে চাইছে, কিন্তু ইরানি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে এর মোকাবিলা করবে।
ইরানকে পরাধীন করার মার্কিন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতীয় ফ্রন্ট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ইরান কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাথানত করবে না।
এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া বলছে, বর্তমানে নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি অভিযোগ করে বলেন, গত জুনে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যে হামলা চালিয়েছিল, তা ছিল ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার অংশ।
খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আসল উদ্দেশ্য হলো ইরানকে নিজের ইচ্ছামতো চালানো এবং ওয়াশিংটনের ‘আনুগত্যে বাধ্য করা।' তবে ইরানি জাতি দেশের সেনাবাহিনী, সরকার ও ব্যবস্থার পাশে থেকে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে শত্রুদের শক্তিশালী আঘাত করেছে।
বিদেশি শক্তিগুলো এখন ভেতর থেকে ইরানকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘শত্রুর মূল কৌশল হলো দেশে বিভেদ তৈরি করা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এজেন্টরা ইরানি সমাজে ফাটল ধরানোর চেষ্টা করছে। ‘
দেশবাসীর প্রশংসা করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘আজ আল্লাহর অশেষ কৃপায় দেশ ঐক্যবদ্ধ। মতের অমিল থাকলেও যখন দেশের সামগ্রিক ব্যবস্থা, রাষ্ট্র ও শত্রুর বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গ আসে, তখন জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে যান।

তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের সার্বভৌমত্বে আঘাত করা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো আর নিরাপদ থাকবে না।
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, গত বছর ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালালে তেহরানের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত করত। যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো এখন আরও এক ধাপ এগোতে হবে। না-ও হতে পারে। হয়তো একটি চুক্তি হবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই সম্ভবত তা জানা যাবে।
৯ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, কূটনীতিই ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ। তবে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পথও খোলা রাখা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
জানা যাচ্ছে, টেমস ভ্যালি পুলিশ আগে থেকেই দুটি বিষয় খতিয়ে দেখছিল। প্রথমত, এপস্টেইনের মাধ্যমে অ্যান্ড্রুর কাছে যৌন সম্পর্কের জন্য এক নারীকে যুক্তরাজ্যে পাচার করার অভিযোগ; দ্বিতীয়ত, বাণিজ্য দূত হিসেবে কাজ করার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী এপস্টেইনকে সরকারি নথিপত্র ও গোপন সফরসূচি সরবরাহ করা।
১৯ ঘণ্টা আগে